kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ অক্টোবর ২০২২ । ১৯ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

অভিযোগ মিথ্যা, বাংলাদেশ থেকে কেউ কলকাঠি নাড়ছে : অনন্ত জলিল

বিনোদন প্রতিবেদক   

১৮ আগস্ট, ২০২২ ১৭:৫৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অভিযোগ মিথ্যা, বাংলাদেশ থেকে কেউ কলকাঠি নাড়ছে : অনন্ত জলিল

অনন্ত জলিল ও মুর্তজা অতাশ জমজম

অভিনেতা ও প্রযোজক অনন্ত জলিলের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ‘দিন : দ্য ডে’র ইরানি পরিচালক মুর্তজা অতাশ জমজম। তবে ইরানি পরিচালকের অভিযোগকে একেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন অনন্ত জলিল।

বৃহস্পতিবার বিকেলে কালের কণ্ঠের সাথে আলাপকালে অনন্ত জলিল বলেন, ‘চার বছর আগে শুটিং হয়েছে। সিনেমা মুক্তির এক মাস হয়ে গেছে আর এখন এসব অভিযোগ উঠছে কোত্থেকে? তার সঙ্গে আমার চুক্তি যা হয়েছে তার লিগ্যাল পেপার আমার হাতে রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আসলে খোঁজ নিয়ে দেখা যাবে কিছুই না, এখান থেকেই কেউ কেউ কলকাঠি নাড়ছে। ’

জমজমের ভাষ্য ‘দিন : দ্য ডে’ সিনেমা নিয়ে শুরুতে যে চুক্তি ছিল, তার কিছুই রক্ষা করেননি অনন্ত জলিল। এই সিনেমায় মুর্তজার অর্ধেক প্রডাকশন জলিল নষ্ট করে নিজের মতো করে সিনেমা বানিয়েছেন। নিজেকে এ সিনেমার প্রধান প্রযোজক বলে দাবি তার।

এর জবাবে অনন্ত জলিল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ডাহা মিথ্যা কথা। কোথায় বলেছে এসব পরিচালক? ইনস্টাগ্রাম? সেটার সতত্যা কতটুকু? তার পরও বলি, বাংলাদেশে ওদের দেশ থেকে ১৭ জন শিল্পী এসেছিল। তাদের সোনারগাঁও হোটেলে রেখেছি। রাজকীয় মর্যাদা দিয়েছি।  শুটিংয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করিনি। তবে আমি বাংলাদেশি কালচার সম্পর্কে তাদের বুঝিয়েছি। তারা বুঝেছেও। এতে তো আপত্তি করেনি। ’

চার বছর ধরে নিজের অংশের টাকা ফেরত দিতে মুর্তজা অনেক অনুরোধ করেছেন জলিলকে, কিন্তু জলিল টাকা ফেরত দেননি বলে অভিযোগ। এখন আন্তর্জাতিক আইনজীবীর মাধ্যমে মামলার দ্বারস্থ হচ্ছেন এই ইরানি পরিচালক।  

এ অভিযোগের বিপরীতে অনন্ত জলিল বলেন, ‘আমার কাছে চুক্তির সমস্ত কাগজ রয়েছে। চুক্তিতে বলা হয়েছে তার দেশে যেসব শুটিং হবে তার ব্যয় তিনি বহন করবেন। আমি ইরান ও তুরস্কে শুটিং করেছি। সেখানে আমার যেসব ফাইট ডিরেক্টর প্রয়োজন ছিল তাদের ব্যবহার করেছে। যেমন আরমানকে তুরস্কে নিয়ে গেছি। যখন তাদের ফাইট ডিরেক্টর প্রয়োজন হয়েছে তখন তাদের জনকে ব্যবহার করা হয়েছে। ’

‘খোঁজ : দ্য সার্চ’ খ্যাত অভিনেতা বলেন, ‘আমার সঙ্গে ইরান ও তুরস্কে শুটিংয়ের সময় ড্যান্স ডিরেক্টর হাবিব ও মেকআপ আর্টিস্ট মনির ছিল। তারা তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছে। কোথাও কোনো অনিয়ম হয়নি। এখন চার বছর পর কেন অভিযোগ উঠল? নিশ্চয়ই বিষয়টি সহজ নয়। আর গত বছর ২০২১ সালেই লা মেরিডিয়ানে আমরা অনুষ্ঠান করলাম। সেখানে তো ইরান থেকে প্রতিনিধিদল এসেছিল। তাহলে চার বছর ধরে আমার কাছে টাকা চেয়ে ঘুরছেন―এটার মানে কী?’

অভিযোগের অসংগতি তুলে ধরে কালের কণ্ঠকে অনন্ত জলিল বলেন, ‘কিছুদিন আগেই তো মুর্তজা অতাশ জমজম বাংলাদেশে এসেছিলেন। জয়া আহসানকে নিয়ে সিনেমা করেছেন। আমার সঙ্গে দেখা করে গেছেন। তখন তো কোনো অভিযোগ তুললেন না।  ইনস্টাগ্রাম পোস্ট কি সঠিক? এটা কি উনি চালান? আপনারা নিশ্চিত? নাকি বাংলাদেশ থেকে কেউ কলকাঠি নাড়ছে? এই দেশের ইন্ডাস্ট্রিতে এ-ওর পেছনে, ও-এর পেছনে লেগে থাকে। ’

এখন অনন্ত জলিল এসব নিয়ে ভাবতে চান না জানিয়ে বলেন, “আমার চোখ এখন সামনে। আসছে ‘নেত্রী : দ্য লিডার’ সিনেমা। সেটা নিয়েই আমি চিন্তিত। এসব বিষয় নিয়ে মোটেও আমি চিন্তিত নই। ”



সাতদিনের সেরা