kalerkantho

সোমবার । ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৬ ডিসেম্বর ২০২১। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্পকলার নাটক 'জোহা হল কথা কয়'

অনলাইন ডেস্ক   

৯ নভেম্বর, ২০২১ ১৬:১৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্পকলার নাটক 'জোহা হল কথা কয়'

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও নাট্যজন লিয়াকত আলী লাকির ভাবনা ও পরিকল্পনায়  সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতা এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দেশব্যপী ৬৪ জেলায় নির্মিত ও মঞ্চায়িত হচ্ছে গণহত্যা পরিবেশ থিয়েটার।

আজ মঙ্গলবার  ৯ নভেম্বর, ২০২১ (সন্ধ্যা ৬টায়) মঞ্চস্থ হবে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনা  নাটক `জোহা হল কথা কয় ',  রচনা ও  নির্দেশনা দিয়েছেন রহমান রাজু । মঞ্চস্থ হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলে।

প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত হবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এবং উদ্ভোদনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকি। রাজশাহী সিটি করপোরেশন মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. হুমায়ুন কবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার এবং রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।  

তিন বাস্তবতার কথা কয় জোহা হল। বর্তমান পরিবেশ, সেদিনের পরিবেশ, আগামীর পরিবেশ।  ইটভাটার মৃতপুরী থেকে বেঁচে থাকা তিন সূর্যসন্তানের স্মৃতির ঢেউয়ে ভাসে জোহা হলের সমস্ত অঙ্গন, পাকসেনার নৃশংস-নৃশংসতা। বীভৎস-বাস্তবতায় কাঁদে জোহা হল! সেই বধ্যভূমি এখন স্মৃতিজাগানিয়া। কনসেন্ট্রশন ক্যাম্প টু ইটভাটা, জোহা হল থেকে বধ্যভূমি, কিন্তু এ ইতিহাস রক্ষার দায় কার?  এমন কিছু দৃশ্য ও  ভাবনার সমাহার গণহত্যা পরিবেশ নাটক  'জোহা হল কথা কয়'। 

"সুবর্ণবর্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির একটি উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি ৬৪ জেলায় বধ্যভূমিতে গণহত্যার পরিবেশ থিয়েটার নির্মাণ। ইতোমধ্যে বধ্যভূমি নির্বাচন, গবেষণা কার্যক্রম, পান্ডুলিপি তৈরি এবং মহড়া কার্যক্রম শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় পরিবেশ থিয়েটার মঞ্চায়নের পথে রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা আশাবাদী। রিচার্ড শেখনার পরিবেশ নাটক বলতে যা বুঝিয়েছিলেন তাতে বিষয়টি দাঁড়ায়, প্রচলিত প্রেক্ষাগৃহের বাইরে অন্যত্র নাটক মঞ্চায়ন। এ পদ্ধতিতে যেকোনো স্থানে নাটক মঞ্চায়ন উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করে তাতে নাট্য পরিবেশনা সম্ভব। 

সে কারণেই পুরোনো গ্যারেজ, পরিত্যক্ত অস্ত্র কারখানা, অব্যবহৃত কসাইখানা, গীর্জা ইত্যাদি নাট্যকর্মীদের হাতে পড়ে রঙ্গালয়ের মাহাত্ম লাভ করেছে। বাংলাদেশে এ ধারণা ভিন্ন মাত্রা পায়। যেখানে ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, যে পরিবেশের কাহিনী ঠিক সেখানেই নাটকের অভিনয়ে পরিবেশ থিয়েটার প্রকৃত অর্থে পরিবেশবাদী হয়ে ওঠে। এ ধারার প্রযোজনার সাফল্য পুরোমাত্রায় নির্ভর করে টিমওয়ার্ক, নাট্যকর্মীদের কর্মতৎপরতার সমন্বয় এবং যথাযথ গবেষণার উপর।" সভাপতির বক্তৃতায় বলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও নাট্যজন লিয়াকত আলী লাকি।



সাতদিনের সেরা