kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

পাওনার দাবিতে বিজেএমসি কার্যালয় ঘেরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাওনা টাকার দাবিতে পাট ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের কার্যালয় ঘেরাও করে আন্দোলন করছে। ঈদের আগেই ব্যবসায়ীরা তাদের পাওনা টাকা পরিশোধের দাবিতে এ আন্দোলন করে। পাওনা টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা না করা হলে বিজেএমসির পাটকলগুলোতে পাট সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র পাট ব্যবসায়ী সমিতির ব্যানারে এ আন্দোলন করে ব্যবসায়ীরা।

পাট ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য মতে, ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে চলতি অর্থবছর পর্যন্ত এক হাজার কোটি টাকার পাট কিনেছে বিজেএমসি। এর মধ্যে ৪০০ কোটি টাকা পরিশোধ করলেও এখনো পাওনা রয়েছে ৬০০ কোটি টাকা। দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা কোনোভাবেই আদায় করতে না পেরেই গতকাল বিজেএমসির কার্যালয় ঘেরাও করে ব্যবসায়ীরা। ঈদ সামনে থাকার কারণে অনেকেরই টাকার দরকার। এ কারণে ছোট বড় প্রায় ২০০ পাট ব্যবসায়ী এ আন্দোলন করে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র পাট ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল আজিজ বলেন, ‘২০১৬ সালের পাট বিক্রির টাকাও বিভিন্ন ব্যবসায়ীর পাওনা রয়েছে। চলতি বছরের তো আছেই। সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার ব্যবসায়ী রয়েছে, যারা পাট বিক্রির টাকা পাচ্ছে না। এতে করে ক্ষুদ্র অনেক ব্যবসায়ীর পরিবারের সচ্ছলতাই হারিয়ে যাচ্ছে। তার ওপর সামনে ঈদ। কোনো উপায় না দেখেই আমরা বিজেএমসির কার্যালয় ঘেরাও করেছি। ঈদের আগে টাকা না পেলে আরো কঠোর আন্দোলনে যাব আমরা। সবাই মিলে পাট দেওয়া বন্ধ করে দেব।’ এ বিষয়ে বিজেএমসির চেয়ারম্যান ড. মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘তারা ৬০০ কোটি টাকা পায় এটা সত্য। কিন্তু আমাদের এই মুহূর্তে টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নেই। আমাদের পণ্য বিক্রি করে তবেই টাকা পরিশোধ করতে হয়। এদিকে আমাদের উৎপাদন খরচ বেশি। সে তুলনায় আয় কম। যে কারণে আমাদের বাকিতে পাট নিতে হয়।’ এ সমস্যা থেকে বের হওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি স্থায়ী ফান্ডের জন্য আবেদন করা হলেও সেটা অনুমোদন দিচ্ছে না বলে জানান চেয়ারম্যান।

মন্তব্য