kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১১ সফর ১৪৪২

মৃত্যুর আগেরদিন সুশান্তের মোবাইল ব্যবহারে ছিল অস্বাভাবিকতা!

অনলাইন ডেস্ক   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১১:৪৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মৃত্যুর আগেরদিন সুশান্তের মোবাইল ব্যবহারে ছিল অস্বাভাবিকতা!

সুশান্ত সিং রাজপুত এর মৃত্যুর ঘটনা ক্রমশ জটিল হচ্ছে। প্রথম থেকে জানা যাচ্ছিল অভিনেতা আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে এই দাবি মানতে রাজি হননি অনেকেই। এই মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি খুন তা নিয়ে চলছে বিতর্ক। তদন্তকারী সংস্থাগুলো সম্প্রতি এমন কিছু তথ্যের সম্মুখীন হয়েছে যা থেকে খুনের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে তারা জানিয়েছেন।

সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে যে মৃত্যুর আগের দিন সুশান্তের মোবাইল ফোন যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে তা বেশ সন্দেহজনক। কিছু অস্বাভাবিকতা তার মধ্যে দেখা গিয়েছে। সর্ব ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাও এর প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে। এই মুহূর্তে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই, এনসিবি এবং ইডি। রিয়া চক্রবর্তী ছাড়াও দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে সুশান্ত সিং রাজপুতের অন্যান্য বাড়ির কর্মীদের। প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা একটি বিষয়ের ওপর বিশেষ নজর দিচ্ছে। সুশান্তের রাঁধুনি নীরজ জানিয়েছেন যে মৃত্যুর দিন সকালে এক গ্লাস জুস খেয়ে ছিলেন অভিনেতা। কিন্তু কেন, এই নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

ময়না তদন্ত রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, তাঁর ব্লাডার খালি ছিল। দীপেশ সাওয়ান্ট জানিয়েছেন সকাল ১০.৩০ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিনি দরজায় নক করছিলেন। এছাড়াও আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে। জানা যাচ্ছে সুশান্তের একটি দামি ঘড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। ঘড়িটির দাম ছিল ১৪ লক্ষ টাকা। সেটি তাঁর ঘরের ড্রয়ারে ছিল। প্রশ্ন উঠছে মৃত্যুর দিন সুশান্তের বাড়িতে পৌঁছলে কেন পরিবারের সদস্যদের হাতে বাড়ির চাবি দেওয়া হয়নি।
 
জানা যাচ্ছে যে সুশান্তের বাড়ির লোকজন যখন এই দুর্ঘটনার খবর শুনে অভিনেতার বাড়িতে পৌঁছেছিলেন তখন তাঁরা দেখেন যে সুশান্তের বাড়ির অন্যান্যরা কেউ রান্না করছে, আবার কেউ খেতে বসার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে তাঁরা নাকি বেশ অবাক হয়েছিলেন।

গেছে, যে সেই রাতে সুশান্তের ঘরের আলো নিভে গিয়েছিল ১০.৩০ টায়। কিন্তু অন্যান্য দিন সাধারণত তার ঘুমাতে ঘুমাতে ভোর ৪ টা বেজে যেত। তাই সন্দেহ দানা বেঁধেছে। বর্তমানে তদন্তকারী সংস্থাগুলো অপেক্ষা করে আছে এইমসের প্রতিবেদনের ওপর। ১৭ সেপ্টেম্বর এই রিপোর্ট আসবে। কলকাতা ২৪

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা