• ই-পেপার

মালয়েশিয়ায় মৌসুমী

হঠাৎ কেন কলকাতায় কাজল?

বিনোদন ডেস্ক
হঠাৎ কেন কলকাতায় কাজল?
সংগৃহীত ছবি

বলিউড অভিনেত্রী কাজলের হঠাৎ কলকাতা সফর ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। রথযাত্রার দিনে কলকাতায় পৌঁছে শুক্রবার সকালে দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরে পূজা দিয়েছেন তিনি। এরপর থেকেই ভক্তদের মনে প্রশ্ন, শুধুই ব্যক্তিগত সফর, নাকি নতুন কোনো সিনেমা বা প্রকল্পের ঘোষণা আসছে শিগগিরই?

শুক্রবার সকালে লাল রঙের কো-অর্ড সেট, চোখে সানগ্লাস এবং হাতে পূজার ডালা নিয়ে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে প্রবেশ করতে দেখা যায় কাজলকে। প্রিয় অভিনেত্রীকে একনজর দেখতে ও সেলফি তুলতে মন্দির প্রাঙ্গণে ভিড় করেন ভক্তরা। তবে এদিন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি তিনি। পূজা শেষে দ্রুত গাড়িতে উঠে মন্দির ত্যাগ করেন।

কাজলের এই সফরের উদ্দেশ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি। ফলে তাঁর কলকাতা সফর নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।

তবে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে কাজলের উপস্থিতি নতুন নয়। এর আগেও ২০২৫ সালে মা তনুজা ও ছেলে যুগকে সঙ্গে নিয়ে এই মন্দিরে পূজা দিতে এসেছিলেন তিনি। এবারও সেই ধারাবাহিকতাই বজায় রাখলেন বলে মনে করছেন অনেকেই।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছালে আলোকচিত্রীদের ক্যামেরায় ধরা দেন কাজল। ধূসর রঙের জাম্পসুট পরা অভিনেত্রীকে হাসিমুখে ছবির জন্য পোজ দিতে দেখা যায়। 

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিক ও আলোকচিত্রীদের কেউ কেউ জানতে চান, ‘ম্যাডাম, হঠাৎ কোন কাজে কলকাতায় এলেন?’ তবে প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি অভিনেত্রী।

কাজলের নীরবতায় রহস্য আরো ঘনীভূত হয়েছে। এখন ভক্তদের অপেক্ষা, এই সফরের প্রকৃত কারণ কী, তা জানার।

যে মেসেজ থেকে প্রেমের শুরু হয়েছিল প্রিয়াঙ্কা-নিকের

বিনোদন ডেস্ক
যে মেসেজ থেকে প্রেমের শুরু হয়েছিল প্রিয়াঙ্কা-নিকের
সংগৃহীত ছবি

হলিউড ও বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা দম্পতি প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাসের প্রেমের গল্প বরাবরই ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। কিভাবে তাঁদের সম্পর্কের শুরু হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তর মিলল এবার নিক জোনাসের মুখেই। 

প্রায় এক দশক আগে প্রিয়াঙ্কাকে পাঠানো প্রথম ব্যক্তিগত বার্তার স্ক্রিনশট প্রকাশ করে সেই স্মৃতি ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি জোনাস ব্রাদার্সের পডকাস্ট ‘হে জোনাস!’-এ অতিথি হয়ে হাজির হন প্রিয়াঙ্কা ও নিক। সেখানেই তাঁরা জানান, তাঁদের প্রেমের শুরু হয়েছিল এক্সে (তৎকালীন টুইটার) পাঠানো একটি সরাসরি বার্তা দিয়ে।

নিক জানান, তাঁর ভাই কেভিন জোনাসই প্রথম তাঁকে প্রিয়াঙ্কার অভিনীত মার্কিন টেলিভিশন সিরিজ ‘কোয়ান্টিকো’র কথা বলেছিলেন। পরে লস অ্যাঞ্জেলেসের সানসেট বুলেভার্ডে সিরিজটির বিশাল একটি বিলবোর্ড দেখে কৌতূহলী হয়ে এক্সে প্রিয়াঙ্কার প্রোফাইল খুঁজে দেখেন তিনি।

পডকাস্টে সেই মুহূর্তের স্মৃতিচারণা করে নিক বলেন, ‘কেভিন আমাকে বলেছিল, তুমি এবিসির ‘কোয়ান্টিকো’ সিরিজটা দেখেছ? আমি বললাম, না দেখিনি। এরপর ও যখন সিরিজটির কথা বলছিল, তখন আমি সানসেট বুলেভার্ডে তাকিয়ে দেখি, তোমার মুখের একটি বিশাল বিলবোর্ড। তখন আমি ভাবলাম, টুইটারে (বর্তমানে এক্স) গিয়ে দেখি তো ও আমাকে ফলো করে কি না। দেখলাম, তুমি আমাকে ফলো করো। এরপরই আমি তোমাকে সরাসরি একটি বার্তা পাঠাই।’

