kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩ কার্তিক ১৪২৮। ১৯ অক্টোবর ২০২১। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

তানভীর তারেকের অনুষ্ঠানে আইয়ুব বাচ্চুর মেয়ে সাফরা

অনলাইন ডেস্ক   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৭:০২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তানভীর তারেকের অনুষ্ঠানে আইয়ুব বাচ্চুর মেয়ে সাফরা

তানভীর তারেক এর উপস্থাপনায় ‘জীবন যেখানে যেমন’ অনুষ্ঠানে গত দেড় বছরে একাধিক তারকারা কথা বলেছেন বিভিন্ন প্রসঙ্গে। জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানের ৭৮ তম এপিসোডে প্রথমবারের মতো রকস্টার বাবাকে নিয়ে কোনো লাইভে অংশ নেবেন আইয়ুব বাচ্চু কন্যা ফাইরুজ সাফরা আইয়ুব। 

এদেশের রক আইকন আইয়ুব বাচ্চু মারা যাবার পর এরই ভেতরে তার গান সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তৈরি হয়েছে আইয়ুব বাচ্চুর ডিজিটাল মিউজিয়াম। তার স্মরণে নিজ জেলা চট্টগ্রামের সবচেয়ে ব্যস্ততমচত্ত্বরে গড়ে উঠেছে গিটার ভাস্কর্য।

অভাবনীয় জনপ্রিয়তার এই কিংবদন্তিকে নিয়ে সারাদেশের অগণিত ভক্তদের কৌতুহল, ভালবাসা, উন্মাদনা একইভাবে বর্তমান। এলআরবি, আইয়ুব বাচ্চুর রেকর্ডসংখ্যক জনপ্রিয় গান, এবি কিচেন, আইয়ুব বাচ্চুর গিটার, স্টুডিওসহ যাবতীয় অমূল্য রসদ নিয়ে পরিবারের সিদ্ধান্ত , বাবার স্মৃতি এবং আগামী সিদ্ধান্ত এসকল  বিষছেন মূলত সরাসরি আলোচনায় খোলাসা করবেন আইয়ুব বাচ্চু কন্যা সাফরা।

প্রথমবারের মতো কোনো লাইভে অংশ নেয়া প্রসঙ্গে সাফরা বলেন,‘আমি আমার পরিবার কোনোদিনই গণমাধ্যমের সামনে আসিনি। আমার বাবা সারাবিশ্বের লক্ষ কোটি শ্রোতাদের মনের ভেতরে বাস করেন। তাদের কৌতুহলকে শ্রদ্ধা জানাতেই পরিবারের পক্ষ থেকে কিছু বিষয় স্পষ্ট করাটা জরুরি বলে মনে করি। আর তানভীর তারেক বাবার খুবই কাছের একজন ছিলেন। বাবার স্টুডিও, গান এসবের বাইরেও কিছু মানুষ ছিলেন বাবার ভীষন আপন। তাদের ভেতরে তানভীর চাচ্চু অন্যতম। তাই তিনি যখন বললেন যে তার উপস্থাপনায় কিছু কথা বলার জন্য। রাজী হলাম। আমি আমার পরিবার শোবিজ জগতের কেউ নই। কিন্তু আমার বাবার স্বত্ত্বা বাংলা গানে এমন ভাবে মিশে আছে, তাতে মেয়ে হিসেবে কিছু দায়িত্ব তো বর্তাবেই। আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।’

আগামী শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩ টায় সরাসরি তানভীর তারেক এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল থেকে সরাসরি এই কথপোকথনটি দেখা যাবে।

এই আয়োজন প্রসঙ্গে তানভীর তারেক বলেন,‘আমি বরাবরই বলে এসেছি আইয়ুব বাচ্চু ব্যক্তিজীবনে আমার এই শহরে অন্যতম আশ্রয়ের নাম। তিনি আমার এক অভিমানের নাম ছিল। ভালবাসা আর শ্রদ্ধার অমূল্য এক মানুষ ছিল। মৃত্যু অনিবার্য। এটা জেনেও কিছু কিছু মৃত্যুকে আমরা ভীষন আফসোসের কাতারে রাখি, যে আরো ক’টা বছর এই কিংবদন্তী আমাদের সাথে থাকলে বাংলা গান আরো সমৃদ্ধ হতো। আধুনিক বাংলাগানের একটা গোটা অধ্যায় রচিত করে গেছেন এই মানুষটি। শুধু তাই নয় সেটিকে সার্বজনীনভাবে জনপ্রিয় করে গেছেন একজন আইয়ুব বাচ্চু। সারাদেশে চষে বেড়িয়েছেন গিটার নিয়ে। সেই মানুষটিকে স্মরণে রেখে তার পরিবারের কিছু কথা আমার এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার লক্ষ কোটি ভক্তরা জানুক। এটা একজন এবি শিষ্য হিসেবে আমার দায়িত্বের ভেতরেও পড়ে। আশা করছি গান পাগল এবি ভক্তদের জন্য আয়োজনটি বিশেষ হবে। সকলকে আমন্ত্রণ।’



সাতদিনের সেরা