kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৬ নভেম্বর ২০২০। ১০ রবিউস সানি ১৪৪২

শহরে নেই, মফস্বলে চাঙ্গা সাহসী হিরো আলম

অনলাইন ডেস্ক   

২১ অক্টোবর, ২০২০ ১৭:৫৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শহরে নেই, মফস্বলে চাঙ্গা সাহসী হিরো আলম

বগুড়ার মফস্বলের একটি হলের ভেতরের দৃশ্য-

করোনার কারণে বন্ধের প্রায় সাত মাস পর খুলেছে দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলো। অর্ধেক আসন খালি রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১৬ অক্টোবর থেকে প্রেক্ষাগৃহগুলোতে সিনেমা দেখানোর অনুমতি দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। হল খুললেও শহরের হলগুলোতে দর্শকেরা উপস্থিতি তেমন নেই।ল অন্যদিকে মফস্বল শহরে দর্শকদের উপস্থিতি রয়েছে বলে হল কর্তৃপক্ষরা জানাচ্ছে।

রাজধানী ঢাকার ৯টি হলে সিনেমা প্রদর্শন শুরু হয়েছে।  রাজধানীর ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে সাহসী হিরো আলম। ফার্মগেটের আনন্দ ও ছন্দ সিনেমা হলের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, আমাদের প্রথম প্রদর্শনী শুরু হয় সকাল ১০টায়। দুই হলে প্রত্যাশার চেয়ে দর্শক কম হলেও দীর্ঘদিনের খরার পর সামান্য বৃষ্টির আনন্দ অনুভব করেছি। সাহসী হিরো আলম কম দেখলেও তুলনামূলক ছন্দ সিনেমার দর্শক ভালো। আর এই হলটির আসন সংখ্যাও অনেক, ১১'শ ওপরে।

এছাড়াও ৯ টি হলের অধিকাংশগুলোতেই দর্শক খরা রয়েছে বলে হল সূত্রে জানা গেছে। তবে ঢাকার বাইরের হলগুলোতে দর্শক আসছে। দিনাজপুরের ফুলুবাড়ির অবকাশ সিনেমায় চলছে সাহসী হিরো আলম চলচ্চিত্রটি। এই হলের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহীন কালের কণ্ঠকে বলেন, '৭ মাস পর হল খুলেছে যা দর্শক তা আমাদের কাছে অনেক। এরচেয়ে বেশি আশাও করিনি। কারণ হিরো আলম কোনো তারকা না, তারপরেও এই সিনেমা মানুষ দেখছে, এটাই অনেক।'

বগুড়ার ধুনটের ক্লিওপেট্রা সিনেমা হলের আসন সংখ্যা ১৪'শ। এখানে মুক্তি পেয়েছে সাহসী হিরো আলম। এই হলের ব্যবস্থাপক পরাণ সরকার কালের কণ্ঠকে বললেন, আমাদের সিনেমা হলে প্রতিটি শো'তে দর্শক সংখ্যা ১০০ এর ওপরে, কখনো ১২০ ১৩০, ২০০ এর ওপরেও যায়। করোনার পরে এটা অনেক ভালো। দূর্গাপূজাতেও এই ছবিই চলবে, গ্রামাঞ্চল তো পূজাতে প্রতি শো'তেই ৫০০ এর ওপরে দর্শক থাকবে।

সিরাজগঞ্জের তালা উপজেলার রজনীগন্ধা সিনেমা হলের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আজিজ বলেন, 'দীর্ঘদিন হল বন্ধ থাকায় দর্শকের চাপ বেড়েছে। এখানে প্রচুর দর্শক এসেছে। শুক্রবার অনেক দর্শক ফিরিয়ে দিতে হয়েছে আমাদের। গ্রামের মানুষ হিরো আলমকে দেখতে আসছে।'

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের পূর্ণিমা হলের বুকিং এজেন্ট কালের কণ্ঠকে বলেন, আমাদের এখানে চলছে সাহসী হিরো আলম ছবিটি। আমরা আশা করিনি এত দর্শক হবে। সরকারের পক্ষ থেকে অর্ধেক আসনে দর্শক বসানোর শর্ত রয়েছে। সেই শর্ত মেনে চলছি আমরা। অনেক দর্শক ঘুরে গেছে। তাদের আমরা টিকিট দিতে পারিনি। করোনার পর হল খুলে এত বিপুল দর্শক পাওয়া সত্যি আনন্দের।

প্রযোজক পরিবেশক সমিতির হিসাব মতে, মুক্তির অপেক্ষায় আছে ২৪টি সিনেমা। কিন্তু ১৬ অক্টোবর হল খুললেও করোনা মহামারির কারণে নতুন ছবি মুক্তি দিতে চাইছেন না পরিচালক, প্রযোজকরা। বলা যায়, পরিস্থিতি বিবেচনা না করেই বিশাল লগ্নির ছবি মুক্তি দেওয়ার মতো ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। সিনেমা হল খোলার এক-দুই মাস পর এসব সিনেমা মুক্তি দিতে ইচ্ছুক প্রযোজক,পরিচালকরা। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা