kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩০ চৈত্র ১৪২৭। ১৩ এপ্রিল ২০২১। ২৯ শাবান ১৪৪২

মমতার দলেই গেলেন সায়ন্তিকা

অনলাইন ডেস্ক   

৩ মার্চ, ২০২১ ১৩:২৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মমতার দলেই গেলেন সায়ন্তিকা

বুধবার তৃণমূল ভবনে গিয়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন কলকাতার অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েকদিন ধরেই তৃণমূল কলকাতার বিভিন্ন পরিচিত মুখ যোগ দিচ্ছেন। 

অবশ্য বিজেপি-ও তারকাদের যোগদান করাচ্ছে। যেমন সোমবারই বিজেপি-তে যোগ দিয়েছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। তার আগেও বিজেপি-তে অন্যান্য তারকা যোগ দিয়েছিলেন। গুঞ্জন, এই তারকাদের এবার ভোটের ময়দানেও প্রত্যক্ষ ভাবে নামাবে দু’দল। অর্থাৎ, এদের ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করানো হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে মূলস্রোতের তারকা-যোগের ক্ষেত্রে তৃণমূলই পথিকৃৎ। বেশ কয়েক বছর আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার নায়ক-নায়িকাদের বিধানসভা এবং লোকসভা ভোটে দাঁড় করিয়েছেন। তাঁরা জিতেছেন। বস্তুত, এখনই তৃণমূলের সাংসদ হলেন শতাব্দী রায়, দেব, মিমি চক্রবর্তী, নুসরাত জাহানের মতো তারকারা। তৃণমূলের বিধায়ক এবং সাংসদ ছিলেন প্রয়াত তাপস পালও। যেমন সাংসদ ছিলেন সন্ধ্যা রায় এবং মুনমুন সেন। 

সেখানে বিজেপি-তে তারকা-নির্ভরতা এ বারেই বেশি। যদিও অনেক আগে ‘রামায়ণ’ এবং ‘মহাভারত’ সিরিয়ালের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ভোটের রাজনীতিতে নিয়ে এসেছিল বিজেপি-ই। দীপিকা চিকলিয়া (সীতা), নীতীশ ভরদ্বাজ (কৃষ্ণ) বা অরবিন্দ ত্রিবেদী (রাবণ) প্রমুখকে লোকসভা ভোটে দাঁড় করিয়েছিল তারা। ওই অভিনেতা-অভিনেত্রীরা সাংসদও হয়েছিলেন। কিন্তু সে ভাবে পরে আর সক্রিয় রাজনীতিতে থাকেননি। কার্যত হারিয়েই গিয়েছেন।

প্রাক্তন আমলাদেরও ভোটে লড়ানোর বিষয়টি শুরু করেছিল বিজেপি। তার পর সেই পথে হেঁটেছে তৃণমূল। অতীতেও দীপক ঘোষের মতো প্রাক্তন আমলাকে বিধানসভা ভোটে দাঁড় করিয়েছিলেন মমতা। মহিষাদল আসন থেকে তিনি জিতেওছিলেন। কিন্তু পরে তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর অবনিবনা শুরু হয়। মমতার সঙ্গেও দূরত্ব বাড়ে। 

তবে তার পরেও প্রাক্তন আমলারা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। যেমন কিছুদিন আগেই পেশা ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার হুমায়ুন কবীর। এখন দেখার, আরও কোনও আমলা তৃণমূলে যোগ দেন কি না। যেমন দেখার, সায়ন্তিকার পর আরও কোনও টলিভিশন তারকা লড়তে নামেন কি না বিধানসভা ভোটের ময়দানে। প্রসঙ্গত, সায়ন্তিকাকে তৃণমূল ভবনে নিয়ে আসেন মমতার ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়। আনন্দবাজার

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা