kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

হুয়াওয়ের আয়োজনে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আইপি ক্লাব কার্নিভাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ মে, ২০১৯ ১৬:৫০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হুয়াওয়ের আয়োজনে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আইপি ক্লাব কার্নিভাল

আইপি ইন্ডাস্ট্রির আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে আইপি ক্লাব কার্নিভালের আয়োজন করেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আইসিটি সল্যুশন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এই কার্নিভাল শুরু হয়েছে। চলবে শুক্রবার পর্যন্ত। 

হুয়াওয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দু’দিনব্যাপী এই আয়োজনের থিম হচ্ছে ‘রিথিংক আইপি, বিল্ডিং দ্য ইঞ্জিন ফর ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন’। এই আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৪০০ জন আইপি ক্লাব সদস্য, শিল্প ও অ্যাকাডেমিক বিশেষজ্ঞ এবং আইপি পেশাজীবীরা অংশ নিয়েছন। বিশেষ করে থাইল্যান্ড, হংকং, ভারত, কম্বোডিয়া, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম থেকে এসব বিশেষজ্ঞ ও পেশাজীবীরা অংশ নিয়েছেন।

কার্নিভালে অংশগ্রহণকারী প্রযুক্তিবিদরা বোঝানোর চেষ্টা করেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শিল্পখাতের আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে উদ্ভাবনী আইপি প্রযুক্তিগুলো কিভাবে ব্যবহার করা হয়। কার্নিভালে হুয়াওয়ের মুখপাত্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রথমবারে মতো আইপি ক্লাবের সদস্য হওয়ার সুবিধাগুলো তুলে ধরেন। একটি পেশাগত, উন্মুক্ত, বিশ্বস্ত এবং সম্মানজনক আইপি প্রযুক্তি নির্ভর যোগযোগ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে এই আয়োজনকে তিনি একটি অন্যতম মাইলস্টোন হিসেবে উল্লেখ করেন।

কার্নিভালে আইডিসি’র নেটওয়ার্ক ইনফ্রাসট্রাকচার বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট রোহিত মেহরা দেখানোর চেষ্টা করেন, কীভাবে বিদ্যমান প্রযুক্তি যেমন: এআই, বিগ ডেটা এবং ক্লাউড নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তিনি জানান, বিদ্যমান অ্যাপ্লিকেশনসগুলো নিরাপদে ও দক্ষতার সাথে ব্যবহারের জন্য নেটওয়ার্ক মূল ভূমিকা পালন করে। আর এজন্যই নেটওয়ার্কের রূপান্তর গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পুরাতন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডিজিটাল রূপান্তর সম্ভব না। তাই ভবিষ্যতে বুদ্ধিবৃত্তিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

কার্নিভালে ডিজিটাল রূপান্তরের সাথে সাথে কীভাবে আইপি ইন্ডাস্ট্রি এগিয়ে যাবে সে বিষয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন হুয়াওয়ের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রধান ডিজিটাল কর্মকর্তা ও পরামর্শক মিশেল ম্যাকডোনাল্ড। এমনকি আইপি প্রযুক্তিতে হুয়াওয়ের আধুনিক গবেষণা ও প্রশিক্ষেণের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘ওয়াই-ফাই ৬, এআই ফেব্রিকস, এসআরভি৬ উদ্ভাবনে হুয়াওয়ে পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করছে ও মার্কেটে নেতৃত্ব দিচ্ছে। এছাড়া ধারাবাহিক উদ্ভাবন এবং গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগের কারণে এই খাতে গুরম্নত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারছে। হুয়াওয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি অব্যাহত রাখবে এবং শীর্ষস্থানীয় বুদ্ধিবৃত্তিক আইপি নেটওয়ার্ক সল্যুশন সরবরাহ করবে।’

আইইই ৮০২.১১এএক্স (ষষ্ঠ প্রজন্মের ওয়াই-ফাই) টাক্স গ্রম্নপের চেয়ারম্যান ড. ওসামা আবুল মাগদ কার্নিভালে সর্বাধুনিক ওয়াই-ফাই ৬ এর বিবর্তন এবং এর উন্নয়নে হুয়াওয়ের তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘৮০২.১১এএক্স এর উন্নয়নে হুয়াওয়ে মোট ২৪০টি প্রস্তাব জমা দিয়েছে, যা মোট প্রস্তাবের ১৫ শতাংশ এবং সব ভেন্ডদের মধ্যে প্রথম।’

পরে হুয়াওয়ের ডাটা কমিউনিকেশন্স প্রোডাক্ট লাইনের ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক ডোমেইন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. লি জিং এই খাতের প্রথম বাণিজ্যিক ওয়াই-ফাই ৬-পি৭০৬০ডিএন চালু করেন। এসময় তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত  টলি গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী আইপি খাতে ওয়াই-ফাই ৬ এর বাণিজ্যিকীকরণে হুয়াওয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে। টলি গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, হুয়াওয়ের ওয়াই-ফাই ৬ এর পণ্যগুলো পরীক্ষায় সর্বোচ্চ কর্মদক্ষতার পরিচয় দিয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা