• ই-পেপার

পুরুষদের কাছ থেকে উপহার পেতে অস্বস্তি লাগে আনুশকার!

বদলে গেল সানি দেওলের ছবির নাম

বিনোদন ডেস্ক
বদলে গেল সানি দেওলের ছবির নাম
সংগৃহীত ছবি

বলিউড অভিনেতা সানি দেওলের বহুল আলোচিত নতুন ছবির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন নাম ঘোষণা করেন অভিনেতা। আগে ‘লাহোর ১৯৪৭’ নামে পরিচিত ছবিটি এখন মুক্তি পাবে ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ শিরোনামে।

নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি মোশন পোস্টার প্রকাশ করে সানি দেওল নতুন নামের ঘোষণা দেন। পোস্টারের সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘ঘৃণা ও ভয়ের সময়ে তিনি সাহসকে বেছে নিয়েছিলেন। ২০২৬ সালের ১৪ অগস্ট থেকে প্রেক্ষাগৃহে দেখুন ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’।'

বলিউড হাঙ্গামার এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ছবির নাম পরিবর্তনের পেছনে ছিল বিশেষ কারণ। প্রযোজক আমির খান নাকি ‘লাহোর ১৯৪৭’ নামটি রাখতে আগ্রহী ছিলেন না। অন্যদিকে ‘বাটওয়ারা’ শিরোনামের স্বত্ব ছিল প্রয়াত প্রযোজক সেলিম আখতারের কাছে। পরে আমির খান তাঁর পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে শিরোনাম ব্যবহারের অনুমতি নেন। এরপরই ছবির নতুন নাম চূড়ান্ত করা হয়।

এর আগে সানি দেওল দেশাত্মবোধক সিনেমা ‘বর্ডার ২’-এ অভিনয় করে আলোচনায় ছিলেন। ১৯৯৭ সালের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘বর্ডার’-এর সিক্যুয়াল হিসেবে নির্মিত সেই ছবি মুক্তির পর বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করে।

এদিকে ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এর মাধ্যমে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন প্রীতি জিনতা। 

পরিচালক রাজকুমার সন্তোষীর এই ছবিতে সানি দেওলের পাশাপাশি আরো অভিনয় করেছেন শাবানা আজমি, আলি ফজল এবং সানির ছেলে করণ দেওল। ছবিটির প্রযোজক আমির খান।

খুশকির সমস্যায় ভুগছেন? ঘরেই বানিয়ে নিন কার্যকর কিছু হেয়ার প্যাক

অনলাইন ডেস্ক
খুশকির সমস্যায় ভুগছেন? ঘরেই বানিয়ে নিন কার্যকর কিছু হেয়ার প্যাক
ছবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

চুলে খুশকি হওয়া খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। গরমের সময়ে মাথায় ঘাম হয়ে চুলে বাজে গন্ধ হয়, সঙ্গে খুশকিও বেড়ে যায়। তবে এটি শুধু মাথার ত্বকের অস্বস্তিই বাড়ায় না, অনেক সময় আত্মবিশ্বাসেও প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে গাঢ় রঙের পোশাক পরার সময় খুশকি ঝরে পড়লে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়।  বাজারের বিভিন্ন পণ্য ব্যবহার করেও অনেকে কাঙ্ক্ষিত ফল পান না। এমন অবস্থায় ঘরোয়া কিছু উপাদান দিয়েই তৈরি করা যেতে পারে কার্যকর হেয়ার প্যাক, যা খুশকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

কলা, মধু ও লেবুর রসের প্যাক

খুশকি দূর করার জন্য কলা, মধু ও লেবুর রসের মিশ্রণ বেশ জনপ্রিয় একটি ঘরোয়া উপায়। একটি ভালোভাবে পাকা কলা চটকে তার সঙ্গে এক চামচ মধু এবং কিছুটা লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। এই মিশ্রণটি মাথার ত্বক ও চুলের গোড়ায় ভালোভাবে লাগিয়ে প্রায় ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এরপর অল্প পরিমাণ অ্যালোভেরা জেল বা রস হালকা গরম করে ঠাণ্ডা হওয়ার পর মাথার ত্বকে লাগাতে পারেন। আধা ঘণ্টা পর আবার চুল ধুয়ে নিলে মাথার ত্বক আরো সতেজ অনুভূত হতে পারে।

টক দই, অ্যালোভেরা ও নারকেল তেলের প্যাক

মাথার ত্বক আর্দ্র রাখতে এবং খুশকি কমাতে টক দই, অ্যালোভেরা ও নারকেল তেলের সংমিশ্রণ উপকারী হতে পারে। একটি পাত্রে পরিমাণমতো টক দই, অ্যালোভেরা জেল ও নারকেল তেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এরপর চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত ভালোভাবে লাগিয়ে রাখুন। প্রায় ৩০ মিনিট পর মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এই প্যাক ব্যবহার করলে খুশকির প্রবণতা কমতে পারে এবং চুলও তুলনামূলক নরম ও স্বাস্থ্যকর দেখাতে পারে।

টমেটো ও মধুর প্যাক

টমেটোতে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করতে পারে। একটি টমেটো ব্লেন্ড করে তার সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি মাথার ত্বকে এবং চুলে ভালোভাবে লাগিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট রেখে দিন। এরপর পরিষ্কার পানি ও শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে দুবার এই প্যাক ব্যবহার করলে খুশকি কমার পাশাপাশি চুলের রুক্ষতাও কিছুটা কমতে পারে।

নিয়মিত যত্নও জরুরি

বিশেষজ্ঞদের মতে, খুশকি নিয়ন্ত্রণে শুধু হেয়ার প্যাক ব্যবহার করলেই হবে না। মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখা, পর্যাপ্ত পানি পান করা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শ্যাম্পু ব্যবহার করাও গুরুত্বপূর্ণ। যদি দীর্ঘদিন খুশকির সমস্যা থেকে যায় বা মাথার ত্বকে চুলকানি ও প্রদাহ বাড়তে থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


 

আবারও মা হচ্ছেন দীপিকা, নজর কাড়ল বেবিবাম্প

বিনোদন ডেস্ক
আবারও মা হচ্ছেন দীপিকা, নজর কাড়ল বেবিবাম্প
সংগৃহীত ছবি

দ্বিতীয় সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। কয়েক মাস আগে স্বামী রণবীর সিংয়ের সঙ্গে যৌথভাবে নতুন অতিথি আসার সুখবর জানিয়েছিলেন তিনি। সেই ঘোষণার পর এবার প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে দেখা গেল এই অভিনেত্রীকে। আর প্রকাশ্যে আসতেই ভক্তদের নজর কেড়েছে তার স্পষ্ট বেবিবাম্প।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় নিজেদের নতুন বাড়ির বারান্দায় একসঙ্গে দেখা যায় দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিংকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে সাদা রঙের কো-অর্ড পোশাকে দেখা যায় দীপিকাকে। পাশে ছিলেন রণবীর সিং, যিনি লাল টি-শার্ট, কালো প্যান্ট ও ক্যাপ পরে স্বাভাবিক লুকে ধরা দেন।

সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় নিজেদের নতুন বাড়ির বারান্দায় একসঙ্গে দেখা যায় দীপিকা ও রণবীরকে। ছবি: সংগৃহীত

ছবিগুলো প্রকাশ্যে আসার পরই ভক্তদের মধ্যে শুরু হয় নানা আলোচনা। অনেকে মন্তব্য করেন, মাতৃত্বের বিশেষ উজ্জ্বলতা দীপিকার মুখে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। কেউ লিখেছেন, ‘বেবিবাম্পটি দারুণ লাগছে।’ আবার অনেকেই তাদের পরিবারের নতুন সদস্যকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষার কথা জানিয়েছেন।

চলতি বছরের শুরুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি যৌথ পোস্টের মাধ্যমে দ্বিতীয় সন্তানের আগমনের খবর দেন দীপিকা ও রণবীর। 

সেই পোস্টে দেখা যায়, তাদের মেয়ে দুয়া একটি প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট হাতে ধরে আছে। কিটটিতে ইতিবাচক ফলাফলের দুটি গোলাপি দাগ দেখা যায়। ছবিতে দুয়ার হাত আলতো করে ধরে ছিলেন দীপিকা ও রণবীর। 

পোস্টের ক্যাপশনে কোনো বার্তা না লিখে শুধু একটি ‘ইভিল আই’ ইমোজি ব্যবহার করেছিলেন অভিনেত্রী।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ইতালিতে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জন্ম নেয় তাদের প্রথম সন্তান দুয়া। জন্মের পর কয়েক মাস মেয়েকে জনসমক্ষে আনেননি এই তারকা দম্পতি। 

পরে ২০২৫ সালের দীপাবলি উপলক্ষে প্রথমবারের মতো মেয়ের পরিচয় ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তারা। বর্তমানে দ্বিতীয় সন্তানের অপেক্ষায় থাকা এই দম্পতিকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহও তুঙ্গে।
 

রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন কোয়েল মল্লিক?

বিনোদন ডেস্ক
রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন কোয়েল মল্লিক?
সংগৃহীত ছবি

টালিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিককে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। শোনা যাচ্ছে, তিনি রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন। এমন গুঞ্জনের মধ্যেই দিল্লিতে তার যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। 

যদিও এ বিষয়ে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশিত হয়নি। 

গত ফেব্রুয়ারিতে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য যে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করেছিল, সেখানে কোয়েল মল্লিকের নাম ছিল অন্যতম চমক। রাজ্য পুলিশের সাবেক ডিজি রাজীব কুমার, সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীর সঙ্গে একই তালিকায় জায়গা পান তিনি।

রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার বিষয়ে আগে কখনো আগ্রহ প্রকাশ করেননি কোয়েল। তাই তাকে রাজ্যসভার জন্য মনোনয়ন দেওয়া এবং পরে সেই দায়িত্ব গ্রহণের খবর অনেককেই বিস্মিত করেছিল। এমনকি তার ঘনিষ্ঠ মহলের কেউ কেউ তখন মন্তব্য করেছিলেন, এই প্রস্তাব গ্রহণের পেছনে অন্যদেরও ভূমিকা থাকতে পারে। বর্তমানে তার সম্ভাব্য পদত্যাগের গুঞ্জন উঠতেই সেই আলোচনাগুলো আবার সামনে এসেছে।

শপথগ্রহণের দিনে কোয়েল, সঙ্গে রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী।

এপ্রিল মাসে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর কোয়েল বলেছিলেন, ‘অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তা নয়। এটা তো একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা—এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না। সেই জায়গা থেকে আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি যে আমার নাম মনোনীত হয়েছে এবং আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় আসতে পেরেছি।’

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পাঞ্জাবি পরিবারে বিয়ে হওয়ায় কোয়েলকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে ভবানীপুরের পাঞ্জাবি ভোটারদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দেওয়ার কৌশল নিয়েছিল তৎকালীন নেতৃত্ব। তবে পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় সেই হিসাব খুব একটা কার্যকর হয়নি বলেই অনেকে মনে করছেন।

অন্যদিকে দলের অন্দরে আরেকটি আলোচনা রয়েছে। কোয়েলের স্বামী প্রযোজনার পাশাপাশি রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। সেই ব্যাবসায়িক স্বার্থের কারণেই তিনি কোয়েলকে রাজনৈতিক প্রস্তাব ফিরিয়ে না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে কোয়েলের ঘনিষ্ঠ এক অভিনেতা এই ধারণাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। 

তার মতে, কোয়েল কখনো অনৈতিক সিদ্ধান্ত নেননি এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে কোনো পদ গ্রহণ করার মানুষও নন।

রাজ্যসভায় মনোনীত হওয়ার পর কোয়েলের বাবা অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকও মেয়ের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছিলেন। 

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের ভাঙন এবং বিভিন্ন নেতার অবস্থান পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ নিয়েও জল্পনা বাড়ছে। তবে তার ঘনিষ্ঠদের ধারণা, তিনি কোনো বিদ্রোহী রাজনৈতিক শিবিরে যোগ না দিয়ে বরং সম্মানজনকভাবে রাজনীতি থেকে দূরত্ব বজায় রাখতেই আগ্রহী।