kalerkantho

হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

‘মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দের আগে ‘ভুয়া’ নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দের আগে ‘ভুয়া’ নয়

‘মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দটির আগে ‘ভুয়া’ শব্দ ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে আদালত বলেছেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দের আগে ‘ভুয়া’ শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। কেউ যদি জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া সনদ গ্রহণ করে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করেন, তবে তাঁকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ বলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করা যাবে না।

গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ মৌখিকভাবে এ আদেশ দিয়েছেন। কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের নায়েব আলী খন্দকারের ছেলে আবদুল আজিজ খন্দকারের করা এক রিট আবেদনের ওপর শুনানিকালে এ আদেশ দেন আদালত।

তবে মূল রিট আবেদনের ওপর আজ বুধবার আদেশের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট এ কে এম ফজলুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুল ইসলাম।

আদালতের আদেশের পর ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার ও সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “আদালত বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের বিনিময়ে আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘ভুয়া’ শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। কেউই এটা ব্যবহার করতে পারবে না। এর ব্যত্যয় হলে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করা হলে আদালত তাকে তলব করতে পারেন।”

রাষ্ট্রপক্ষের এই দুই আইনজীবী আরো বলেন, কারো বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে ‘মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে সনদ নেওয়ার অভিযোগ উঠলে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন-২০০২ অনুযায়ী তা যাচাই-বাছাই করার ক্ষমতা জামুকাকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই জাল সনদের কারণে সামগ্রিকভাবে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের কোনোভাবেই ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে সম্বোধন করা যাবে না। 

রিট আবেদনে বলা হয়, হোমনা থানা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি সব কিছু যাচাই করে ২০০৪ সালের ১২ মে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করে। সেই তালিকায় আবদুল আজিজ খন্দকারের নাম রয়েছে।

মন্তব্য