kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

জোকস: আমার সঙ্গে ফাইজলামি! ডাকো তোমার কমান্ডারকে!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩০ অক্টোবর, ২০১৮ ১৮:৫৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জোকস: আমার সঙ্গে ফাইজলামি! ডাকো তোমার কমান্ডারকে!

মন্টু বড় হয়ে গেছে। প্রেমিকা রোদেলাকে আর অপেক্ষা করানো ঠিক হচ্ছে না। একদিন সাহস সঞ্চয় করে বাপের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো- 

মন্টু : বাবা, বাবা!

মন্টুর বাপ: বল, কী বলবি! ছাগলের মতো এত ব্যা ব্যা করছিস কেন?

মন্টু: রাখো তোমার ইয়ার্কি। আমি বিয়ে করতে চাই!

মন্টুর বাপ: খুবই ন্যায্য কথা। তোর তো আসলেও বিয়ের বয়স হয়ে গেছে। এবার ‘সরি’ বল!

মন্টু: মানে? আমি সরি বলবো কেন? 

মন্টুর বাপ: সরি বল!

মন্টু: আমার দোষটা কী বলবে তো? নিজের মুখে বিয়ে করতে চেয়েছি- এজন্য!

মন্টুর বাপ: না। কিন্তু সরি বল এখনি।

মন্টু: এটা কিন্তু বাড়াবাড়ি হচ্ছে বাবা! তুমি আমাকে আমার দোষ দেখাবে তো?

মন্টুর বাপ: সরি বল তুই।

মন্টু: আগে আমাকে তো একটা কারণ দেখাবে যার জন্য আমি সরি বলতে বাধ্য হবো!

মন্টুর বাপ: কোনো কথা শুনতে চাই না। সরি বলতেই হবে তোকে!

মন্টু: ঠিক আছে বাবা, বলছি- সরি!

মন্টুর বাপ: শাব্বাস! বাঘের বাচ্চা বাপ আমার! এইবার তোর ট্রেনিং সম্পন্ন হলো। এবার তুই বিয়ে করার পক্ষে উপযুক্ত।

মন্টু: বুঝলাম না, বাবা!

মন্টুর বাপ: বোঝা খুবই সহজ- যখন তুই কোনো কারণ ছাড়া’ই সরি বলতে শিখবি- তখনি বুঝবি যে তুই বিয়ের উপযুক্ত হয়েছিস।

                                                (২)
আফ্রিকার এক দুর্ভিক্ষপীড়িত রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সাধারণ মানুষজনের অবস্থা নিজ চোখে দেখতে বের হলেন। সর্বপ্রথম বাজারের অবস্থা দেখতে চাইলেন তিনি। শহরের সবচেয়ে বড় কাঁচা বাজারে মাংসের দোকানে উপস্থিত হলেনি তিনি।  

প্রেসিডেন্ট: কেমন আছেন কসাই সাহেব? বেচাকেনা ভাল তো?

দোকানদার: বেচা কেনা এমনিতে ভাল। তবে আজকে বিক্রিবাট্টা একদম বন্ধ!

প্রেসিডেন্ট: (বিস্মিত কণ্ঠে) কেন কেন? আজ বিক্রি বন্ধ কেন?

দোকানদার: আপনি পরিদর্শনে আসছেন বলে কোনো ক্রেতাকে আজ বাজারেই ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আপনি চলে যাওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

প্রেসিডেন্ট: (সহানুভূতির সুরে) মন খারাপ করো না। আজ আমিই হবো তোমার প্রথম কাস্টমার। ওই রানটা থেকে পাঁচ কেজি মাংস কেটে দাও দেখি।

দোকানদার: দুঃখিত, স্যার! দিতে পারবো না।

প্রেসিডেন্ট: (চরম হতবাক হয়ে) পারবে না মানে?

দোকানদার: জ্বী মহামান্য। আপনার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বাজারের সব ছোট বড় চাকু-ছোরা-বটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তাই রান থেকে মাংস কাটার কিছু নেই। 

প্রেসিডেন্ট: (কিছুটা সামলে নিয়ে স্মার্ট মুডে) ঠিক আছে। কাটাকুটির ঝামেলায় গিয়ে লাভ নেই। আমাকে পুরো রানটাই দিয়ে দিন- তার আগে মেপে দেখুন কত কেজি হয় এটা। আর দেওয়ার আগে একটু পরিষ্কার করে দিবেন...

দোকানদার: এসবের কিছুই আমি পারি না, স্যার! 

প্রেসিডেন্ট: কেন!?

দোকানদার: কারণ, আমি কসাই নই। 

প্রেসিডেন্ট: (হঠাৎ প্রচণ্ড রেগে গিয়ে) তুমি কসাই না তবে মাংসের দোকানে বসে আছো কেন? বাইস্কোপ দেখতে?

দোকানদার: আপনার নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাজার থেকে সবাইকে বের করে দিয়ে প্রত্যেক দোকানে ইন্টেলিজেন্সের লোক বসানো হয়েছে, স্যার। আমি নিজেও তাদের একজন...

প্রেসিডেন্ট: (রাগে থর থর করে কাঁপা শুরু করলেন) আমার সঙ্গে ফাইজলামি! ডাকো তোমার কমান্ডারকে। এর কৈফিয়ত তাকে দিতে হবে!

দোকানদার: উনাকে ডেকে লাভ নেই, স্যার। উনি নিজে মাছের দোকানদার সেজে আপনার জন্য বড় বড় রুই-চিতল নিয়ে অপেক্ষা করছেন... 

[সংগৃহীত]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা