kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

অর্থনৈতিক অঞ্চলে মরক্কোর বিনিয়োগ চাইলেন অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অর্থনৈতিক অঞ্চলে মরক্কোর বিনিয়োগ চাইলেন অর্থমন্ত্রী

মরক্কোর অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ বেঞ্চাবোনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে মরক্কোকে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে মরক্কোকে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) ৪৪তম বার্ষিক সভায় যোগদান করতে অর্থমন্ত্রী মরক্কোর মারাক্কাসে অবস্থান করছেন। সেখানে বার্ষিক সভার চেয়ার ও মরক্কোর অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ বেঞ্চাবোনের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান। এ সময় তিনি তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য মরক্কোর বাজারে শুল্কমুক্তভাবে প্রবেশাধিকারের বিষয়েও অনুরোধ করেন।

অর্থমন্ত্রী বার্ষিক সভার চেয়ার ও মরক্কোর অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ বেঞ্চাবোনের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে দুই দেশের মন্ত্রী পারস্পরিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী বিগত ১০ বছরে দেশের সব অর্থনৈতিক সূচকে উন্নয়নের বিষয়ে মরক্কোর অর্থমন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি দেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে বলেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিনিয়োগকে টেকসই করার জন্যই সরকার এই শিল্পাঞ্চলগুলো গড়ে তুলেছে। তিনি এসব বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে পিপিপি পদ্ধতিতে তৈরি পোশাক শিল্প, ফার্মাসিউটিক্যালস, ইলেকট্রনিকস, চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনে বিনিয়োগের জন্য মরক্কোর প্রতি তিনি অনুরোধ জানান। এসব পণ্য মরক্কোর বাজারে শুল্কমুক্তভাবে প্রবেশাধিকারের বিষয়েও অনুরোধ করেন।

মরক্কোর অর্থমন্ত্রীকে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালে, মোহাম্মদ বেঞ্চাবোন বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়া অবিশ্বাস্য সফলতা দেখার জন্য তিনি শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবেন। বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা ভভিষ্যতে আরো বাড়বে বলে দুই দেশের অর্থমন্ত্রী আশাব্যক্ত করেন।

অর্থমন্ত্রী শুক্রবার সন্ধ্যায় আইডিবির প্রেসিডেন্ট বান্দার এম এইচ হাজ্জার সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। আইডিবির প্রেসিডেন্ট অতি সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করে এক অবিশ্বাস্য গতিময় অর্থনীতিতে সফল দেশ দেখে এসেছেন বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে অর্থনীতি এক স্তর হতে উন্নতর আর এক স্তরে পৌঁছাচ্ছে। সে কারণে বাংলাদেশের আরো বেশি সম্পদের প্রয়োজন, যা হতে পারে আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক। বাংলাদেশে আইডিবির জোরালো ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশের রেলওয়ে নেটওয়ার্কসহ আরো কয়েকটি ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব পরীক্ষাধীন অবস্থায় আছে বলে জানান। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এসব প্রকল্পের বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বৈঠক দুটির সময় ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য