kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সুশান্তের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেওয়া হলো সিবিআইকে

অনলাইন ডেস্ক   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১১:৪২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সুশান্তের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেওয়া হলো সিবিআইকে

সুশান্ত হত্যাকান্ড নিয়ে তদন্তে নামার চল্লিশ দিন পরে মুখ খুলেছে সিবিআই। মঙ্গলবার এআইমস-এর তরফে চিকিৎসকেরা সুশান্তের ময়না-তদন্তের রিপোর্ট পর্যালোচনা করে এবং ভিসেরা পরীক্ষা করে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন সিবিআইকে। চিকিৎসক  সুধীর গুপ্ত জানিয়েছেন, সুশান্তের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সিবিআই এবং  চিকিৎসকরা একমত। কিন্তু আইনের সব দিক খতিয়ে দেখে তবেই তাকে আইনসিদ্ধ সিদ্ধান্তে রূপ দেওয়া হবে।

 গত শুক্রবার সুশান্তের পারিবারিক আইনজীবী বিকাশ সিংহ অভিযোগ করেছিলেন, তদন্ত ঠিক পথে চলছে না। সিবিআই এত দিনে কেনও কোনও তদন্ত-রিপোর্ট প্রকাশ করল না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। তার পরেই আজ এক বিবৃতি জারি করে সিবিআইয়ের মুখপাত্র বলেন,  সুশান্ত সিংহ রাজপুতের মৃত্যুতে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। প্রতিটি দিক খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও বিষয় বাদ দেওয়া হচ্ছে না।

 মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখও বলেছেন, মুম্বাই পুলিশ যথেষ্ট দক্ষ ভাবে তদন্ত চালাচ্ছিল। সুশান্ত আত্মহত্যা করেছিলেন, নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছিল, তা জানতে হঠাৎ সিবিআইকে তদন্তের ভার দেওয়া হল। এখন কিন্তু সেই প্রশ্নটি পিছনে চলে গিয়েছে। গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সম্পূর্ণ অন্য একটি বিষয়কে। এদিকে সুশান্তের কিছু আত্মীয়-বন্ধু টুইটারে জানিয়েছিলেন, তদন্তের গতি-প্রকৃতি সম্বন্ধে সিবিআই না জানালে ২ অক্টোবর থেকে তাঁরা প্রতীকী অনশনে বসবেন।

সুশান্তের এক বন্ধু, যুবরাজ সিংহ আবার এরই মধ্যে দাবি করেছেন, প্রয়াত অভিনেতার প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের মৃত্যুর তদন্ত হলেই সুশান্তের মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তার দাবি, বোঝাই যাচ্ছে এটা জোড়া হত্যাকাণ্ড। সুশান্তকে মাদক খাইয়ে আচ্ছন্ন করে রাখা হত, তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে দেওয়া হত না, তার টাকাপয়সাও হাতিয়ে নেওয়া হত। যুবরাজের অভিযোগের আঙুল দিশার বয়ফ্রেন্ড রোহন রাইয়ের দিকে। মুম্বাই পুলিশ যত দিন তদন্ত চালিয়েছে, রোহন পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন। তবে সিবিআইয়ের তরফে তার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি।

এ দিকে শুধু মোবাইল ফোন নয়, বলিউডের চার তারকা দীপিকা পাড়ুকোন, সারা আলি খান, রকুল প্রীত সিংহ এবং শ্রদ্ধা কপূরের ক্রেডিট কার্ডও বাজেয়াপ্ত করেছে এনসিবি। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে তাঁরা মাদক কিনেছিলেন কি না, তা দেখতে চান গোয়েন্দারা। তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্টও খতিয়ে দেখা হবে। কোনও মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে তাদের আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না, দেখতে চান তদন্তকারীরা।

সূত্র: আনন্দবাজার

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা