kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ । ১ অক্টোবর ২০২০। ১৩ সফর ১৪৪২

'অঙ্কিতা সঙ্গে থাকলে সুশান্তের এই পরিণতি হতো না'

অনলাইন ডেস্ক   

২ আগস্ট, ২০২০ ১৩:১৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'অঙ্কিতা সঙ্গে থাকলে সুশান্তের এই পরিণতি হতো না'

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর বহুদিন ধরে মৌন থেকেছেন। অথচ, সবাই এ বিষয়ে অঙ্কিতা ঠিক কী বলছেন, জানতে চেয়েছেন। তার পরও অঙ্কিতা চুপই ছিলেন। তাঁর ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, অঙ্কিতা শুধুই কাঁদছেন, কিছু বলার অবস্থায় তিনি নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় সুশান্তের সঙ্গে যাঁর নাম সবথেকে বেশি আলোচিত হয়েছে তিনি অঙ্কিতা। অনেকেই বলেছেন, 'যদি সুশান্তের সঙ্গে অঙ্কিতা থাকত, তাহলে হয়তো এমন পরিণতি হতো না।'

সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন অঙ্কিতা লোখান্ডে। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, সুশান্তের পরিবারের পর কেউ যদি তাঁকে সবথেকে বেশি জানত, সেটা আপনি। তবে কেন ৪৬ দিন চুপ ছিলেন? উত্তরে অঙ্কিতা বলেন, একটা সময় ছিল, সুশান্ত আমি এবং আমাদের দুজনের পরিবার- সবাই একসঙ্গে কাটিয়েছি। তবে এই আঘাত থেকে বের হতে আমার সময় লেগেছে। তারপর আমি ঠিক করি, সুশান্তকে ন্যায়বিচার দেওয়ানো আমার কর্তব্য।

সুশান্তের সঙ্গে, ওর জীবনের সঙ্গে থাকতেন আপনি কি ওকে বাঁচাতে পারতেন বলে মনে হয়? অঙ্কিতা বলেন, 'আমি সুশান্তের ভালো-মন্দ, ভালোলাগা-খারাপলাগা সবটাই জানি। আমার সঙ্গে থাকার সময় দেখেছি, সুশান্ত গিটার বাজাত, নাচ করত, ও ওর নিজের খুশিমতো সব কিছু করেছে, ভালোভাবে বেঁচেছে। ওর যা ভালো লাগে, আমি ওকে করতে দিয়েছি। যদি সত্যিই আমি ওকে আটকাতে পারতাম...। আমি ওকে ভালো রাখার সব রকম চেষ্টা করতাম। (চোখ ছলছল) আমি সব রকমভাবে চেষ্টা করতাম। আমার এখনো মনে হয়, যদি আমরা একসঙ্গে থাকতাম। আমার মনে হয় ও আনন্দে থাকত।'

সুশান্তের পরিবারের কী পরিস্থিতি? এই প্রশ্নের উত্তরে অঙ্কিতা বলেন, ও চলে গেছে, কে আর কী বলতে পারে? কেউ তাঁদের ভাইকে হারাল, কেউ ছেলেকে। সুশান্ত ওর পরিবারের কাছে রাজকুমার ছিল।

সুশান্তের পরিবার রিয়া সম্পর্কে অভিযোগ এনেছে, সে বিষয়ে কী বলবেন? অঙ্কিতার কথায়, আমি কাউকে দোষ দিতে চাই না। ও আনন্দে ছিল, এটা ভেবে আমার ভালো লাগত। তবে গত বছর আমি অনুভব করেছিলাম যে ও ভালো নেই। আমার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় হয়তো আমায় কিছু বোঝাতে চাইছিল। তবে সেভাবে জোর দিইনি, ভেবেছিলাম, ও তো ভালোই আছে। আসলে বিচ্ছেদের পর থেকে সামনাসামনি আমাদের আর দেখা হয়নি। তাই ঠিক বুঝতে পারিনি। কিন্তু ওর সেই হাসিটা আর দেখতে পেলাম না। আসলে ওর পরিবারের সঙ্গেও ওর ঠিকভাবে কথা হচ্ছিল না, এমনকি ওর বন্ধু মহেশ শেঠির সঙ্গেও না, ও আমাদের কমন ফ্রেন্ড ছিল।

এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে? উত্তরে অঙ্কিতা বলেন, আমি যত দূর জেনেছি, যে মুম্বাই পুলিশ এখনো এফআইআর করেনি। বিহার পুলিশে বাবা এফআইআর করেছেন। উনি যখন কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভেবেই নিয়েছেন।

সূত্র : নিউজ, ডিএনএ। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা