kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

‘বাংলাদেশের অতিথিপরায়ণ মানুষ পর্যটনের বড় সম্পদ’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘বাংলাদেশের অতিথিপরায়ণ মানুষ পর্যটনের বড় সম্পদ’

বিটিবির ফ্যাম টুরের সমাপনিতে বিদেশী সাংবাদিকরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

প্রাকৃতিক দৃশ্য, ঐতিহ্যের পাশাপাশি হাসিমুখের অতিথিপরায়ণ বাংলাদেশিরাই এ দেশের পর্যটনের বড় সম্পদ বলে মনে করেছেন বিদেশি সাংবাদিকরা। তাঁরা বলেছেন, নানা সংকটের মধ্যে এ দেশের মানুষরা হাসতে জানে। বৈশাখসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রঙিন বাংলদেশ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন বলেও জানান তাঁরা।

গতকাল সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড আয়োজিত ‘বিদেশি সাংবাদিক ও ট্যুর অপারেটর পরিচিতিমূলক ভ্রমণ’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে ১০টি দেশ থেকে আসা কয়েকজন সাংবাদিক এসব কথা বলেন। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের পর্যটনের প্রসারের লক্ষ্যে ২৬ জন সাংবাদিক ও ট্যুর অপারেটরের বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্য, ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থান ও অনুষ্ঠান ঘুরিয়ে দেখানোর আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। এতে সার্বিক সহায়তা করে বেসরকারি ট্যুর অপারেটর ট্যুরিজম ইউন্ডে। ভ্রমণে অংশ নিয়েছেন ইতালি, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, স্পেন, যুক্তরাজ্য, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড ও লেবানন এই ১০টি দেশের ২৬ জন সাংবাদিক ও ট্যুর অপারেটর।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, ‘সরকার সব পর্যটকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। পর্যটকরা যাতে বাংলাদেশে নিরাপদে ভ্রমণ এবং এর সৌন্দর্য নিশ্চিন্তে উপভোগ করতে পারেন তার জন্য সরকার সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে।’ তিনি আরো বলেন, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পর্যটন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সম্প্রতি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান এরই মধ্যে ‘মোটর ভেহিকল চুক্তি’ সম্পাদিত হয়েছে। বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে কক্সবাজারের সাবরাংয়ে এক হাজার ২০০ টাকা একর জমির ওপর নিবিড় পর্যটন অঞ্চল তৈরির কাজ চলছে। এতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীকে স্বাগত জানানো হবে।’

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সিইও ড. ভুবন চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান আখতারুজ জামান খান কবির,  ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক আবু তাহের মোহাম্মদ জাবের, ট্যুরিস্ট পুলিশ বাংলাদেশের পুলিশ সুপার সরদার নুরুল আমিন প্রমুখ।

মন্তব্য