kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

ভুটানের পণ্য আমদানি হবে নাকুগাঁও স্থলবন্দর দিয়ে

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি   

২০ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভুটানের পণ্য আমদানি হবে নাকুগাঁও স্থলবন্দর দিয়ে

স্থবির হয়ে পড়ে আছে শেরপুরের নাকুগাঁও স্থলবন্দর। ছবি : কালের কণ্ঠ

শেরপুরের নাকুগাঁও স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় এক বছর ধরে ভারত থেকে কয়লা ও পাথর আমদানি বন্ধ রয়েছে। ফলে বন্দরের প্রায় দুই হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। তাই বিকল্প দেশ হিসেবে ব্যবসায়ীরা ভুটান থেকে কয়লা ও পাথর আমদানি করার পরিকল্পনা করছেন।

নাকুগাঁও স্থলবন্দরের আমদানিকারক ও কাস্টম কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় নাকুগাঁও স্থলবন্দরটি ২০১৫ সালের ১৮ জুলাই পূর্ণাঙ্গ বন্দর হিসেবে ঘোষণা দেয় সরকার। আমদানিকারকরা যথারীতি ভারত থেকে কয়লা ও পাথর আমদানি করতে থাকেন। এই বন্দরে শ্রমিক ইউনিয়ন শাখার অন্তর্ভুক্ত শ্রমিক রয়েছে ৮০০ জন। এ ছাড়া দিন হিসেবে কাজ করে আরো প্রায় এক হাজার ৩০০ জন শ্রমিক। এর মধ্যে প্রায় এক হাজারের বেশি নারী শ্রমিক রয়েছে।

কয়েক মাস আগে ভারতের শিলংয়ের একটি পরিবেশবাদী সংগঠন ভারতীয় পরিবেশ আদালত ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালে (এনজিটি) কয়লা উত্তোলন বন্ধে একটি রিট করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের পরিবেশবিষয়ক ওই আদালত অস্থায়ীভাবে খনি থেকে কয়লা উত্তোলন ও স্থানান্তর বন্ধের নির্দেশ দেন। এতে ভারত থেকে কয়লা এবং পাথর আমদানি না হওয়ায় বাংলাদেশের আমদানিকারকদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়।

তাই বন্দরকে গতিশীল করতে দেশের ব্যবসায়ীরা ভুটানের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। তাঁদের আশা, শিগগিরই নাকুগাঁও স্থলবন্দর দিয়ে ভুটান থেকে কয়লা ও পাথর আদমানি শুরু হবে। এতে ফের প্রাণ ফিরে পাবে এই স্থলবন্দরটি।

নাকুগাঁও লোড-আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘এই বন্দরের ওপর নির্ভর করে প্রায় দুই হাজার শ্রমিকের সংসার চলে। আমরা চাই, একটা সমঝোতার মাধ্যমে বন্দরটা চালু হোক।’

নাকুগাঁও কয়লা পাথর আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভারত থেকে কয়লা ও পাথর আমদানি বন্ধ থাকায় বিকল্প হিসেবে আমরা ভুটানের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছি। আশা করি, ভুটান থেকে আমদানি শুরু করলে আমরা সব ব্যবসায়ী সুফল পাব।’

নাকুগাঁও কাস্টমস অফিসের সহকারী কাস্টম কর্মকর্তা মো. নাজমুল বলেন, আইনি জটিলতার কারণে ভারতের কয়লা পাথর আমদানি বন্ধ রয়েছে। পাথর অল্প অল্প এলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ভুটানের সঙ্গে এ বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হলে এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধান হলে অচিরেই এ বন্দরে কর্মতৎপরতা ফিরে আসবে।

মন্তব্য