kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

পুঁজিবাজারে তারল্য জোগান

৮৫৬ কোটি টাকা পেল আইসিবি

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এই অর্থ ছাড় করে আইসিবির হিসাবে জমা করা হয়েছে। এখন যেকোনো সময় আইসিবি এই টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৮৫৬ কোটি টাকা পেল আইসিবি

পুঁজিবাজারের বর্তমান তারল্য সংকট কাটাতে পুনর্বিনিয়োগ অর্থায়নের ৮৫৬ কোটি টাকা পেয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এই অর্থ ছাড় করে আইসিবির হিসেবে জমা করা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। এখন যেকোনো সময় বা আজ থেকেই আইসিবি এই টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে।

জানা যায়, চলতি বছরের শুরুতে পুঁজিবাজার ঊর্ধ্বমুখী হলেও গত কয়েক মাস নিম্নমুখী অবস্থার মধ্যে পড়েছে পুঁজিবাজার। তারল্য সংকট কাটাতে ২০১০ সালে ধসের ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর সহায়তায় ৯০০ কোটি টাকা পুনরর্থায়ন তহবিলের ৮৫৬ কোটি টাকা চায় আইসিবি। যার ৭৬০ কোটি টাকা সরাসরি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবে আর ৯৬ কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর মধ্যে স্বল্প সুদে বিতরণ করা হবে।

গত ২ মে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এমন একটি চিঠি বাংলাদেশ ব্যাংকে দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, চলমান পুঁজিবাজারের লেনদেনে নিম্নগতির ধারা প্রতিরোধে সুদ ও আসল হিসেবে আদায়কৃত ৮৫৬ কোটি টাকা আবর্তনশীল ভিত্তিতে পুনর্ব্যবহার ও তিনটি বিষয়ের নির্দেশক্রমে অর্থ বিভাগের সম্মতি দেওয়া হলো।

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর জন্য পুনরর্থায়ন তহবিলের মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু এই তহবিলের মেয়াদ আরো তিন বছর বাড়ানো হয়। অর্থাৎ ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর মেয়াদ শেষ হবে এবং শেষ বিতরণকৃত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ৩১ মার্চ এই সময় পর্যন্ত।

বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় ২০১২ সালের ৫ মার্চ প্রণোদনা স্কিমের আওতায় ৯০০ কোটি টাকার ফান্ড গঠন করা হয়, যা ৩ কিস্তিতে ৩০০ কোটি টাকা করে আইসিবির মাধ্যমে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবরের মধ্যে বিতরণ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও আইসিবির সমন্বয়ে গঠিত ‘তদারকি কমিটি’ তত্ত্বাবধানে এই ফান্ড বিতরণ করা হয়। যার মেয়াদ ছিল ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরবর্তীতে কয়েক দফা মেয়াদ বাড়িয়ে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা