• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে রাজপথে চলচ্চিত্রশিল্পীরা

তামিলনাড়ুতে সরকারি হাসপাতালে জন্ম প্রত্যেক শিশু পাবে সোনার আংটি

বিনোদন ডেস্ক
তামিলনাড়ুতে সরকারি হাসপাতালে জন্ম প্রত্যেক শিশু পাবে সোনার আংটি
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া থালাপতি বিজয় এবার নতুন এক জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায়। তামিলনাড়ুর সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রতিটি নবজাতককে এক গ্রাম ওজনের সোনার আংটি উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তাঁর সরকার। এ উদ্যোগের নাম রাখা হয়েছে ‘থাই মামান গোল্ড রিং স্কিম’।

রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বছরে প্রায় ৭৫৫ কোটি ৮৩ লাখ রুপি ব্যয় হবে। ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বানসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ২২ জুন, যা মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের জন্মদিন, সেদিন থেকেই প্রকল্পটি কার্যকর হয়েছে। ফলে ওই তারিখ থেকে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া সব নবজাতক এই সুবিধার আওতায় আসবে। তবে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর, দ্রাবিড় আন্দোলনের অন্যতম নেতা পেরারিঞার আন্নার জন্মবার্ষিকীতে।

তামিলনাডুর সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তামিল সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী ‘থাই মামান সির’ প্রথা থেকে এই প্রকল্পের অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত রীতিতে নবজাতকের মামা শিশুকে আশীর্বাদ হিসেবে বিভিন্ন উপহার দেন। 

নতুন এই প্রকল্পে সেই প্রতীকী দায়িত্ব পালন করবে রাজ্য সরকার। ভালোবাসা, শুভকামনা ও আশীর্বাদের নিদর্শন হিসেবে প্রতিটি নবজাতককে দেওয়া হবে একটি করে সোনার আংটি।

সরকারের দাবি, এটি শুধু একটি কল্যাণমূলক উদ্যোগ নয়; বরং নবজাতক ও তাদের পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার প্রতীক। একই সঙ্গে তামিল সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহ্যও সংরক্ষণ করবে এই কর্মসূচি।

উল্লেখ্য, ‘থাই মামান গোল্ড রিং স্কিম’ ছিল বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেত্রি কাঝাগম (টিভিকে)-এর নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। পাশাপাশি সরকারের ‘ভেত্রি তামিলাগাম ভিশন ডকুমেন্ট’-এও এটি অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা বা সংগঠন ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিশেষ দিনে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুদের সোনার আংটি উপহার দিলেও, প্রথমবারের মতো এই উদ্যোগকে স্থায়ী সরকারি কল্যাণ প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে।

অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

বিনোদন ডেস্ক
অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

কন্নড় সিনেমার অভিনেত্রী ও মডেল কৃষি থাপান্ডার বেঙ্গালুরুর একটি ফ্ল্যাট থেকে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বুধবার (২৫ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বেঙ্গালুরুর রাজারাজেশ্বরী নগর এলাকার ওই ফ্ল্যাটে ঘটনাটি ঘটে। নিহতের নাম বৈশাখ। তিনি গত এক সপ্তাহ ধরে অভিনেত্রীর ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন। তবে ঘটনার সময় কৃষি থাপান্ডা সেখানে ছিলেন না। তিনি ইয়েলাহাঙ্কায় অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তদন্তকারীরা জানান, ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট বা চিরকুট উদ্ধার হয়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার সন্দেহ করা হলেও, ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৈশাখ দীর্ঘদিন ধরে বিষণ্নতায় ভুগছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক নানা সমস্যার কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন তিনি। 

তদন্তে আরো জানা গেছে, দাম্পত্য কলহের জেরে প্রায় এক মাস ধরে স্ত্রীর সঙ্গে আলাদা থাকছিলেন এই ব্যবসায়ী।

এদিকে বৈশাখ এর আগেও একটি আলোচিত চাঁদাবাজি ও হুমকির মামলায় পুলিশের নজরে এসেছিলেন। ব্যবসায়ী ও আইনজীবী অরবিন্দ রেড্ডিকে কুরিয়ারের মাধ্যমে ৬ থেকে ৭ কোটি রুপি দাবি করে একটি হুমকিমূলক চিঠি পাঠানোর অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল এইচএএল থানার পুলিশ। 

তদন্তকারীদের দাবি ছিল, এক নারীকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরেই ওই চিঠি পাঠানো হয়েছিল। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি কর্ণাটক হাইকোর্ট বৈশাখের বিরুদ্ধে চলমান পরবর্তী তদন্তের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। এর আগে পাঁচ দিন পুলিশি হেফাজতে রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।

বৈশাখের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। 

রাজারাজেশ্বরী নগর থানার পুলিশ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

অভিনয়ে নয়, নিজের বায়োপিকে ফিরতে চান পপি

বিনোদন প্রতিবেদক
অভিনয়ে নয়, নিজের বায়োপিকে ফিরতে চান পপি
সংগৃহীত ছবি

একসময় ঢাকাই চলচ্চিত্রের পর্দা মাতানো নায়িকা সাদিকা পারভীন পপি দীর্ঘদিন ধরেই আছেন অভিনয়ের বাইরে। তাঁর পর্দায় ফেরার অপেক্ষায় থাকলেও ভক্তদের সেই আশা আপাতত পূরণ হচ্ছে না। 

কারণ, নিয়মিত অভিনয়ে ফেরার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী।

তবে অভিনয়ে একেবারেই ইতি টানেননি পপি। নিজের জীবন নিয়ে মানসম্মত ও গবেষণানির্ভর কোনো বায়োপিক নির্মিত হলে সেখানে অভিনয়ের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন তিনি।

পপি গণমাধ্যমে বলেন, ‘অভিনয়ে ফেরার জন্য বিভিন্ন সময় নানা প্রস্তাব পেলেও সেগুলো গ্রহণ করার ইচ্ছা নেই। বর্তমানে স্বামী ও একমাত্র সন্তান আয়াতকে নিয়ে পারিবারিক জীবনেই সময় দিতে চাই। সুখী দাম্পত্য জীবনই এখন আমার প্রধান অগ্রাধিকার। তবে নিজের জীবন নিয়ে যদি নিখুঁত ও গবেষণানির্ভর কোনো বায়োপিক নির্মাণ করা হয়, তাহলে তাতে অভিনয় করতে আপত্তি নেই।’

খোঁজ মিলল পপির, খুলনায় জমি দখলের অভিযোগে জিডি হয়েছে থানায়

তিনি আরো বলেন, ‘শৈশব, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা, ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ, ব্যক্তিগত সংগ্রাম ও চলচ্চিত্র জীবনের নানা অধ্যায় যথাযথভাবে তুলে ধরা হলে তবেই আমি কাজটি বিবেচনা করব। দেশে-বিদেশে আমার অসংখ্য ভক্ত রয়েছেন। তাই আমার জীবন নিয়ে নির্মিত বায়োপিকটি হতে হবে ব্যতিক্রমী।’

বর্তমানে পরিবারকেই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রেখেছেন পপি। তাই নতুন কোনো সিনেমায় নিয়মিত কাজ করার চেয়ে ব্যক্তিগত জীবনকে সময় দিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন তিনি।

‘কুলি’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় পপির। প্রথম ছবিতেই ওমর সানীর বিপরীতে অভিনয় করে দর্শকদের নজর কাড়েন তিনি। এরপর একের পর এক ব্যবসাসফল ও প্রশংসিত সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়িকাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘দরদি সন্তান’, ‘এই মন তোমাকে দিলাম’, ‘মনের মিলন’, ‘প্রাণের প্রিয়তমা’, ‘কারাগার’, ‘লাল বাদশা’, ‘দু’জন দু’জনার’, ‘মেঘের কোলে রোদ’, ‘কী যাদু করিলা’, ‘বস্তির রানী সুরিয়া’সহ বহু জনপ্রিয় ছবি।

অভিনয় দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন পপি। ২০০৩ সালে ‘কারাগার’ সিনেমার জন্য প্রথমবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পান। পরে ‘মেঘের কোলে রোদ’ এবং ‘গঙ্গাযাত্রা’ সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের জন্য আরও দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

সবশেষে সাদেক সিদ্দিকী পরিচালিত ‘ডাইরেক্ট অ্যাটাক’ সিনেমায় অভিনয় করেন পপি। এরপর থেকে তিনি চলচ্চিত্রের আলো-ঝলমলে জগত থেকে দূরে রয়েছেন। 

অপেক্ষার অবসান, আবারও ঢাকায় গাইবেন আতিফ আসলাম

বিনোদন প্রতিবেদক
অপেক্ষার অবসান, আবারও ঢাকায় গাইবেন আতিফ আসলাম
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের সংগীতপ্রেমীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। নানা জটিলতা কাটিয়ে আবারও ঢাকায় কনসার্ট করতে আসছেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম। 

আগামী ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ‘মেইন স্টেজ শো ফিচারিং আতিফ আসলাম’।

মূলত ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর কনসার্টটি আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। টিকিট বিক্রিও শেষ হয়েছিল। তবে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর উদ্ভূত নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে অনুষ্ঠান শুরুর মাত্র দুই দিন আগে সেটি স্থগিত করা হয়। 

তখন আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ ইনকর্পোরেশন আশ্বাস দিয়েছিল, সুযোগ হলে একই আয়োজন নতুন করে করা হবে। এবার সেই প্রতিশ্রুতিই বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে তারা।

কনসার্ট স্থগিত হওয়ার পর আতিফ আসলামও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশি ভক্তদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে জানিয়েছিলেন, তিনি আবারও ঢাকায় ফিরবেন এবং আগের টিকিট পুনর্নির্ধারিত কনসার্টেও বৈধ থাকবে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, কনসার্ট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সাংস্কৃতিক অনুমোদন, নিরাপত্তা ছাড়পত্রসহ সব প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানের ভেন্যু শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

আগের টিকিটধারীদের জন্য যা জানা জরুরি

২০২৫ সালের কনসার্টের টিকিট কিনে যারা রিফান্ড নেননি, তাদের নতুন করে টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না। নির্ধারিত Re-Apply প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে তাদের নামে নতুন টিকিট ইস্যু করা হবে এবং অতিরিক্ত কোনো খরচ ছাড়াই তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, যারা রিফান্ডের আবেদন করেছিলেন, তারাও সেই আবেদন প্রত্যাহার করে টিকিট পুনর্বহালের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তাদের জন্যও নতুন টিকিট ইস্যু করা হবে এবং বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।

নতুন দর্শকদের জন্য সীমিত সংখ্যক টিকিট বিক্রি করা হবে গেট মাই টিকিট ডট লাইভ প্ল্যাটফর্মে। টিকিটের মূল্য, ক্যাটাগরি এবং বিক্রির সময়সূচি শিগগিরই জানানো হবে।

মেইন স্টেজ ইনকরপোরেশনের পরিচালক কাজী রাফসান বলেন, গত বছরের অসমাপ্ত আয়োজনকে পূর্ণতা দিতেই আবার এই কনসার্টের উদ্যোগ। এটি শুধু একটি কনসার্ট নয়, দর্শকদের কাছে দেওয়া একটি প্রতিশ্রুতি পূরণের আয়োজন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে, কনসার্টের ভেন্যু, টিকিট বিক্রির বিস্তারিত সময়সূচি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে রাজপথে চলচ্চিত্রশিল্পীরা | কালের কণ্ঠ