kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

পাটবীজের সিংহভাগ আমদানি করতে হয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ৭০ শতাংশ থেকে কমে ১৪ শতাংশে নেমে এসেছে। এর পরও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

গত বুধবার রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ের বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিজেআরআই) সম্মেলনকক্ষে ‘পাট গবেষণার অর্জিত সাফল্য ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা’ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সোনালি আঁশ ও সোনার বাংলা একে অপরের পরিপূরক। সোনালি আঁশের সম্ভাবনাতেই বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় শিল্পায়ন হচ্ছে। জিডিপিতে বাড়ছে শিল্পের অবদান। একসময় রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশই আসত পাট, চা ও চামড়া থেকে। এখন রপ্তানি আয়ের বেশির ভাগই জোগান দেয় পোশাকশিল্প।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, আধুনিক ও বাণিজ্যিক উৎপাদনের মাধ্যমে বিজেআরআইয়ের উদ্ভাবিত পাটপণ্যের দাম কমিয়ে রপ্তানিমুখী করতে পারলে পাটের সুদিন ফিরে আসবে।

অপর বিশেষ অতিথি কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান বলেন, পাটের এমন জাত উদ্ভাবন করতে হবে কম সময়ে যার ফলন বেশি এবং সারা বছর চাষ করা যায়।

সভাপতির বক্তব্যে কষিসচিব মো. নাসিরুজ্জামান বলেন, প্রতিবছর চাহিদা পূরণে ৬ হাজর মেট্রিক টন পাটবীজের ৫ হাজার মেট্রিক টনই আমদানি করতে হয়। আমাদের দেশে পাটবীজ উৎপাদনের প্রয়োজনীয় জায়গা নেই এবং সময়ও লাগে বেশি। তাই ভারতের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করে সীমান্ত এলাকায় তাদের জমি লিজ নিয়ে পাটবীজ উৎপাদন করলে আমদানিনির্ভরতা অনেক কমে যাবে।

মন্তব্য