kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী

সরকার আদালতকে ‘কারাবন্দি’ করেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সরকার আদালতকে ‘কারাবন্দি’ করেছে

কারাগারে আদালত স্থানান্তরকে অসাংবিধানিক ও ন্যক্কারজনক আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ। সরকারপ্রধানের অদম্য প্রতিহিংসা দ্রুত চরিতার্থ করার জন্যই এটা করা হয়েছে—এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘তারা (সরকার) আইনকানুনের কোনো ধার ধারছে না। আদালতকে বন্দি করা হয়েছে কারাগারে।’

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির নেতা রিজভী এসব কথা বলেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বুধবার নাজিমুদ্দীন রোডের পুরনো কারাগারে যেখানে খালেদা জিয়া বন্দি সেখানে আদালত বসানো হয়। এই মামলায় খালেদাসহ কয়েকজনের বিচার হচ্ছে।

রিজভী আরো বলেন, ‘বর্তমান সরকারের উদ্দেশ্য দুটি। একটি হলো—একের পর এক মিথ্যা মামলায় দেশনেত্রীর বিরুদ্ধে সাজা বৃদ্ধি করা। আরেকটি উদ্দেশ্য—দিনের পর দিন আটকে রেখে শারীরিক অসুস্থতার আরো অবনতি ঘটিয়ে খালেদা জিয়াকে বিপর্যস্ত করা। গতকালও আপনারা দেখেছেন হুইলচেয়ারে করে তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছে। হাত-পা নড়াতে তাঁর অসুবিধা হচ্ছিল। তিনি এতটাই অসুস্থ ছিলেন যে রীতিমতো কাঁপছিলেন এবং চেয়ার থেকে দাঁড়াতে পারছিলেন না।’

বারবার দাবি করা সত্ত্বেও সরকার খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করছে না—এমন অভিযোগ করে রিজভী বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁর যথাযথ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়নি। দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর সুচিকিৎসার দাবি বারবার উপেক্ষা করা হয়েছে।’

রিজভীর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী পরিকল্পিতভাবে খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্যাতন করছেন।

রাজধানীসহ সারা দেশে দলের নেতাকর্মীদের ধরপাকড় করা হচ্ছে জানিয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রিজভী বলেন, ঈদের কয়েক দিন আগে থেকে এখন পর্যন্ত দেড় হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 মামলা হয়েছে এক হাজার ২০০। আর নাম উল্লেখ করে এসব মামলায় ১১ হাজারের বেশি আসামি করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে চান না—এমন দাবি করেন রিজভী বলেন, ‘এই ধরনের নির্বাচন হলে শেখ হাসিনার লজ্জাজনক পরাজয় হবে। তাই একতরফা ভোটারশূন্য নির্বাচন করার জন্য তিনি সারা দেশে বিরোধী দলশূন্য করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।’

সংবাদ সম্মেলনে দলের নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবীর খোকন, আব্দুস সালাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা