kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

অ্যাকশনএইডের গবেষণা

যুব উন্নয়ন বরাদ্দ কমছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাতীয় বাজেটে যুবদের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ ও বিনিয়োগের পরিকল্পনা নেই। ২২ মন্ত্রণালয় যুব ও যুবদের উন্নয়নে সম্পর্কিত থাকলেও এদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে না তুলতে পারলে তা জাতীয় সংকট তৈরি করবে।

‘যুব জনগোষ্ঠীর জন্য বিনিয়োগ : বাজেটে প্রতিফলন কী?’ শীর্ষক গবেষণায় এ চিত্র তুলে ধরেছে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে যুব বাজেট নিয়ে গবেষণাপত্র তুলে ধরেন ইংরেজি দৈনিক দ্য ফিন্যানশিয়াল এক্সপ্রেস পত্রিকার প্ল্যানিং এডিটর আসজাদুল কিবরিয়া। গবেষণায় বলা হয়, বাংলাদেশের বর্তমান শাসন কাঠামো অনুযায়ী ২২টি মন্ত্রণালয় যুব ও যুবদের উন্নয়ন সম্পর্কিত। ২০১৮ সালের বাজেটে এই ২২টি মন্ত্রণালয়ের জন্য বাজেটে মোট বরাদ্দ ছিল ১.৬৬ লাখ কোটি টাকা, যা পরবর্তীতে ২১.৬% কমে ১.৩৭ লাখ কোটিতে নেমে আসে। একই সময় মূল জাতীয় বাজেট চার লাখ কোটি থেকে ৭.৮১% কমে ৩.৭২ লাখ কোটিতে নেমে আসে। অর্থাৎ সামগ্রিক বাজেটের তুলনায় এই ২২টি মন্ত্রণালয়ের বাজেট কমার হার বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, মন্ত্রণালয়গুলোতে নানাভাবে, আলাদাভাবে বা যৌথভাবে তরুণদের জন্য বাজেট বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে তরুণদের জন্য পরিকল্পনা নেই। আবার মন্ত্রণালয়গুলোর এই বাজেট ও কর্মকাণ্ডের মধ্যে সমন্বয়েরও ঘাটতি আছে।

গবেষণার আলোকে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ড. মুস্তাফা কে মুজেরী বলেন, তরুণরাই দেশ ও সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। অথচ আমাদের দেশের বাজেটে যুব উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ অবহেলিত। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে যে পরিমাণ বরাদ্দ দরকার তা করা হচ্ছে না। এই বিনিয়োগ দুরবস্থা তরুণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। বিনিয়োগ না হলে অদূর ভবিষ্যতে আমরা খুব খারাপ পরিস্থিতিতে পড়ব।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা