kalerkantho

বুধবার । ১২ মাঘ ১৪২৮। ২৬ জানুয়ারি ২০২২। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

রুবেলের নায়িকা বিয়ে করলেন গুজরাটের ছেলেকে

অনলাইন ডেস্ক   

৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ১৪:২৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রুবেলের নায়িকা বিয়ে করলেন গুজরাটের ছেলেকে

নায়িকা তামান্না, নামটি শুনেছেন যখন, তখন একটি চলচ্চিত্রের নাম বলে ফেললেই আপনার সেই মেঘের মতো কুয়াশা কেটে গিয়ে নামটা পরিষ্কার হয়ে উঠবে- এতে সন্দেহের কোনো কারণ নেই। শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত ভণ্ড চলচ্চিত্র এই দেশের একটি সুপারহিট চলচ্চিত্র। স্বাভাবিকভাবেই এর নায়িকা খুবই পরিচিত হবেন।   

চলচ্চিত্র থেকে উন্নত জীবনযাত্রা কিংবা ক্যারিয়ার গড়তে মিডিয়া ছেড়ে পাড়ি জমান সুইডেনে।

বিজ্ঞাপন

সুইডেনের স্টকহোম থেকে বিয়ের খবর নিশ্চিত করে তামান্না বলেন, নতুন জীবন, নতুন পরিকল্পনা; একেবারে অন্য রকম একটা অনুভূতি। পরিবারের সবার পছন্দের একজন মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছি, এটাই বেশি ভালো লাগছে।

তামান্না হাসিন হুদা শৈশব থেকেই পরিবারের সঙ্গে সুইডেন থাকেন। সেখানেই পড়ালেখা করেছেন। ক্লাস এইটে পড়ার সময় ১৯৯৫ সালে দেশে বেড়াতে এসে আফজাল হোসেনের নির্মাণে স্টারশিপ কনডেন্সড মিল্কের মডেল হন। এর পরই ‘ত্যাজ্যপুত্র’ ছবি দিয়ে ঢালিউডে তার অভিষেক হয়। তবে অভিনেত্রী তুমুল জনপ্রিয়তা পান শহিদুল ইসলাম খোকনের ‘ভণ্ড’ (১৯৯৮) ছবিতে রুবেলের নায়িকা হয়ে।  

২০০৩ সালে সুইডেন ফিরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত টানা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এ সময় তাকে দেখা গেছে ‘হৃদয়ে লেখা নাম’, ‘কঠিন শাস্তি’, ‘সন্ত্রাসী বন্ধু’, ‘তুমি আমার ভালোবাসা’, ‘অশান্তির আগুন’  ‘মুখোশধারী’-এর মতো বেশ কিছু সফল ছবিতে। সুইডেন ফিরে গিয়ে ফের পড়াশোনায় মন দেন। পড়েছেন দন্ত চিকিৎসাবিদ্যায়। ২০১১ সালে ফের দেশে বেড়াতে এসে অভিনয় করেন ‘পাগল তোর জন্য’ ছবিতে। ২০১৩ সালে মুক্তি পায় ছবিটি। এটিই তামান্না অভিনীত মুক্তি পাওয়া সর্বশেষ ছবি।

মুসলিম রীতি অনুযায়ী ভারতের গুজরাটি মুসলিম সুইডেনে বসবাসরত বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ দাইয়ার সঙ্গে গত ২৬ নভেম্বর তামান্নার নিকাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ে ও তাদের সম্পর্ক প্রসঙ্গে তামান্না জানান, দুই বছর ধরেই দাইয়ার সঙ্গে তার পরিচয়। তামান্নার মা মারা গেছেন কিছুদিন আগে। দাইয়ার সঙ্গে তামান্না মাকে পরিচয়ও করিয়ে দিয়েছিলেন। মা চলে গেলেও সেই মায়ের পছন্দ করা ছেলেকেই তামান্না বিয়ে করলেন।  

তামান্না বলেন, 'বিধাতার শুকরিয়া, আমি খুব সুন্দর মনের একজন মানুষকে আমার জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছি, যে কিনা আমাকে ভীষণ খেয়াল রাখে, ভালোবাসে। দাইয়া মানুষ হিসেবে সত্যি ভীষণ ভালো মনের। গেল দুই বছরে আমি তা বেশ উপলব্ধি করতে পেরেছি। আম্মা বেঁচে থাকলে হয়তো খুব খুশি হতেন।

প্রথম সিনেমা মুক্তির পরই তামান্নার ব্যস্ততা বেড়ে যায়। কিন্তু ২০০৩ সাল পর্যন্ত একের পর এক ভালো ভালো গল্পের সিনেমা ‘হৃদয়ে লেখা নাম’, ‘তুমি আমার ভালোবাসা’, ‘শত্রু তুমি বন্ধু তুমি’, ‘কঠিন শাস্তি’, ‘সন্ত্রাসী বন্ধু’, ‘আমার প্রতিজ্ঞা’, ‘মুখোশধারী’-তে কাজ করে তামান্না চলে যান সুইডেনে। ২০১৩ সালে মঈন বিশ্বাসের ‘পাগল তোর জন্য’ সিনেমায় তার শেষ অভিনয় করা।

তামান্না জানান, ইচ্ছা রয়েছে তার আগামী বছর স্বামী মোহাম্মদ দাইয়াকে নিয়ে ঢাকায় আসবেন। তখন তিনি দেশে তার প্রিয় প্রিয় জায়গা ঘুরে বেড়াবেন।  

উল্লেখ্য, তামান্নার এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় এক সাংবাদিকের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তার। ওই সংসারে দুজন সন্তানও রয়েছে।



সাতদিনের সেরা