kalerkantho

শনিবার । ২৫ মে ২০১৯। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৯ রমজান ১৪৪০

আইসিসিবিতে ইন্দোনেশিয়ান পণ্য মেলায় বক্তারা

বিনিয়োগের জায়গা খুঁজছে ইন্দোনেশিয়ার উদ্যোক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিনিয়োগের জায়গা খুঁজছে ইন্দোনেশিয়ার উদ্যোক্তারা

মেলায় ইন্দোনেশীয় প্রসাধন সামগ্রীর প্রসরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকায় শুরু হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার তৈরি বিভিন্ন পণ্যের মেলা। ইন্দোনেশিয়ার ব্যবসায়িক উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করেছে ঢাকার ইন্দোনেশিয়া দূতাবাস।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এই মেলার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত রিনা পি সোমারনো। দ্বিতীয়বারের মতো মেলাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

তিন দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রিনা পি সোমারনো বলেন, ‘বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারনের জন্য ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন উদ্যোক্তা ও কম্পানিগুলোকে উৎসাহ দেবে এই মেলা। এটি ব্যবসায়ীদের একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করতেও সহযোগিতা করবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়ার উদ্যোক্তারা সম্ভাব্য বিনিয়োগের জায়গা খুঁজছে। যেখানে তারা জয়েন্ট ভেঞ্চারে এনার্জি, লজিস্টিকস, ট্রান্সপোর্ট, অবকাঠামো, হোটেলসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করবে।’

জানা গেছে, মেলায় মোট ৪০টি প্রতিষ্ঠান সেবা, ভোগ্য ও শিল্পজাত পণ্য প্রদর্শন করছে। ইন্দোনেশিয়ার বুটিক, ফ্যাশন, জুয়েলারি, হস্তশিল্প, যান তৈরির প্রতিষ্ঠানগুলো উল্লেখযোগ্য।

গতকাল মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেছে, কারুকাজ করা বিভিন্ন পণ্যই ক্রেতাদের বেশি আকৃষ্ট করছে। এ ছাড়া বুটিক, ফ্যাশন, হস্তশিল্পেরও বেশ কিছু পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।

মেলায় অংশ নেওয়া শোফি বুটিকে দেখা বিভিন্ন ধরনের মেয়েদের পোশাকের আধিক্য লক্ষ করা গেছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সোফিয়াতুন গুডুনু কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ক্রেতারা আমাদের পণ্য দেখছে। তাদের আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। আমরা আমাদের ব্যবসা এদেশে বাড়ানোর জন্যই মেলায় অংশ নিয়েছি।’

আরুলা নামের আরেক স্টলে গিয়ে দেখা গেল, সেখানে কারুকাজ করা নানা পণ্য। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ব্যাগ রয়েছে। এ ছাড়া কিছু টি-শার্টও প্রদর্শন করা হচ্ছে। পাশেই আরেকটি স্টলে লেদারের বিভিন্ন পণ্য যেমন—মানিব্যাগ, ব্যাগ, বেল্ট, জুতা, কিছু জামা প্রদর্শিত হচ্ছে। এ স্টলটিতেই দর্শনার্থীদের বেশ আগ্রহ লক্ষ করা গেছে।

ক্রিস্টালিয়া এইশা নামের আরেকটি স্টলে দেখা গেছে ছেলে ও মেয়েদের জন্য তৈরি করা নানা পোশাক, যার বেশির ভাগই ছাপার কাজ করা। সাধারণত বাংলাদেশিরা যে ধরনের পোশাক পরে তার থেকে এগুলো একটু আলাদা, একটু ঢিলেঢালা টাইপের। এরই পাশের একটি স্টলে অবশ্য বিভিন্ন ধরনের বোরকা প্রদর্শন করতেও দেখা গেছে।

এ ছাড়া দেশটির গাড়ি তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান, খাদ্য উৎপাদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং মেয়েদের প্রসাধনীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও তাদের পণ্য প্রদর্শন করছে। মেলায় বাংলাদেশি দর্শনার্থীদের তুলনায় ঢাকায় অবস্থানরত ইন্দোনেশিয়ার দর্শনার্থীদের বেশি দেখা গেছে। মেলাটি প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

মন্তব্য