kalerkantho

বুধবার। ১৯ জুন ২০১৯। ৫ আষাঢ় ১৪২৬। ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

কয়েক গুণ বেড়েছে দাম

তরমুজের বাজারে সিন্ডিকেট

ফখরে আলম, যশোর   

১৫ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তরমুজের বাজারে সিন্ডিকেট

রোজায় গ্রীষ্মের রসালো ফল তরমুজের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু সিন্ডিকেটের অপতৎপরতায় সেই তরমুজে হাতই দেওয়া যাচ্ছে না। গত বছর যে তরমুজ বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা, এবার সেই তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। এমনকি তরমুজ ব্যবসায়ীরা আগের সব নিয়ম ভঙ্গ করে পিস হিসেবের পরিবর্তে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছেন।

তরমুজ ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েক দফা শিলাবৃষ্টি আর ফণীতে তরমুজের ক্ষতি হয়েছে। এ জন্য কৃষকরাই তরমুজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু অনুসন্ধানে জানা গেছে, ফড়িয়া, পাইকারি ব্যবসায়ী, আড়তদার, খুচরা ব্যবসায়ী এরা মিলেই সিন্ডিকেট গড়ে তরমুজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনার কয়রা, পটুয়াখালী, ভোলা, গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে তরমুজের চাষ হয়। এসব এলাকা থেকে যশোর সদর উপজেলার রূপদিয়া বাজারের আড়তদাররা তরমুজ কিনে এনে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করেন। যশোর শহরের চাঁচড়া মোড়, রেলস্টেশন, পালবাড়ী, চৌরাস্তা, মনিহার এলাকায় তরমুজ বিক্রি হয়।

চাঁচড়া মোড়ের খুচরা বিক্রেতা আবুল বাশার বলেন, ‘আগে আমরা পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি করেছি। এখন আমরা প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি করছি ৬০ টাকায়। তাতে একটি তরমুজের দাম পড়ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। শিলাবৃষ্টি, ফণীতে তরমুজের ক্ষতি হয়েছে। আড়তদাররা আমাদের কাছ থেকে ছোট আকারের একটি তরমুজের দামই নিচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।’ চৌরাস্তার তরমুজ ব্যবসায়ী সিরাজুল বলেন, ‘বাজারে তরমুজ নেই বললেই চলে। আমরা কোনো সিন্ডিকেট করিনি। তবে আমরা টিকে থাকার জন্য কেজি হিসেবে তরমুজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।’

চাঁচড়া গ্রামের রাজমিস্ত্রি লুৎফর রহমান বলেন, ‘আমার অসুস্থ মা তরমুজ খেতে চেয়েছে। ৬০ টাকা কেজি দরে ছোট একটি তরমুজ কিনেছি ১৮০ টাকায়। ডালমিল এলাকার ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন বলেন, ‘গতবার যে তরমুজ ৬০ টাকায় কিনেছি। এবার একই আকারের তরমুজ ২৪০ টাকায় কিনলাম।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা