kalerkantho

শনিবার । ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৬ জুন ২০২০। ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

নারায়ণগঞ্জে গিটারিস্ট হিরোর মৃত্যু, করোনা সন্দেহ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ এপ্রিল, ২০২০ ১৬:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারায়ণগঞ্জে গিটারিস্ট হিরোর মৃত্যু, করোনা সন্দেহ

নারায়ণগঞ্জে গিটারিস্ট ‘হিরো লিসান’ মারা গেছেন। মৃত্যুর পর করোনা সন্দেহে পরিবারের লোকজন লাশের পাশে আসছেন না বলে জানা গেছে। সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দেওভোগ কৃষ্ণচূড়া এলাকার নিজ বাসায় হিরোর মৃত্যু হয়। পরে লাশ বাড়ির বাইরে এনে রেখে দেয়া হয়। মরদেহের কাছে ভয়ে কাউকে যেতে দেখা যায়নি। সারারাত মরদেহটি সেখানেই পড়েছিল।

মৃত হিরো লিসানের প্রকৃত নাম খাইরুল আলম হিরো (৩০)। তিনি ফতুল্লার দেওভোগ কৃষ্ণচূড়া এলাকার মৃত ইসহাক মোল্লার ছেলে। স্থানীয়রা জানান, খাইরুল আলম হিরো মূলত সংগীতজগতে ‘হিরো লিসান’ নামেই পরিচিত। তিনি মূলত গিটারস্টি; সেই সঙ্গে ঝুটের ব্যবসাও করতেন।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র আফসানা আফরোজ বিভ জানান, হিরো গত দুই বছর ধরেই স্কিনজনিত রোগে ভুগছিলেন। এর মধ্যে গত ২৬ মার্চ থেকে তার জ্বর-সর্দি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা শুরু হয়। পরে শহরের একজন প্রাইভেট ডাক্তারকে দেখালে বেশ কিছু পরীক্ষা করানো হয়। এতে তার ফুসফুসে পানি জমা ছিল বলে চিকিৎসকরা জানান।

চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্র লিখে দিয়ে ওষুধ খেতে বলেন, এতেই সেরে যাবে বলে জানান তারা। কিন্তু জ্বর-সর্দি আর শ্বাসকষ্ট না কমায় তার পরিবার এর মধ্যে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে চিকৎসকরা তাকে ভর্তি না নিয়ে পুনরায় ব্যবস্থাপত্র লিখে দিয়ে ছেড়ে দেন।
তিনি আরও জানান, সোমবার তার শ্বাসকষ্টের সমস্যা আরও প্রকট হয়। এর মধ্যে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি বাড়িতেই মারা যান। পরে তার মরদেহ বাড়ির বাইরে এনে রেখে দেয়া হয় এবং মরদেহের কাছে ভয়ে আর কেউ আসেননি।

সারারাত মরদেহটি সেখানেই পড়েছিল। মঙ্গলবার সকালের দিকে খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ এবং আমার টিমসহ ঘটনাস্থলে যাই। সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) তরিকুল ইসলাম বলেন, নিহতের মায়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, অ্যাম্বুলেন্সে হিরুকে উঠানো হচ্ছিল।

এর মধ্যে চালক ও অ্যাম্বুলেন্সে থাকা অন্যরা বলছিলেন তিনি মারা গেছেন তাকে আর ঢাকা নিয়ে কী হবে। এর পরই মরদেহ বাড়ির কাছে সারারাত ফেলা ছিল। করোনা আতঙ্কে কেউ আর কাছে আসেনি। তার মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করেছে সিটি কর্পোরেশন। সেখানে পুলিশের টিম রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা