kalerkantho

শুক্রবার। ১৭ আশ্বিন ১৪২৭। ২ অক্টোবর ২০২০। ১৪ সফর ১৪৪২

আবার সপরিবারে ইডি দপ্তরে রিয়া, দ্বিতীয় দফায় শুরু জিজ্ঞাসাবাদ

অনলাইন ডেস্ক   

১০ আগস্ট, ২০২০ ১৩:১৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আবার সপরিবারে ইডি দপ্তরে রিয়া, দ্বিতীয় দফায় শুরু জিজ্ঞাসাবাদ

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর আর্থিক দুর্নীতির মামলায় আবারও মুম্বাইয়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেটে হাজিরা দিলেন অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী। সোমবার সকালে তাঁর পরিবারকে নিয়ে তিনি যান ইডি-র অফিসে। গত শুক্রবারই তাঁকে দফতরে ডেকে পাঠিয়ে সাড়ে আট ঘণ্টা ধরে জেরা করেছিল ইডি।

এ দিন রিয়ার সঙ্গে ইডি-র দফতরে গিয়েছেন তাঁর ভাই সৌভিক চক্রবর্তী ও তাঁদের বাবা-মা। গত শনিবার রিয়ার ভাইকে এই মামলায় প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি-র কর্মকর্তারা। 

৪৮ ঘণ্টারও বেশি বেপাত্তা থাকার পর অবশেষে শুক্রবার ইডির কাছে হাজিরা দেন সুশান্ত সিং রাজপুতের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী, তথা সুশান্তের মৃত্যু-মামলার অন্যতম অভিযুক্ত রিয়া। আর তার পর টানা সাড়ে আট ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে এমন সব তথ্য, যা আরও জটিল করতে পারে বলিউড অভিনেতার মৃত্যু-রহস্যকে। রিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডি সূত্রে দাবি, মুম্বাই পুলিশ যতই সুশান্তের আত্মহত্যার তত্ত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করুক, এর বাইরে অন্য কোনও তত্ত্বের আভাসও জোরদার হচ্ছে।

সুশান্ত সিং রাজপুতের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরানোর মতো একাধিক অভিযোগে রিয়াসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছিলেন অভিনেতার বাবা। সেই মামলা পাটনা থেকে মুম্বাইয়ে সরানোর আবেদন নিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন রিয়া। ইতোমধ্যে আর্থিক নয়ছয়ের তদন্ত শুরু করেছে ইডি। আইনজীবীর মাধ্যমে রিয়া ইডি-র কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি শেষ হওয়ার পর যেন তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়। কিন্তু সে আবেদন ইডি খারিজ করার পর পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে হাজিরা দেন রিয়া।

মুম্বাইয়ের অফিসে রিয়ার ভাই সৌভিক এবং রিয়া-সুশান্তের ম্যানেজার শ্রুতি মোদিকেও জেরা করে ইডি। বিকেলের দিকে ডাকা হয় রিয়ার বাবা ও তাঁদের পরিবারের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টকেও৷ ইডি সূত্রের জানা যায়, প্রথম দিনের জেরায় রিয়া বার বারই রিয়া বলেছেন, 'অনেক কিছুই মনে পড়ছে না৷' কিন্তু সেই বিস্মৃতির আড়ালে থাকা সত্যকেই খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

ইডির কর্মকর্তারা প্রশ্ন সাজিয়েছিলেন দু'ভাবে-ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক৷ ব্যক্তিগত ভাবে সুশান্তের থেকে কী কী আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন রিয়া, জানতে চান৷ প্রশ্ন করা হয়- বাৎসরিক আয় ১৪ লক্ষ টাকা হওয়ার পরও রিয়া কী ভাবে মুম্বাইয়ে দু'টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের মালিকানা পেলেন, একযোগে শুরু করা তিনটি ব্যবসার প্রতিটিতে শুধু সুশান্তই কেন লগ্নিকারী হিসেবে ছিলেন, প্রশ্ন তোলা হয় সুশান্তের বিজনেস পার্টনার হিসেবে রিয়ার ভাই সৌভিক চক্রবর্তীর নিয়োগ নিয়েও৷ 

রিয়ার ভাইকে পার্টনার করে সুশান্তের 'আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স' এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সংস্থা দু'টি যে আদৌ লাভজনক অবস্থায় ছিল না, তারও প্রমাণ পেয়েছে ইডি৷ এইসময় 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা