kalerkantho

সোমবার । ১৫ আগস্ট ২০২২ । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৬ মহররম ১৪৪৪

সঞ্জয়ের জন্যই ব্যান্ডকে বুকে লালন করেছেন পলাশ নূর

বিনোদন প্রতিবেদক   

২৭ জুন, ২০২২ ১৭:০৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সঞ্জয়ের জন্যই ব্যান্ডকে বুকে লালন করেছেন পলাশ নূর

সঞ্জয় ও পলাশ নূর

ওয়ারফেজ আর সঞ্জয় এই সমন্বয়, যারা ওয়ারফেজ ভক্ত তারাই জানেন মর্মী কী, কতটা! অন্তত নব্বই দশকের ব্যান্ড শ্রোতাদের কাছে সঞ্জয় অত্যন্ত আবেগের নাম। ওয়ারফেজের মূল কণ্ঠস্বর ছিলেন সঞ্জয়। সেটা অতীত। ওয়ারফেজে সঞ্জয়ের পর এসেছেন মিজান।

বিজ্ঞাপন

অনেদিন মিজান ছিলেন ওয়ারফেজের প্রাণ। মিজান চলে যাওয়ার পর ওয়ারফেজে যুক্ত হন পলাশ নূর।

এই পলাশ নূর নাকি সঞ্জয়ের জন্যই ব্যান্ড সঙ্গীতকে লালন করেছেন। নিজেই অকপটে এ কথা স্বীকার করলেন পলাশ। নিজের ফেসবুক পোস্টে সঞ্জয়ের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে পলাশ নূর বলেন, আপনার জন্যেই ব্যান্ড সংগীতকে হৃদয়ে লালন করেছি, আপনার জন্যেই নিজের ভেতরের শক্তিকে খুঁজে পেয়েছি, আত্মবিশ্বাসী হয়েছি বারবার, আপনিইতো আমার মেন্টর, আমার আইডল।  

পলাশ আবেগী হয়ে বলছেন, স্বপ্নেও ভাবি নাই কখনো আপনার সাথে পারফর্ম করবো! সেদিন আপনি আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন, আমার গায়কীর প্রশংসা করলেন, ভবিষ্যৎ এর জন্য শুভকামনা করলেন। ভাষায় বলে বুঝানো সম্ভব না এই অনুভূতি! আমার যা পাবার তা পেয়ে গেছি। Thanks for your love Legend. God bless you ”গুরু”।  

১৯৯১ সালের ২২ জুন বাজারে নতুন একটি অ্যালবাম এল। নাম ওয়ারফেজ। হার্ড রক আর হেভি মেটাল ধাঁচের গান। একটু অন্য রকম বাংলা গানের স্বাদ পেলেন শ্রোতারা। সবাই জানলো ওয়ারফেজের নাম। সেই থাকে শ্রোতারা সঞ্জয়ের নামও জানলো। ব্যান্ডের শুরুর দুই সদস্য নাইমুল ও রাসেদ চলে গেলে, রাসেল কিবোর্ড ও সঞ্জয় ভোকাল এর দায়িত্ব নেন।   

১৯৯৬ সালের ঈদে বের হয় ওয়ারফেইজ এর তৃতীয় অ্যালবাম ‘জীবনধারা’। এই অ্যালবামে ওয়ারফেইজ সম্পূর্ণ হার্ডরক থেকে বের হয়ে একটু সফট রক গান বেশি করেছিলো। শুধু ‘জীবনধারা’ গানটি ছিল বরাবরের মতো একটি জটিল গান। যা শ্রোতারা তাদের প্রিয় তালিকায় নিয়ে নেয়।  

এছাড়া বিস্ময় কণ্ঠের বাবনা ‘মৌনতা’ ‘মা’ গান দুটি ছিল অসাধারণ। আর সঞ্জয়ের ‘ধুপছায়া’ এক অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাপ্তি। যা আজীবন প্লেলিস্টে নিয়ে নেয় শ্রোতারা।   এখনো মুখে মুখে ফেরে এই গান।  

১৯৯৮ সালের ‘অসামাজিক’অ্যালবামের মাধ্যমে ওয়ারফেজ থেকে বিদায় নেন সঞ্জয়। ১৯৯৮ সালের শেষ দিকে বালাম লিড গিটারিস্ট ও ২য় ভোকাল হিসেবে যোগ দেন ওয়ারফেজে।   ২০০২ সালে মিজান ওয়ারফেজ ত্যাগ করলে বালাম উন্নীত হন প্রথম ভোকাল হিসেবে।

অন্যদিকে, মিজানকে বাদ দেওয়ার পরপরই নতুন ভোকাল খুঁজতে থাকে ওয়ারফেজ। ২০০৭ সালে বালাম ওয়ারফেজ ত্যাগ করেন। তবে পলাশ যোগ দেন ২০১৬ সালে, লিড ভোকালিস্ট হিসেবে। অর্থাৎ এতোদিনে সঞ্জয়ের উত্তরসূরী খুঁজে পেল ওয়ারফেজ।  

২০০৭ সালে রেডিও অ্যাকটিভ ব্যান্ড নিয়ে ডি রকস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন পলাশ। ওই প্রতিযোগিতায় সেরা ব্যান্ড হয় পাওয়ারসার্জ, কিন্তু সেরা ভোকালিস্ট হয়েছিলেন পলাশ।  

এরপর ব্যান্ড ও সলো ক্যারিয়ারে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। রেডিও অ্যাকটিভ ছেড়ে পলাশ অ্যান্ড ফ্রেন্ডস (পিএনএফ) গড়েন। আবার ফিরে যান রেডিও অ্যাকটিভে। শেষমেষ যোগ দেন জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজে।



সাতদিনের সেরা