kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

আগামী সপ্তাহেই সরবরাহ

মহেশখালীতে ‘সামিট এলএনজি’

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মহেশখালীতে ‘সামিট এলএনজি’

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে দ্বিতীয় ভাসমান টার্মিনালটি গত রবিবার পৌঁছেছে কক্সবাজারের মহেশখালীতে। সামিট গ্রুপের এই ভাসমান টার্মিনালটিতে এক লাখ ৩৮ হাজার ঘনমিটার এলএনজি রয়েছে। যেটি পাইপলাইন দিয়ে মহেশখালী থেকে চট্টগ্রাম হয়ে জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে আগামী সপ্তাহেই।

এর আগে ২০১৮ সালের এপ্রিলে দেশের প্রথম ভাসমান টার্মিনাল তৈরি করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জি। সেই টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন ৫০ কোটি ঘনফুট এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এই এলএনজি বেশ সুফল দিচ্ছে। দ্বিতীয় টার্মিনাল থেকেও দিনে ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে। এই টার্মিনাল থেকে আগামী ১৫ বছর দিনে ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবাহ করার চুক্তি রয়েছে সরকারের সঙ্গে।

এ বিষয়ে সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান বলেন, ‘সামিট বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির যথাযথ সক্ষমতা অর্জনে সরকারের সাহসী নেতৃত্বের অধীনে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা উন্নত দেশে উত্তরণের জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সবচেয়ে সাশ্রয়ী, কার্যকর এবং টেকসই জ্বালানি সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করছি। সামিট এ ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী পরিবেশবান্ধব সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

উল্লেখ্য, দেশে গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে সরকার মহেশখালীতে ভাসমান টার্মিনাল স্থাপন করে। জাহাজে করে এই এলএনজি আসার পর দ্রুত জাতীয় গ্রিডে যোগ করতে মহেশখালী থেকে আনোয়ারা পর্যন্ত স্থাপন করা হয় ৯১ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন। সেখান থেকে আরেকটি পাইপলাইনে কর্ণফুলী নদী পার হয়ে চট্টগ্রামে এসে জাতীয় গ্রিডে যোগ করা হয়েছে।

মন্তব্য