kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৯ বৈশাখ ১৪২৮। ২২ এপ্রিল ২০২১। ৯ রমজান ১৪৪২

শিল্পকলায় পূর্ণিমা তিথির মাসিক সাধুসঙ্গের ২৩তম আসর

অনলাইন ডেস্ক   

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:২৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শিল্পকলায় পূর্ণিমা তিথির মাসিক সাধুসঙ্গের ২৩তম আসর

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় পূর্ণিমা তিথির মাসিক সাধুসঙ্গ আয়োজনের ধারাবাহিকতায় ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ একাডেমি প্রাঙ্গণ বটতলায় আয়োজন করা হয়েছে সাধুসঙ্গের ২৩তম আসর। বিকাল ৪টা থেকে শুরু হয়ে আয়োজন চলে রাত ১০টা পযন্ত।

আয়োজনের শুরুতে বাউল দলের শিল্পীদের কণ্ঠে সাঁইজির ভাববাণী এবং শিল্পকলা একাডেমি বাউল দলের ভাববাণী পরিবেশিত হবে।

আলোচনা পর্বে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে উপস্থিত থাকবেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর উপাচার্য্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ এবং একাডেমির প্রযোজনা বিভাগের পরিচালক সোহাইলা আফসানা ইকো। 

আলোচনা শেষে সাধুগুরুদের পরিবেশনায় বাউল সংগীত পরিবেশন করবেন প্রাজ্ঞ সাধক শিল্পী কিরণ চন্দ্র রায়, চন্দনা মজুমদার, সমির বাউল, কাঙ্গালিনী সুফিয়া, পাগলা বাবলু এবং কুদ্দুস বাউল। এছাড়াও সংগীত পরিবেশন করবেন বাউল কামাল, ম্যাজিক বাউলিয়ানা চ্যাম্পিয়ন শিবলী সাদিক, বাউল সাইদুল, বাউল দিল বাহার খান, বাউল মমতাজ, বাউল ফারুক নুরী এবং আশালতা।

মানবতার মহান সাধক ফকির লালন সাঁই ১৭৭৪ সালে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি থানার অন্তর্গত চাপাড়া, ভাড়ারা গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ সাধক, দার্শনিক ও মানবতাবাদী কবি। প্রাপ্তি সূত্রে তিনি প্রায় সহস্রাধিক মরমি ভাববাণীর রচয়িতা। তাঁর মর্মস্পর্শী পদাবলি বাংলার সহজ সরলমনা সঙ্গীত প্রেমীদের আত্মার খোরাক। তাঁর গান গেয়ে অনেক শিল্পী বাংলাদেশ ও ভারতে জনপ্রিয়তা লাভসহ বহির্বিশ্বে ও খ্যাতি অর্জন করেছেন । দেশে ও দেশের বাইরে মুক্তিকামী অসংখ্য মানুষ লালন ফকিরের ভাববাণীকে নিজ জীবনের ভাবাদর্শ হিসেবে গ্রহণ করছেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় তাঁর স্মরণে জাতীয় পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে কোনো আয়োজন প্রচলিত ছিল না। 

এ শূন্যতা পূরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শিল্পগুরু ঋদ্ধিমান লিয়াকত আলী লাকী  দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তার  ভাবনা ও পরিকল্পনায় দেশের বরেণ্য বাউল ও বাউল শিল্পী, শীর্ষ পর্যায়ের লালন গবেষক, প্রাজ্ঞ সাধক, শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সমন্বয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে  জাতীয় পর্যায়ে ২০১৫ সালে ৩ দিন ব্যাপী কয়েক শত সাধক নিয়ে সাধুসঙ্গ, ২০১৬ সালে লালন সাঁইজির আখড়ায় দেশের বরেণ্য সাধকদের দ্বারা কয়েক শত নবীন প্রবীণ বাউল ঘরানার শিল্পীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক মহোদয়ের ভাবনা ও পরিকল্পনায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাউল দল গঠন করে প্রশিক্ষণরত বাউলদের ২০১৭ থেকে অদ্যাবদি দেশের প্রথম শ্রেণির বাউল ও বাউল শিল্পীদের দ্বারা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। ২০১৯ সাল থেকে প্রতিমাসের পূর্ণিমা তিথিতে মাসিক “সাধুমেলা” আয়োজন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে সকল পর্যায়ের বাউল সাধক, বাউল শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাধুমেলার ২৩তম আসরের  আয়োজনের নিমিত্তে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা