kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

বিআইবিএমের গবেষণা কর্মশালা

অর্থপাচার রোধে নিজস্ব ডাটা ব্যাংক গড়ে তোলার আহ্‌বান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অর্থপাচার রোধে নিজস্ব ডাটা ব্যাংক গড়ে তোলার আহ্‌বান

বিআইবিএমের গবেষণা কর্মশালায় অতিথিরা

বাণিজ্যকেন্দ্রিক অর্থপাচার রোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব ডাটা ব্যাংক গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে এ ডাটা ব্যাংক অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংক যাতে নিজেদের কাজে ব্যবহার করতে পারে তার উদ্যোগও নিতে হবে। অর্থপাচার রোধে ব্যাংকের পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং অন্যান্য সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণা কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। গতকাল সোমবার রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটরিয়ামে ‘অ্যাড্রেসিং ট্রেড বেজড মানি লন্ডারিং ইন বাংলাদেশ : অ্যান অ্যাসেসমেন্ট’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএমের ড. মোজাফফর আহমদ চেয়ার প্রফেসর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের অধ্যাপক এবং পরিচালক (ট্রেনিং) ড. শাহ মো. আহসান হাবীব। মূল প্রবন্ধটি ছিল মূলত বিএফআইইউয়ের খসড়া বাণিজ্যসংক্রান্ত গাইডলাইনকেন্দ্রিক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, বাণিজ্যকেন্দ্রিক অর্থপাচার রোধে এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। যা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সারা বিশ্বে এখন অর্থপাচার একটি চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশও এর আওতার বাইরে নয়।

বিআইবিএমের চেয়ার প্রফেসর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা বলেন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও জনশক্তি নেই। এদিকে নজর দিয়ে ব্যাংকারদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর নির্ভর না করে প্রত্যেক ব্যাংকের নিজস্ব ডাটা ব্যাংক করতে হবে, যা অন্য ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পারে। পূবালী ব্যাংকের সাবেক এমডি হেলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, অর্থপাচার প্রতিরোধে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। ব্যাংক এবং সব স্টেকহোল্ডারের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। ব্যাংকের এডি শাখাগুলোকে সুষ্ঠু মনিটর করতে হবে। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল দিতে হবে। ব্যাংকারদের ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি ট্রেডের খুঁটিনাটি জানাতে হবে। বাণিজ্য পণ্যের মূল্য নির্ধারণের ব্যাপারে বিদেশি সংস্থার সহায়তা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ইয়াছিন আলী বলেন, ক্রেডিট রিপোর্ট ব্যাংকারদের ভালোভাবে জানতে হবে। প্রত্যেক ব্যাংক এলসি খোলার ডাটা বেইস করলে অর্থপাচার রোধে গুরুত্বপূর্ণ আইন করার সময় ব্যাংকিং অপারেশনে কোনো ক্ষতি না হয় সেদিকটি বিবেচনায় রাখতে হবে। ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি ফারুক মাঈনুদ্দিন আহমেদ বলেন, গ্রাহক এবং ব্যাংকার সব পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা