kalerkantho

বুধবার । ৭ আশ্বিন ১৪২৮। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৪ সফর ১৪৪৩

বান্নাহর নাটকের প্রশংসায় উজ্জ্বল

অনলাইন ডেস্ক   

২৯ জুলাই, ২০২১ ১৯:১০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বান্নাহর নাটকের প্রশংসায় উজ্জ্বল

বান্নাহর নাটক নিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে তিনি মুগ্ধ হয়ে নাটকগুলো নিয়ে লিখেছেন। 

এবারের ঈদে বান্নাহর বেশ কয়েকটি নাটক নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এর মধ্যে সুইপারম্যান ও মায়ের ডাক অন্যতম। মাসুদ হাসান উজ্জ্বল বলেন, যদিও লকডাউন চলছে, তবুও দেখছি আমার ব্যস্ততার কোনো শেষ নাই। সঙ্গত কারণেই ঈদের নাটকগুলো দেখার সুযোগ হয়ে ওঠেনি। আমার সমসাময়িক এবং অনুজ অনেক পরিচালকের সঙ্গেই আমার সখ্য রয়েছে, তাদের মধ্যে মাবরুর রশিদ বান্নাহ অন্যতম। ঈদের কাজগুলো প্রকাশিত হবার পর থেকে দেখছি ভিন্নধর্মী বিষয়বস্তু নিয়ে কাজ করার কারণে পত্রপত্রিকা এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক প্রশংসিত হচ্ছে বান্নাহ। বিষয়টা দেখে দারুণ লাগল! একজন স্নেহভাজনের সাফল্য নিঃসন্দেহে আনন্দদায়ক। একটু একটু করে দেখে ফেললাম তার তিনটি কাজ। মায়ের ডাক, সুইপার ম্যান, নিকষিত। 

উনপঞ্চাশ বাতাস খ্যাত এই নির্মাতা লিখেছেন, আমি সাধারণত নাট্য বা চলচ্চিত্র সমালোচনা বলতে যা বুঝায় সেটা করি না। এটা তো এককালে ভিন্নতর একটা পেশা ছিল (এখন যদিও-বা যে কেউই সমালোচক!)। আমি তো নির্মাতা, সমালোচক নই, তাই মনে করি নাট্য বা চলচ্চিত্র সমালোচনা আমার কাজ নয়! যাই হোক দর্শক হিসাবে একটা নির্মাণ যখন উপভোগ করি তখন হয়তো নির্মাতা হিসাবে আমার ক্ষুদ্রজ্ঞান আমাকে সহযোগিতা করে কাজগুলো মূল্যায়ন করতে। 

নির্মাতা বলেন, বান্নাহর যে তিনটি কাজের কথা উল্লেখ করলাম, সেগুলোর চুলচেরা বিশ্লেষণে না গিয়ে বলব- তার নিজেকে বদলাবার এই প্রবণতা, কিংবা ইউটিউবের চলতি প্রেম এবং স্থূল কমেডি থেকে বেরিয়ে এসে এ ধরনের বিষয়বস্তু নিয়ে কাজ করবার স্পর্ধা প্রদর্শনকে আমি সাধুবাদ জানাই! দর্শকও তার প্রচেষ্টার প্রতিদান কোনোপ্রকার কালক্ষেপণ না করেই দিয়েছে। ফলে 'দর্শক ভালো কাজ দেখে না' এ দোহাই দিয়ে যে লাভ নাই, সে কথা প্রমাণিত। প্রার্থনা রইল বান্নাহ-সহ সমসাময়িক অন্যান্য নির্মাতার কাছ থেকে আমারা দারুণ দারুণ কাজ দেখতে পাব ভবিষ্যতে।

ঈদুল আজহায় ১০টি নাটক পরিচালনা করেছেন বান্নাহ। প্রতিটি কাজেই প্রশংসিত হয়েছেন এই নির্মাতা। তবে 'মায়ের ডাক' থেকে লাখো মানুষের প্রশংসা পেয়ে পরিচালক বান্নাহ নিজেও আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়ছেন। তার ভাষ্য, 'মানুষের প্রশংসা নিতে নিতে আমি ক্লান্ত। আনন্দে আমার কয়েকবার চোখ ভিজে গেছে। অনেকে আমাকে জানাচ্ছে, ভুল বোঝাবুঝির জন্য মাকে গিয়ে সরিও বলছেন। বিশেষ করে প্রবাসীরা নাটকটি দেখে মায়ের কাছে যেতে চাইছেন।'



সাতদিনের সেরা