kalerkantho

সোমবার । ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭। ১০ আগস্ট ২০২০ । ১৯ জিলহজ ১৪৪১

তিন বছরে একটা দিন নেই যে বাবার অনুপস্থিতি মিস করি নাই

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ জুলাই, ২০২০ ০৬:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিন বছরে একটা দিন নেই যে বাবার অনুপস্থিতি মিস করি নাই

শবনম ফারিয়া জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী। দেবী চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায়ও দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন। ছোট পর্দার অভিনয়জগতে সফলদের একজন তিনি। লাইট ক্যামেরা অ্যাকশন- এসবের ভিড়ে একটি শূন্যতা তাড়িয়ে বেড়ায়। সেটি বাবার অনুপস্থিতি। ঘরে-বাইরে- সবখানে লেগে রয়েছে বাবার স্মৃতি।

শবনম ফারিয়ার বাবা মীর আবদুল্লাহ পেশায় একজন সরকারি চিকিৎসক (অব.) ছিলেন। ২০১৭ সালে ১৬ জুলাই  মীর আবদুল্লাহ মারা যান। বাবার মৃত্যুতে ভীষণভাবে ভেঙে পড়েন শবনম ফারিয়া। সেই শোক সামলে উঠলেও এখনো তাঁর অনুপস্থিতি বুকে হাহাকার হয়ে বাজে।

সোশ্যাল হ্যান্ডেলে প্রায়ই বাবাকে নিয়ে টুকরো স্মৃতিকথা লেখেন। তবে বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে যেন বেশিই আবেগপ্রবণ হয়ে উঠলেন। বাবা-মেয়ের সম্পর্কের বন্ধন, যার তুলনা অবশ্যাম্ভাবী।

ফারিয়া নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে লিখেছেন, 'তিন বছর সময় কি এত তাড়াতাড়ি চলে যায়?  গত তিন বছরে এমন একটা দিন যায় নাই, যখন আমি বাবার প্রেজেন্স মিস করি নাই। প্রতিদিন অনেক ঘটনা ঘটে, যেগুলো বলার মতো কিংবা বোঝার মতো কেউ নাই!'
 
পৃথিবীর কঠিনতম সময়ে বাবার শূন্যতা যেন ভীষণভাবে নাড়া দেয়। ফারিয়া লিখেছেন, 'বাবা না থাকলে হয়তো বুঝতামও না পৃথিবীটা কত কঠিন আর নিষ্ঠুর! কিংবা বাবা থাকতে কখনো বাস্তবের সম্মুখীন হতেও চাইনি। বাবা খুব তাড়াতাড়ি আমাদের দেখা হোক, অনেক জমানো গল্প আছে, অনেক কথা বলা বাকি আছে। 

ফারিয়া বলেন, তোমার তিন বছরের অনুপস্থিতিতে আমার বয়স যে ৯ বছর বেড়ে গেছে, সেইটাও হয়তো তুমি জানো না। আই হেইট গ্রোয়িং আপ, আই হেইট দিস লাইফ উদাউট ইউ। রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বা ইয়ানি সাগীরা...'

২০১৭ সালের জুলাইয়ে হার্ট অ্যাটাক করলে বাবা মীর আবদুল্লাহকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।  সাত দিন স্কয়ার হাসপাতালের আইসিইউ-তে ভর্তি ছিলেন। ১৫ জুলাই রাত থেকে তাঁর অবস্থার অবনতি হয়। লাঞ্চে অতিরিক্ত পানি জমে গিয়েছিল। ১৬ জুলাই ভোর সাড়ে পাঁচটায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা