kalerkantho

শনিবার । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৪ ডিসেম্বর ২০২১। ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

'আমি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ট্রলড হওয়া ব্যক্তি'

অনলাইন ডেস্ক   

২৮ অক্টোবর, ২০২১ ১৩:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'আমি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ট্রলড হওয়া ব্যক্তি'

নিজেকে সবচেয়ে বেশি ট্রলড ব্যক্তি হিসেবে দাবি করছেন হলিউড অভিনেত্রী ও ব্রিটিশ রাজপরিবারের বউ মেগান মার্কেল। টুইটারের এক বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। ২০১৯ সালে যে অনলাইন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন, তা তুলে ধরে এ কথা বলেন মেগান মার্কেল। ওই বছরের বেশ কিছু সময় মাতৃত্বকালীন ছুটিতে ছিলেন মেগান মার্কেল।  

টুইটার বিশ্লেষক বট সেনটিনেল বলেন, মেগান ও তার স্বামী প্রিন্স হ্যারিকে কেন্দ্র করে  উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রচারণা চালানো হয়েছে। লক্ষ্য ছিল এই দম্পতিকে ব্যাপক হয়রানি করা। হ্যারি ও মেগান সম্পর্কিত এক লাখ ১৪ হাজার টুইট বিশ্লেষণ করে বট সেনটিনেল ৮৩টি অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করেছেন, যেখানে দেখা যায় শতকরা ৭০ ভাগ ‘অ্যান্টি সাসেক্স টুইট।’

রিপোর্টে বলা হয়, অ্যাকাউন্টের ফলোয়ার সংখ্যা এক লাখ ৮৭ হাজারের বেশি এবং এ ছাড়া এক কোটি ৭০ লাখ টুইটার ব্যবহারকারী ওই অ্যাকাউন্ট দেখার ক্ষমতা রাখে। বেশির ভাগ টুইটে মেগানের প্রতি বর্ণবিদ্বেষকে তুলে ধরা হয়েছে। মিশ্র বর্ণের জন্য হয়রানি করা হয়েছে তাকে। শুধু তাই নয়, এই হয়রানিকে জোরালো করার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে কিভাবে একটি অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আরেকটি অ্যাকাউন্ট এক হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত না বলে জানিয়েছে ওই প্রতিবেদন।

বট সেনটিনেলের প্রধান নির্বাহী ক্রিস্টোফার বউজি বলেন, ‘ঘৃণামূলক যে টুইটগুলো, তা মানুষই লিখেছে, আর আমরা ওই অ্যাকান্টগুলোর সন্ধান করেছি।’

টুইটারের এক মুখপাত্রের মতে, প্রতিবেদনে চিহ্নিত ৫৫টি প্রাথমিক অ্যাকাউন্টের মধ্যে চারটি প্ল্যাটফর্মের নীতি লঙ্ঘনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে, তবে একজন ব্যক্তির একাধিক টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বউজি বলেন, এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রিন্স ও হ্যারি ও মেগান মার্কেলকে লক্ষ্য করে চালানো কার্যকলাম লক্ষণীয় মাত্রায় হ্রাস পেয়েছে। তিনি আরো বলেন, বিষয়টি যদি উদ্দেশ্যমূলক না হতো, তবে মুহূর্তের মধ্যে এত কমতে দেখা যেত না।

সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট ডট আইই।



সাতদিনের সেরা