kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

নববর্ষে জয়া আহসান

কভিডের কী সাধ্য পহেলা বৈশাখের প্রাণশক্তিকে চাপা দেয়?

অনলাইন ডেস্ক   

১৫ এপ্রিল, ২০২১ ১২:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কভিডের কী সাধ্য পহেলা বৈশাখের প্রাণশক্তিকে চাপা দেয়?

এ বছরও করোনার ভয় আর সরকারি বিধি-নিষেধের মধ্যে এলো বাংলা নতুন বছর। ঘরবন্দি জীবনে বর্ষবরণের অন্য রকম এই দিনে করোনাকে পেছনে ফেলে নতুন বছরে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ের কথা জানালেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

ভক্তদের পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানিয়ে জয়া আহসান বলেন, করোনার দুঃসময় আমরা পার হইনি। চারদিকে বিষণ্ণতা আর মৃত্যু। কিন্তু দুঃসময়ই যে মানুষের শেষ কথা নয়, সে কথা জানাতেই তো বাংলা নববর্ষের আগমন। গতবার আমাদের প্রত্যাশা ছিল- এই নববর্ষে আনন্দ হবে। দুঃসময় তবুও চলছে। নববর্ষ আবারও আমাদের বলছে, আমরা একসঙ্গে সবাই মিলে দুঃসময় পার করব। দুঃসময়টা পার হতে পারি বলেই আমরা মানুষ।

পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহরে ফেসবুকে কথাগুলো লেখেন জয়া। সেখানে তিনি আরো লেখেন, করোনার বিস্তারে গত বছরের নববর্ষে আমরা সংযত থেকেছি। প্রত্যাশা করেছি, পরের নববর্ষে দুর্যোগের গাঢ় মেঘ মাথার ওপর থেকে সরে যাবে। এবার কভিড-১৯ আরো জোরেশোরে ফিরে এসেছে। কিন্তু কভিডের কী সাধ্য পহেলা বৈশাখের প্রাণশক্তিকে চাপা দেয়! মানুষকে পরাস্ত করা কি এতই সহজ! কত যুদ্ধ, মন্বন্তর, মারি পেছনে ফেলেই না এত দূর এগিয়ে এসেছে মানুষ। ঘোর অন্ধকার আসে, তাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে চলো, সবাই হাত ধরে- পহেলা বৈশাখ ঠিক এই কথাটিই সব সময় বলে এসেছে।

জয়া বলেন, আমরা সতর্ক আর নিরাপদ থাকব, নিজেদের সুস্থ রাখার জন্য সব কিছু করব। সবার জন্য দুহাত বাড়িয়ে রাখব, মনকে ভরে রাখব আলোয়। নববর্ষের কচি রোদ পড়ুক আমাদের সবার মুখের ওপর।

জয়ার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন, 'মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।' পহেলা বৈশাখে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির বিশাল সমুদ্রে অবগাহন করে শপথ নেওয়ার দিন। আমরা ষোলোআনা বাঙালি হব। আমরা শাশ্বত বাঙালি হব। দেশে বা প্রবাসে আমাদের সন্তানদের বাংলা শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি ধারণ করতে শেখাব। আমরা কবিগুরুর সেই বিশ্বমানব হব।



সাতদিনের সেরা