kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

বার্সেলোনার খেলোয়াড়ের ফেসবুকে শ্যামলের সংলাপ?

অনলাইন ডেস্ক   

৩০ আগস্ট, ২০২১ ১৩:১২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বার্সেলোনার খেলোয়াড়ের ফেসবুকে শ্যামলের সংলাপ?

শ্যামল, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল তার বাংলা-ইংরেজি মিশ্রিত সংলাপের জন্য। সেই সংলাপ যদি সীমানা ছাড়িয়ে ফুটবল অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে কেমন হবে? হয়তো এমনটি ঘটেছে বলে মনে করছেন নেটিজেনরা। স্পেনের জাতীয় দলের মিডফিল্ডার ও বার্সেলোনার খেলোয়াড় পেড্রি গঞ্জালেজের ফেসবুক পেইজে একটি একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে। 

যেখানে দেখা যাচ্ছে, গঞ্জালেজ গোলরক্ষকের ভূমিকায় রয়েছেন। আর বার্সেলোনায় ফিরে আসা গোলরক্ষক মার্ক অ্যান্ড্রিউ স্টেগেনকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, 'প্রিয় স্টেগেন, হ্যাভ অ্যা রিলাক্স, সি ইউ নট ফর মাইন্ড, জাস্ট চিল।'

আর এই পোস্ট দেখে চক্ষু চড়কগাছ দেশীয় সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যবহারকারীদের। হবেই না কেন? মেসির সদ্য সাবেক সতীর্থ'র ফেসবুক পেইজে যদি দেশের একজন মানুষের বিষয় উঠে আসে তাহলে সেটা তো বিস্ময়েরই বটে।

অনেকেই ছবিসহ দেওয়া ওই পোস্টে মন্তব্য করছেন, জানতে চেয়েছেন শ্যামলের সংলাপ কিভাবে স্পেনে পৌঁছে গেল। অনেকেই এসে মন্তব্য করছেন এটা আসলে পেড্রির ফেসবুক পেইজ নয়, এটা বাংলাদেশ থেকে কেউ চালায়।

একজন মন্তব্য করেছেন, 'এই পেইজ বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের কেউ একজন চালায়,কারণ ক্রিকেটাররা সবাই কমেন্ট করে সবাই পোস্ট শেয়ার করে এবং এই কেপশন বাংলাদেশি ছাড়া কেউ জানেই না।' 

পেড্রি গঞ্জালেজ নামের এই ফেসবুক পেইজের মেম্বার আড়াই লাখ। পেজটি আসলেই পেড্রি গঞ্জালেজের কি না, এ ব্যাপারে একটু অনুসন্ধান চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে। নিশ্চিত হওয়া গেছে বাংলাদেশ থেকে কেউ পেইজটি চালান না। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এই পেইজের নেপথ্যে দুইজন অ্যাডমিন রয়েছেন। যারা এই পেইজটিকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। নিয়মিত হালনাগাদ দিচ্ছেন, যাতে করে কোনোভাবেই বোঝার উপায় নেই এটি পেড্রি গঞ্জালেজের ফেসবুক পেইজ কি না। আর ফেসবুক পেইজটি চালু করা হয়েছে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে।

অন্তত এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে পেড্রি এটি নিজ হাতে নিয়ন্ত্রণ করেন না। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে কাউকে নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দিয়েছেন কি না, সেটা তো বলা যাচ্ছে না। যদিও এর সম্ভাবনা খুবই কম। 

যাই হোক, শ্যামলকে নিয়ে যেভাবে হই হট্টোগোল শুরু হয়েছে, তাতে করে পেড্রির পেইজ থেকে পোস্টটি শ্যামলের ভাইরাল আগুনকে ফের উস্কে দিয়েছে। 

প্রথমে শ্যামল রায় বাংলাদেশ রেলওয়ের বেসরকারি ট্রেনের একজন কর্মচারী। যিনি বেসরকারি ট্রেনের টিকেট বিক্রয়ের দায়িত্ব পালন করছেন।  শ্যামল গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাংগা এলাকার নেপাল রায়ের ছেলে।  শ্যামল রায়ের ‘হ্যাভ আ রিল্যাক্স, সি ইউ, নট ফর মাইন্ড’ সোশ্যাল প্ল্যাটফরমে ভাইরাল হয়। দেশের নেটিজেনদের কাছে শ্যামল নামটি অপরিচিত নয়।

শ্যামলের বাবা নেপাল চন্দ্র মাছ ব্যবসায়ী। মা শেফালি রানি গৃহিণী। তিন ভাইয়ের মধ্যে শ্যামল সবার বড়। ছোট ভাই কমল চন্দ্র ও রাজা চন্দ্র বাবার সঙ্গে মাছের ব্যবসা করেন। শ্যামল চন্দ্র ২০০৫ সালে কাঠগড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হন। এরপর অর্থাভাবে আর পরীক্ষা দেওয়া হয়নি।



সাতদিনের সেরা