kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা

ছেঁড়া ফাটা নোটের বৈশিষ্ট্যে সংশোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অপ্রচলনযোগ্য, মিউটিলেটেড বা ত্রুটিপূর্ণ ও দাবিযোগ্য নোটের বৈশিষ্ট্য সংশোধন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সংশোধন অনুযায়ী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে যথাযথভাবে নোট বাছাই (সর্টিং) করে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।  গতকাল বুধবার এসংক্রান্ত একটি সার্কুলারে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকে গ্যারান্টি হিসাবে ও চেস্ট হিসাবে নোট জমা দেওয়ার সময় তা সংশোধিত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী জমা দিতে হবে। এ নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। অপ্রচলনযোগ্য নোটের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে—অত্যধিক ময়লাযুক্ত নোট, নোটে অল্প মরিচার চিহ্ন, অল্প রং লাগানো নোট, নোটের ওপর অত্যধিক লেখা, একাধিক সিল বা দাগ ও সামান্য ছেঁড়া বা ক্ষুদ্র ছিদ্রযুক্ত নোট। 

এ ধরনের নোটে ময়লার জন্য এক বা একাধিক নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অস্পষ্ট হলে তা অত্যধিক ময়লাযুক্ত নোট বলে বিবেচিত হবে। আর রঙের জন্য আসল নোটের বৈশিষ্ট্য যাচাই করতে সমস্যা হলে তা অল্প রং লাগানো নোট বলে বিবেচিত হবে।

মিউটিলেটেড নোটের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে—ছেঁড়া বা টেপযুক্ত নোট, দুই খণ্ডে খণ্ডিত নোট, বড় ছিদ্রযুক্ত নোট, তেলযুক্ত নোট। এ ধরনের নোটের ক্ষেত্রে নোটের পরিমাপ ঠিক রেখে ছেঁড়া অংশে নোটের পেছনের দিকে লাগানো সরু টেপ বা সাদা কাগজযুক্ত নোট, যাতে আসল নোটের বৈশিষ্ট্য যাচাই করতে কোনো সমস্যা না হয়। এরূপ ক্ষেত্রে তা ছেঁড়া বা টেপযুক্ত নোট বলে বিবেচিত হবে। এ ছাড়া দুই খণ্ডের নোটের ক্ষেত্রে একইভাবে টেপ বা সাদা কাগজে লাগানো নোট বা উভয় অংশ সন্দেহাতীতভাবে একই নোটের অংশ বলে বিবেচিত হয় তা দুই খণ্ডে খণ্ডিত নোট এবং বড় ছিদ্রযুক্ত নোটের ক্ষেত্রে ছিদ্রের ফলে নোটের অনুপস্থিতির পরিমাণ নোটের আয়তনের ১০ শতাংশের কম হলে তা বড় ছিদ্রযুক্ত নোট বলে বিবেচিত হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা