kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৯ জুলাই ২০২১। ১৮ জিলহজ ১৪৪২

সিডনিতে ‘ধূমকেতু’ ব্যান্ডের জমকালো আয়োজন

অনলাইন ডেস্ক   

২০ জুন, ২০২১ ১৫:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিডনিতে ‘ধূমকেতু’ ব্যান্ডের জমকালো আয়োজন

অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম স্থানীয় ব্যান্ড ‘ধূমকেতু’। দলটির আয়োজনে সদ্যঃসমাপ্ত হলো ঈদ পুনর্মিলনী এবং সংগীতানুষ্ঠান। সিডনির শহরতলি চুলোরার লিবার্টি হিল ক্রিশ্চিয়ান সেন্টারে সম্প্রতি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। 

উপচে পড়া দর্শক আর বিপুল আনন্দোৎসব অনুষ্ঠানের আয়োজকদের বিস্মিত করেছে। 

এই প্রসঙ্গে ব্যান্ড ম্যানেজার জুনায়েদ জানিয়েছেন, ‘দর্শকদের কাছে এত ভালো সাড়া পাব আশা করিনি। এমনিতেই কভিডের কারণে অনুষ্ঠানটি নিয়ে আমরা অনেক দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মধ্যে ছিলাম।

পরবর্তী সময়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত টিকিট ক্রয়ের মাত্রা দেখে উৎসাহ দ্বিগুণ বেড়ে যায় ব্যান্ডের সব সদস্যের। আশা করছি, এই বছরের শেষে আরো বড় পরিসরে এ ধরনের আরো একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করব।’

এ ধরনের আয়োজন সিডনিতে এই প্রথম যে টিকিট ক্রয়ের মাধ্যমে শুধু একটি স্থানীয় দেশি ব্যান্ড গোটা অনুষ্ঠানজুড়ে এককভাবে সংগীত পরিবেশনা করেছে। 

এ প্রসঙ্গে ব্যান্ডের সদস্যরা বলেন, ‘স্থানীয় উদ্যোক্তারা সচরাচর বাংলাদেশ থেকে গুণী শিল্পীদের আমন্ত্রণ করে নিয়ে আসেন এ ধরনের পাবলিক টিকিটিং ইভেন্টে। লোকাল ব্যান্ড হিসেবে তাই এই আয়োজন আমাদের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিন্তু দর্শক গ্রহণযোগ্যতা আর প্রশংসার মাত্রা দেখে সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। 

এমনকি একটা পর্যায়ে এসে আমাদের টিকিট ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিতে হয়েছে শুধু স্থান সংকুলানের আশঙ্কায়। তবে আশা করছি খুব শিগগিরই সবার মনের আশা পূরণ করে গান শুনিয়ে যাব।’

কেয়া এবং রাজের অনবদ্য উপস্থাপনায় শুরু থেকেই অনুষ্ঠানটি প্রাণ পেতে থাকে। ফটোসেশন এবং বাচ্চাদের ফ্যাশন শোয়ের পরে শুরু হয় সংগীতানুষ্ঠান। প্রথমে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় উপস্থিত দর্শকরা বিমোহিত হয়। এরপর মঞ্চে আসে ধূমকেতু। 

একের পর এক জনপ্রিয় সব গান পরিবেশনার মাধ্যমে তারা দর্শকদের নিয়ে যান সুরের মূর্ছনায়। অনুষ্ঠানজুড়েই উপস্থিত দর্শক স্বতঃস্ফূর্তভাবে ব্যান্ডের গানের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান। অনুষ্ঠান শেষে যখন ক্লান্ত-শ্রান্ত দর্শক বাড়ি ফেরে, তখন সেখানে মধ্যরাত।

অনুষ্ঠানের স্পন্সর ছিলে ন্যাজ ফোটোগ্রাফি, ফ্লোরিং হাট, কে বি জি অস্ট্রেলিয়া এবং মেক মাই হোম গ্রিন। ব্যান্ডের পক্ষ থেকে স্পন্সরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়।



সাতদিনের সেরা