kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

'এসব কী করছি আমি, করোনা আমায় পাগল করে দিচ্ছে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ জুলাই, ২০২০ ২০:১৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'এসব কী করছি আমি, করোনা আমায় পাগল করে দিচ্ছে'

পারফিউম লাগাতে গিয়ে শাড়িতে ডিসইনফেক্ট্যান্ট স্প্রে লাগিয়ে ফেলছেন! শুটে প্রিয় বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে সারাক্ষণ স্প্রে করে চলেছেন। কফি মেকার থেকে ইলেকট্রিক কেটলি- বাড়ি থেকে নিয়ে আসছেন। অংশুমান প্রত্যুষের পরিচালানায় 'এসওএস কলকাতা' ছবির শুটিং নিয়ে মিমি চক্রবর্তী কথা বললেন ভারতের একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে। সেখানেই উঠে এলো এসব তথ্য।

ঘন কাজের ঘিয়ে রঙা শাড়ি, এক রঙা থ্রিকোয়ার্টার ব্লাউজ, খোলা চুল আর ছোট্ট টিপে মিমি শট দিচ্ছেন বন্ধু যশ দাশগুপ্তের স্ত্রী হিসেবে। করোনাকালে শুটের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে যারপরনাই উত্তেজিত মিমি। বললেন, 'করোনা থাকবে। আর আমাদের কাজও করতে হবে। তবে নুসরাত আর যশের চেয়ে আমি বেশি প্যানিক করছি। খাওয়া থেকে পানির বোতল, সব বাড়ি থেকে নিয়ে যাচ্ছি। আমার স্টাফদের খাবারও ভাবছি বাড়ি থেকে নিয়ে যাব। এত কিছু করছি তাই যশ বলছে, 'করোনা করোনা করে এবার আমার মাথাতে করোনা উঠে আসবে!' হেসে বললেন মিমি।

হাতে সারাক্ষণ করোনা স্প্রে। মেকআপ ভ্যানে কাউকে ঢুকতে দিচ্ছেন না। তবে প্রিয় বন্ধু নুসরাতের সঙ্গে অনেক দিন পরে দেখা হওয়ায় মেকআপ ভ্যানে বসেই চুটিয়ে আড্ডা দিয়েছেন দু’জনে।

অংশুমান প্রত্যুষের পরিচালানায় নতুন ছবিতে নায়ক হিসেবে রয়েছেন যশ দাশগুপ্ত। আর নায়িকা মিমি ও নুসরাত। অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড নিয়ে ছবির গল্প। শুট শুরু হয়েছে ১০ জুলাই থেকে। মিমি বললেন, 'এক ঘণ্টা অন্তর ফ্লোর স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। সবাই মাস্ক পরে। সব্বাই সতর্ক। এর পরেও কিছু হলে আমার কিছু বলার নেই!'

লকডাউনেই গল্প লিখেছেন অংশুমান। ফলে আউটডোর সেভাবে নেই। মিমি জানালেন, গল্পের প্রয়োজনে বড়জোর ইকোপার্কে শুট করতে হতে পারে। কাজের জায়গায় প্রায় ছয় মাস বাড়িতে বসে আছেন নায়িকা। 'আমার ওপর অনেক দায়িত্ব। জলপাইগুঁড়ির পরিবারের দায়িত্ব, আমার স্টাফদের পরিবারের দেখাশোনা করা, সব তো আমার ওপর। এভাবে কত দিন চালাতে পারব? বসে থাকলে তো কুবেরের ধনও শেষ হয়ে যায়! আমি তো কোন ছার!' বাস্তব ছবি সরাসরি তুলে ধরলেন মিমি।

কথায় কথায় উঠে এলো আরেক ঘটনা। মিমি যা বললেন, তাতে বিষয়টা এ রকম- আম খেতে ইচ্ছা হয়েছিল মিমির। অনলাইনে আম এলো। আম আসার পর তা সোজাসুজি মিমির বাড়িতে পৌঁছতে পারল না। আম বাড়ির নিচেই স্যানিটাইজড করা হলো। স্যানিটাইজড করার পর আম অভিনেত্রীর বাড়িতে প্রবেশ করলে তাকে ভিনিগার আর নুন জলে চুবিয়ে রাখা হলো, এরপর আবার স্যানিটাইজেশনের পালা!

আমের আর কিছু রইল কি? জানেন না মিমি। তাঁর অস্ফুট উক্তি, 'আমি ভুলেই গেলাম যে সাধ করে আমি আম খেতে চেয়েছিলাম। আসলে করোনা আমায় পাগল করে দিচ্ছে!'

সূত্র : আনন্দবাজার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা