kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

সিইটিপি পরিচালনার জন্য কম্পানি হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সিইটিপি পরিচালনার জন্য কম্পানি হচ্ছে

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান

সাভার চামড়া শিল্প নগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) পরিচালনার জন্য ‘ঢাকা ট্যানারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট ম্যানেজমেন্ট কম্পানি লিমিটেড’ নামে একটি কম্পানি গঠন করা হচ্ছে। এটি নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে আগামী ২৬ মের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এ সময়ের মধ্যে যেসব ট্যানারি মালিকরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাবে, তাদের সদস্য করে কম্পানিটি গঠন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমানের সঙ্গে চামড়াশিল্প-সংশ্লিষ্ট সংগঠন ও স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে সাভার চামড়া শিল্প নগরীর সার্বিক বিষয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময়সভায় গতকাল এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিল্পসচিব মো. আবদুল হালিম, অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ, বিসিক চেয়ারম্যান মো. মোশতাক হাসান, এলএফএমইএবির চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম, বিএফএলএলএফইএর চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিনসহ বুয়েট, বিসিক এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভায় সাভার চামড়া শিল্প নগীরর সার্বিক অবস্থা বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় ট্যানারি মালিকদের পক্ষ থেকে প্লটের মূল্য কমানোর দাবি, সলিড বর্জ্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থাকরণ, ট্যানারি মালিকদের ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধ এবং লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের কমপ্লায়েন্স অনুসরণের জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে আলোচনায় স্থান পায়।

বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চামড়া শিল্প নগরীর প্রতি বর্গফুট জায়গা উন্নয়নের জন্য সরকারের এক হাজার ৭০০ টাকা খরচ হলেও উদ্যোক্তাদের স্বার্থ বিবেচনা করে তা প্রতি বর্গফুট ৪৭১ টাকা নির্ধারণ করেছে। সার্বিক বিবেচনায় প্লটের মূল্য কমানোর আর কোনো সুযোগ নেই। যেসব ট্যানারি মালিক স্থানান্তরের শর্ত পূরণ করেছে, তাদের অনুকূলে শিল্প মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধ করেছে।

সভায় আগামী জুলাইয়ের মধ্যে প্রত্যেক ট্যানারি মালিককে লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের মান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ সময়ের মধ্যে যন্ত্রপাতি স্থাপনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ট্যানারির উৎপাদন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, সাভার চামড়া শিল্প নগরীর সিইটিপির অবশিষ্ট যন্ত্রপাতি শিডিউল অনুযায়ী প্রিশিপমেন্ট ইন্সপেকশন (পিএসআই) শেষে স্থাপন করা হবে। চীনা ঠিকাদার কম্পানি আগামী চার মাসের মধ্যে সিইটিপি পুরোপুরি চালু এবং দেশীয় জনবলকে প্রশিক্ষিত করে কম্পানির কাছে পরিচালনার দায়িত্বভার হস্তান্তর করবে। এ ছাড়া, চামড়া শিল্প নগরীর সলিড বর্জ্য ডাম্পিংয়ের জন্য উপযুক্ত জায়গা খুঁজে বের করার বিষয়েও সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে ব্যবসায়ীদের দায়িত্ব রয়েছে। যেসব ট্যানারি মালিক জমির নির্ধারিত মূল্য পরিশোধে আগ্রহী নয়, তাদের প্লট বাতিল করা হবে। এরই মধ্যে অনেক চামড়াশিল্প উদ্যোক্তা সরকার নির্ধারিত মূল্যেই প্লটের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে তিনি জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা