kalerkantho

শুক্রবার । ৭ অক্টোবর ২০২২ । ২২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

আজ শিল্পকলায় প্রাচ্যনাটের ‘খোয়াবনামা’

বিনোদন প্রতিবেদক   

১৯ আগস্ট, ২০২২ ১৪:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আজ শিল্পকলায় প্রাচ্যনাটের ‘খোয়াবনামা’

‘খোয়াবনামা’ নাটকের একটি দৃশ্য

আজ শিল্পকলার মঞ্চে দেখা যাবে প্রাচ্যনাটের 'খোয়াবনামা'।  প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বিখ্যাত উপন্যাস নেওয়া এটি । সাতচল্লিশের দেশভাগের পটভূমিতে তৎকালীন জনমানুষের বিস্তৃত জীবন আখ্যান 'খোয়াবনামা'। এই গল্পের মধ্য দিয়ে সময়ের জীবন ও বাস্তবতাকে ঔপন্যাসিক তুলে ধরেছেন নিপুণ হাতে।

বিজ্ঞাপন

প্রাচ্যনাটের ৩৭তম এই প্রযোজনার নাট্যরূপ দিয়েছেন মো. শওকত হোসেন সজীব। নির্দেশনা দিয়েছেন কাজী তৌফিকুল ইসলাম ইমন।

কাৎলাহার বিলের ধারে ঘন জঙ্গল সাফ করে বাঘের ঘাড়ে জোয়াল চাপিয়ে আবাদ শুরু করার দিনের এক বিকেলবেলায় মজনু শাহর অগুনতি ফকিরের সঙ্গে মহাস্থানগড়ের দিকে যাওয়ার সময় ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির সেপাই সর্দার টেলারের গুলিতে মারা পড়ে মুনশি বয়তুল্লাহ শাহ। কাৎলাহার বিলের দুই ধারের গিড়িডাঙা ও নিজগিড়িডাঙার মানুষ সবাই জানে, বিলের উত্তরে পাকুড়গাছে আসন নিয়ে রাতভর বিল শাসন করে মুনশি। দূরে কোথাও ভূমিকম্প হলে যমুনা বদলে যায়। বন্যায় ভেঙে পড়ে কাৎলাহারের তীর। মুনশির নিষ্কণ্টক অসিয়তে চাষিরা হয় কাৎলাহার বিলের মাঝি।  

সময়ের আবর্তনে বিলের মালিকানা চলে যায় জমিদারের হাতে। মুনশির শ্লোকে শ্লোকে মানুষের স্বপ্নের ব্যাখ্যা করে বেড়ায় চেরাগ আলী ফকির। তমিজের বাপ শ্লোক শুনে আর ঘুমের মধ্যে বিলে গিয়ে কাদায় পা ডুবিয়ে দেখতে চায় পাকুড়গাছের মুনশিকে। ভবানী পাঠকের সঙ্গে পূর্বপুরুষের জের টেনে বৈকুণ্ঠনাথ গিরি প্রতীক্ষা করে ভবানীর শুভ আবির্ভাবের। তমিজ দেখে জমির স্বপ্ন। আর চেরাগ আলীর নাতনি কুলসুম খোয়াবে কার কায়া যে দেখতে চায়, তার দিশা পায় না। তেভাগার কবি কেরামত শেষ পর্যন্ত আটকে পড়ে শুধুই নিজের কোটরে। সে নাম চায়, বউ চায়, ঘর চায়।

কম্পানির ওয়ারিশ ব্রিটিশের ডাণ্ডা উঠে আসে দেশি সাহেবদের হাতে। এভাবে এগিয়ে যায় নাটকের গল্প। এতে অভিনয় করেছেন সাহানা রহমান সুমি, সাখাওয়াত হোসেন রিজভী, মনিরুল ইসলাম রুবেল, চেতনা রহমান ভাষা, শশাংক সাহা, মো. সোহেল রানা, মিতুল রহমান, মো. সোহেল রানা, তানজি কুন, সাইদুর রহমান শাহীন, রকি খান, ডায়না, শ্রাবণ শামীম, এ কে এম ইত্তেমাম, সাইম বিন মুজিব প্রমুখ।  

গানের সুর করেছেন রাহুল আনন্দ। সংগীত করেছেন, নীল কামরুল, কোরিওগ্রাফি করেছেন স্নাতা শাহরিন।   মঞ্চসজ্জায় রয়েছেন এ বি এস জেম, নাটকের আলোকভাবনা ঠাণ্ডু রায়হান।

 



সাতদিনের সেরা