kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৯ চৈত্র ১৪২৬। ২ এপ্রিল ২০২০। ৭ শাবান ১৪৪১

কণিকার দেহে দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও মিলল করোনা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ মার্চ, ২০২০ ১১:৫১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কণিকার দেহে দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও মিলল করোনা

করোনা আক্রান্ত বলিউড গায়িকা কনিকা কাপুরের দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও তাঁর শরীরে  কভিড ১৯ ভাইরাসের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। সোমবার দ্বিতীয়বারের জন্য বেবি ডল গায়িকার দেহে করোনাভাইরাস রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুধু কনিকা নয় তাঁর পরিবারের ‘নখরা’তেও কার্যত অস্বস্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কনিকার পরিবার প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন তোলাতেই ফের একবার পরীক্ষা করা হল গায়িকার রক্তের নমুনা। এএনআই সূত্রে খবর, কনিকা এখন স্বাভাবিক রয়েছেন।

রবিবারই গায়িকাকে তাঁর আচরণের জন্য সচেতন করেন হাসপাতালের ডিরেক্টর ডাঃ আরকে ধীমান। সাফ জানিয়ে দেন, তারকার মতো নখরা না দেখিয়ে, কনিকার রোগীর মতো আচরন করাটা সবার আগে জরুরি।

শনিবার কনিকা এই সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন যে এখানে তাকে সঠিকভাবে খাবার দেওয়া হচ্ছে না, এমনকি চারদিক অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন-এক কথায় থাকার অযোগ্য। গায়িকার সেই দাবি কার্যত উড়িয়ে দিয়ে হাসপাতালের ডিরেক্টর জানান, প্রতি চার ঘণ্টা অন্তর কনিকা রুম ক্লিন করা হয়। কনিকার ঘরে যে সমস্ত চিকিত্সা কর্মীরা থাকেন তাঁরা সকলেই চার ঘণ্টার শিফটে কাজ করছেন। কারণ সেইসময় তাঁরা কোনও খাবার বা পানি খেতে পারেন না। 

তাঁরা অ্যান্টি-ইনফেকশন ইকুইপমেন্টে মোড়া থাকেন। প্রতি শিফট শেষে ঘর পরিষ্কার করা হয়। তাই কনিকার দাবি সম্পূর্ণ ভুল। তিনি এমনটাও জানিয়েছেন, কনিকা কাপুরের চাহিদা অনুযায়ী গ্লুটেন ফ্রি খাবারের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। যে আইসোলেশন ঘরে তিনি রয়েছেন সেখানে আলাদা শৌচালয় রয়েছে, টেলিভিশন সেট রয়েছে। শুধু তাই নয়, শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে রয়েছেন তিনি। তার দেখাশোনা করার ক্ষেত্রে কোনও খামতি রাখা হচ্ছে না।

লন্ডন থেকে ৯ তারিখ ভারতে ফেরার পর ১১ তারিখ মুম্বই থেকে লখনউ পৌঁছান কনিকা। ১৪-১৬ মার্চ লখনউয়ের একটি পাঁচতারা হোটেলে ছিলেন এই শিল্পী। এই সময়ের মধ্যে কারা কারা কনিকা সংস্পর্শে এসেছে তা খতিয়ে দেখে ১৬০ জনের দীর্ঘ একটি তালিকা তৈরি করেছে লখনউ পুলিশ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা