kalerkantho

শনিবার । ২৫ মে ২০১৯। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৯ রমজান ১৪৪০

মঙ্গলে নদীর ফসিল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ আগস্ট, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মঙ্গলে নদীর ফসিল

মঙ্গল গ্রহে নদীর অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন এক বাঙালি গবেষক। তিনি গবেষণা প্রতিবেদনে দেখিয়েছেন, মঙ্গলে এক সময় বড় বড় নদী ছিল। কম করে হলেও ১৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়েছিল সেই সব নদী। সঞ্জীব গুপ্ত নামের ওই গবেষকের জন্ম ভারতের কলকাতায়। তিনি ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের জিওলজি বিভাগের অধ্যাপক।

‘লাল গ্রহে’র উত্তর গোলার্ধে অ্যারাবিয়া টেরার সুবিস্তীর্ণ এলাকায় ওই সব বড় বড় নদীর ফসিলের হদিস মিলল এই প্রথম। ফলে লাল গ্রহ বরাবরই পাথুরে আর বরফে মোড়া বলে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একাংশের মধ্যে যে বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে ছিল, তাতে সজোরে ধাক্কা দিল নতুন এই গবেষণা।

বিজ্ঞান জার্নাল ‘জিওলজি’র আগস্ট সংখ্যায় প্রকাশিত ওই গবেষণাপত্রটির শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘এক্সটেনসিভ নোয়াকিয়ান ফ্লুভিয়াল সিস্টেমস ইন অ্যারাবিয়া টেরা : ইমপ্লিকেশনস ফর আর্লি মার্শিয়ান ক্লাইমেট’।

দুই মূল গবেষকের অন্যতম অধ্যাপক সঞ্জীব গুপ্ত বলেন, প্রায় ৪০০ কোটি বছর আগে মঙ্গলের উত্তর গোলার্ধে অ্যারাবিয়া টেরায় প্রায় ১৭ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছিল বড় বড় নদী। আয়তনে এই অ্যারাবিয়া টেরা বিশাল এলাকা। মঙ্গলে মহাকাশযান মার্স রিকনাইস্যান্স অরবিটার (এমআরও) যেসব ছবি পাঠিয়েছে, তা আগের চেয়ে প্রায় ২০ গুণ বেশি নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, অ্যারাবিয়া টেরায় এক সময় প্রচুর বৃষ্টি হতো। তিনি বলেন, মঙ্গলগ্রহ বরাবরই নিষ্প্রাণ পাথুরে বা আপাদমস্তক বরফ বা গ্লেসিয়ারে মোড়া ছিল, এমনকি অণুজীবেরও টিকে থাকার যোগ্য ছিল না—এমন ধারণা আর ভাবা যাচ্ছে না। বরং এর তাপমাত্রা যে অনেক বেশি বাসযোগ্য ছিল, সেখানে গরম কাল আসত, বৃষ্টি পড়ত ঝমঝমিয়ে, নতুন গবেষণা সে বিশ্বাসকেই জোরালো করে তুলেছে। তথ্যপ্রমাণে এটাই বলা যায়, প্রাণের জন্য রীতিমতো সহায়ক পরিবেশই ছিল মঙ্গল গ্রহে। সূত্র : আনন্দবাজার।

মন্তব্য