kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

ময়মনসিংহ সিটির প্রথম ভোট ৫ মে

ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ, প্রচারে আগ্রহী প্রার্থীরা

নিয়ামুল কবীর সজল, ময়মনসিংহ   

২৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ, প্রচারে আগ্রহী প্রার্থীরা

নবগঠিত ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) প্রথম নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরই ভোটারদের মধ্যে শুরু হয়ে গেছে ভোট নিয়ে আলোচনা। অনেক আগ্রহী প্রার্থী এরই মধ্যে পোস্টার সাঁটিয়ে দিয়েছেন ভোটারদের শুভেচ্ছা জানিয়ে। কেউ কেউ নেমে পড়েছেন জনসংযোগে।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৫ মে। গত সোমবার নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। মেয়র ও কাউন্সিলর পদে রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ৮ এপ্রিল।

বাছাই ১০ এপ্রিল। প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ এপ্রিল। সিটির ১৩০টি কেন্দ্রের সবকটিতেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার হবে।

অনেক সম্ভাব্য প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছেন। শহরজুড়ে টুকটাক রঙিন পোস্টার সাঁটিয়েছেন আগ্রহী কাউন্সিলর প্রার্থীরা। অনেকে বাড়ি বাড়িও যাচ্ছেন। নগরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে আগ্রহী কাউন্সিলর প্রার্থী মঈন উদ্দিন লস্কর রিগ্যান। তিনি এলাকায় ভোটারদের দোয়া চেয়ে পোস্টার সাঁটিয়েছেন। তরুণ প্রজন্মের প্রার্থী হিসেবে তিনি ভোটারদের মধ্যে আছেন জোরালো আলোচনায়। তিনি বলেন, এলাকাবাসীর অনুরোধে তিনি প্রার্থী হচ্ছেন। একটি সুন্দর, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে; সব ভোটার কেন্দ্রে আসবে, এটাই তাঁর প্রত্যাশা।

পোস্টার-প্যানা টানিয়ে এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী নাদিরা সুলতানা হ্যাপী। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়ন আর নারীর অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি প্রার্থী হবেন।

মেয়র পদে আলোচনায় আছেন সাবেক পৌর মেয়র এবং বর্তমান সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ইকরামুল হক টিটু। এ ছাড়া আলোচনায় আছেন মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত। আওয়ামী লীগ থেকে আগ্রহী অন্যরা এখনো কোনো ঘোষণা দেননি।

ধারণা করা হচ্ছে, চলমান উপজেলা নির্বাচনের মতো ময়মনসিংহ সিটির নির্বাচনও বর্জন করবে বিএনপি। জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশ নেবে বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে। দলটির নেতা আবু মুছা সরকার মেয়র পদে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

নির্বাচন নিয়ে সব মহল ও ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ আছে। জেলা নাগরিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমীন কালাম বলেন, ‘আমরা এই দিনটির জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। নির্বাচিত নতুন নগর পিতা ও তাঁর পরিষদ এ শহরকে সুন্দর ও আধুনিক হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে আমরা আশা করি।’

আলোকিত ময়মনসিংহ পত্রিকার সম্পাদক প্রদীপ ভৌমিক বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনে শতভাগ ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্তকে আমি স্বাগত জানাই।’

ময়মনসিংহ জেলা মহিলা পরিষদের সভাপতি মনিরা বেগম অনু বলেন, ‘নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হোক, এটাই প্রত্যাশা করি।’

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, এ বছরের ২৮ জানুয়ারি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনকে ৩৩টি সাধারণ ও ১১টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ভাগ করে সীমানাসংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে বয়ড়া ও আকুয়া ইউনিয়নের পুরোটা এবং খাগডহর, চরঈশ্বরদিয়া, দাপুনিয়া, ভাবখালী, সিরতা ও চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের আংশিক এলাকাকে সিটি করপোরেশনের আওতায় আনা হয়। এরপর নেওয়া হয় নির্বাচনের প্রস্তুতি।

মন্তব্য