kalerkantho

সোমবার । ২০ মে ২০১৯। ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৪ রমজান ১৪৪০

এক বছরেও চালু হয়নি মিল্ক ভিটার দুধ শীতলী কেন্দ্র

মো. লালন উদ্দীন, বাঘা (রাজশাহী)   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এক বছরেও চালু হয়নি মিল্ক ভিটার দুধ শীতলী কেন্দ্র

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী মিল্ক ভিটার দুধ শীতলী কেন্দ্রে এক বছরেও কার্যক্রম চালু হয়নি। ফলে স্থানীয়রা দুধ বিক্রি করতে পারছে না। কেন্দ্রের কার্যক্রম কবে চালু হবে এ বিষয় জানাতে পারছেন না প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

জানা যায়, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের প্রচেষ্টায় ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল উপজেলার আড়ানীতে একটি মিল্ক ভিটার দুধ শীতলী কেন্দ্র চালু করা হয়। প্রায় এক বছর অতিবহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যক্রম লক্ষ করা যাচ্ছে না। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনীহার কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি মাঠপর্যায়ে কোনো কার্যক্রম করেন না এবং কাউকে আগ্রহীও করেন না।

মাঠপর্যায়ের দুজন ডাক্তার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ৩৭টি কমিটি গঠন করেছেন। এ কমিটি গঠন করার পর এখন তারা বেকায়দায় পড়েছে। কমিটির লোকজন দুধ দেওয়ার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠলেও তাদের কাছে থেকে নেওয়া হচ্ছে না দুধ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দুধ শীতল কেন্দ্রের এখন পর্যন্ত কোনো সাইনবোর্ডও টাঙানো হয়নি। এ ছাড়া আড়ানী ইউনিয়ন পরিষদের যে রুম নেওয়া হয়েছে, সেখানে কোনো চেয়ার-টেবিলও নেই। কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে এদিক-সেদিক ঘোরাফেরা করে চলে যান। এ নিয়ে কুশাবাড়িয়া গ্রামের দুধ সংগ্রহকারী সমিতির কমিটির সভাপতি রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এলাকায় প্রায় এক বছর আগে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি গঠন করার পর তাদের আর এলাকায় দেখা যায় না। তারা যে কথা বলে কমিটি গঠন করেছিল, তার একটিও বাস্তবায়ন করতে পারেনি।’ এখানে প্রতিদিন দুই হাজার লিটারেরও বেশি দুধ সংগ্রহ করা সম্ভব বলে জানান তিনি।

আড়ানী মিল্ক ভিটার দুধ শীতলী কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী বলেন, ‘এ দুধ শীতলী কেন্দ্রের প্রায় এক বছর হতে চলেছে। কর্তৃপক্ষ এর ব্যবস্থা না নেয়ায় আমরাও কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছি না। কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিলেই দুধ ক্রয় করা শুরু করব। এক বছরেও কর্তৃপক্ষ এ কেন্দ্রে কোনো চেয়ার-টেবিলও দেয়নি। আমরা আড়ানী ইউনিয়ন পরিষদের দুটি চেয়ার নিয়ে ব্যবহার করি। কাগজপত্র মেঝেতে রাখা হয়েছে। বসার মতো কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এখানে-সেখানে বসে সময় পার করে চলে যাই। অফিস করি না এটা ঠিক না।’

বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা বলেন, ‘শুনেছি আড়ানীতে মিল্ক ভিটার একটি দুধ শীতলী কেন্দ্র হয়েছে। তবে এর কার্যক্রম সম্পর্কে আমার কিছুই জানা নেই।’

মন্তব্য