kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

ফলে রাসায়নিক রোধে মনিটরিং টিম করার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফলে রাসায়নিক রোধে মনিটরিং টিম করার নির্দেশ

ঢাকাসহ দেশের ফলের বাজার ও আড়তে আমসহ কোনো ফল পাকাতে ও সংরক্ষণে যাতে কেউ কোনো ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করতে না পারে তা তদারকির জন্য মনিটরিং টিম গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পুলিশ মহাপরিদর্শক, র‌্যাব মহাপরিচালক, বিএসটিআই চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট পরিচালককে সাত দিনের মধ্যে এই মনিটরিং দল গঠন করতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ১৮ জুনের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ আদেশ দেন। মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক আবেদনে এ আদেশ দেন আদালত। আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

এর আগে গত ৯ এপ্রিল হাইকোর্ট এক আদেশে সাত দিনের মধ্যে রাজশাহীসহ দেশের আমবাগানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদারকির ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ঢাকাসহ দেশের ফলের বাজার ও আড়তে আমসহ অন্যান্য ফলে কেমিক্যাল ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা মনিটর করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি রাসায়নিক মিশিয়ে বাজারে ফল বিক্রি করা হচ্ছে কি না, তাও তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়। এ জন্য পুলিশ, র‌্যাব, বিএসটিআই ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে টিম গঠন করতে বলা হয়। এসব আদেশ কার্যকর করে এক মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে খাদ্য, স্বরাষ্ট্র ও শিল্প সচিব, এনবিআর চেয়ারম্যান, পুলিশের আইজি, র‌্যাবের মহাপরিচালক, বিএসটিআইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালক (কেমিক্যাল টেস্টিং উইং), রাজশাহী জেলা প্রশাসক এবং পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজিকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ পরিস্থিতিতে গতকাল অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ আদালতে একটি আবেদন দিয়ে বলেন, ‘এখন আমসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল বাজারে আসছে। বিশেষ করে আমের মৌসুম শুরু হয়েছে। হয়তো কেউ আমবাগানে কেমিক্যাল ব্যবহার করল না। কিন্তু আড়তে এনে কেমিক্যাল ব্যবহার করতে পারে। তাই এটা ঠেকাতে আড়ত ও বাজার পর্যবেক্ষণের জন্য কমিটি থাকা দরকার। এ জন্য আদালতের আবারও আদেশ দেওয়া প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা