kalerkantho

সোমবার ।  ১৬ মে ২০২২ । ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৪ শাওয়াল ১৪৪৩  

শিল্পীদের নির্বাচনের পক্ষে নন চঞ্চল

রংবেরং প্রতিবেদক    

২৭ জানুয়ারি, ২০২২ ১২:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিল্পীদের নির্বাচনের পক্ষে নন চঞ্চল

চঞ্চল চৌধুরী

অনেকবার সদস্য হওয়ার জন্য বলা হয়েছে, কিন্তু কোনো না কোনো কারণে হতে পারিনি। একত্র থাকার জন্য সংগঠন দরকার। যেকোনো সংকটে ব্যক্তির চেয়ে সংগঠন অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সব পেশাজীবীর ক্ষেত্রেই তা প্রযোজ্য।

বিজ্ঞাপন

তবে শিল্পীদের সংগঠন যদি অন্য আট-দশটা পেশাজীবী সংগঠন থেকে আলাদা না করা যায়, তাহলে তো বিপদ।

শিল্পীর পরিচয় তাঁর কর্মে। শিল্পীদের উদার হতে হয়। সাধারণ মানুষও জানে যে শিল্পীরা একটু অন্য রকম। ধরুন, একজন শিল্পীর গাড়িতে একটা সিএনজি এসে ধাক্কা লাগাল। সাধারণ অনেক মানুষ সেই সিএনজিওয়ালাকে বকাঝকা করবে। কোনো শিল্পীর গাড়ি যদি অন্য কারো গাড়িতে ধাক্কা দেয় তখন কিন্তু পুলিশ এসেও বলবে, ‘আপনার কাছ থেকে তো এটা আশা করিনি। ’ মানে শিল্পীকে সবাই ভিন্ন চোখে দেখে। সেই জায়গা থেকে শিল্পীদের নির্বাচন নিয়ে পত্রপত্রিকায় নেতিবাচক যে বিষয়গুলো দেখি, সেটা অবশ্যই কাম্য নয়। শিল্পীদের নির্বাচনের পক্ষে আমি নই।

অনেকবার প্রস্তাব পেয়ে শিল্পী সমিতির সদস্য হননি চঞ্চল

আমাদেরও যদি ট্র্যাডিশনাল ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করতে হয়, সেটা কেমন দেখায়! সাধারণ নির্বাচনগুলোতে যেসব কাদা ছোড়াছুড়ি হয় তার প্রভাব শিল্পীদের নির্বাচনেও এসে পড়ে। আমার মতে, শিল্পীদের আলাদা একটা সম্মেলন হবে। বছরে দু-একবার সবাই জমায়েত হবে। সেখানে শিল্পীরা একজন আরেকজনের নাম প্রস্তাব করবে। বয়োজ্যেষ্ঠ বা দায়িত্ববান ব্যক্তি যাঁরা থাকবেন তাঁদের উপস্থিতিতে কণ্ঠভোট বা অন্য উপায়ে নেতা নির্বাচিত হবেন। একাধিক যোগ্য ব্যক্তি থাকলে নিজেদের মধ্যে ঠিক করে নেবে, এবার অমুক, পরেরবার তমুক। আমাদের সংগঠনের ৪১ জন যদি প্রায় এক হাজার ২০০ ভোটারকে প্রতিদিন কল বা মেসেজ করে, কী অবস্থা হয় তখন! এগুলো অপ্রয়োজনীয়। এর ফলে দলাদলি হয়, দলের মধ্যে দল হয়। এই রাজনীতি শিল্পীদের সংগঠনে দেখতে চাই না।



সাতদিনের সেরা