প্রিয়াঙ্কা জানান, ঘটনাটি ছিল নিছকই এক সুন্দর কাকতালীয়। তাঁর ভাষায়, ‘এটা সত্যিই দারুণ এক কাকতালীয় ঘটনা। কারণ, কেভিন আর আমি একই ধরনের শো পছন্দ করি, কিন্তু নিক আর আমার পছন্দের শো কখনোই এক হয় না।’

পডকাস্টে তাঁদের প্রথম কথোপকথনের স্ক্রিনশটও দেখানো হয়। সেখানে নিকের প্রথম বার্তা ছিল, ‘হ্যালো। কয়েকজন আমাকে বলেছেন, আমাদের দেখা করা উচিত। আমিও তাঁদের সঙ্গে একমত। তুমি কি শিগগিরই লস অ্যাঞ্জেলেসে আসছ?’

জবাবে প্রিয়াঙ্কা লিখেছিলেন, ‘হাই...গ্রাহাম (রজার্স) তোমার সম্পর্কে আমাকে অনেক কিছু বলেছে। চলো টেক্সটে আলাদাভাবে কথা বলি। ওটা আরো ব্যক্তিগত হবে। আমার টিম এই অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারে।’

প্রথম দিকের আরেকটি মজার ঘটনার কথাও জানান প্রিয়াঙ্কা। তিনি বলেন, ‘ও নিশ্চিত হতে চেয়েছিল যে এটি আসলেই আমি কি না। তাই ও আমার কাছে টাইম স্ট্যাম্প ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকা মুহূর্তের একটি ছবি চেয়েছিল। আমারও ওর এই বুদ্ধিটা ভালো লেগেছিল। ওটা ছিল একটা ফ্যাশন শোর পরের ঘটনা। সেদিন আমাকে বেশ মিষ্টি লাগছিল।’

এরপরই শুরু হয় নিয়মিত বার্তা আদান-প্রদান। সেই স্মৃতি মনে করে নিক বলেন, ‘তাই আমরা টেক্সট করা শুরু করলাম। এর প্রায় দেড় বছর পর আমরা ডেটিং শুরু করি এবং অবশেষে আমাদের বাগ্‌দান সম্পন্ন হয়।’

আড্ডায় উঠে আসে আরেকটি মজার বিষয়ও। প্রিয়াঙ্কার দাবি, বলিউডের গসিপ সম্পর্কে তিনিই নন, বরং তাঁর স্বামী নিক বেশি আপডেট থাকেন।

এ প্রসঙ্গে নিক বলেন, ‘এই আট বছরে আমি সবচেয়ে বেশি যা উপভোগ করেছি, তা হলো বলিউডের গসিপ।’

হেসে প্রিয়াঙ্কা যোগ করেন, ‘এটা কিন্তু একেবারে সত্যি। এমনকি কারো ব্রেকআপ হয়েছে কি না, তা আমি না জানলেও ও ঠিকই জানে। সাধারণত এমনটা ঘটে যখন আমি কাউকে মেসেজ করতে গিয়ে বলি, ‘আরে, ওদের আমার ভালোবাসা জানিও’, তখন ও সঙ্গে সঙ্গে বলে ওঠে, ‘না, ওদের ব্রেকআপ হয়ে গেছে।’

নিক আরো জানান, ‘ইনস্টাগ্রামে এমন কয়েকটি অ্যাকাউন্ট আছে, যেগুলো আমি গোপনে ফলো করি। সেখানে দারুণ সব মুখরোচক গল্প থাকে। সব সময়ই এমন কিছু গল্প বা ঘটনা চলতে থাকে, যেগুলোর আপডেট অনুসরণ করতেই হয়।’

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে প্রিয়াঙ্কাকে প্রথম ব্যক্তিগত বার্তা পাঠিয়েছিলেন নিক জোনাস। ২০১৭ সালে ভ্যানিটি ফেয়ার অস্কার-পরবর্তী আয়োজনে প্রথমবার মুখোমুখি দেখা হয় তাঁদের। ২০১৮ সালে শুরু হয় প্রেম, একই বছরের জুলাইয়ে গ্রিস সফরে গিয়ে প্রিয়াঙ্কাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন নিক।

এরপর ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ভারতের যোধপুরের উমেদ ভবন প্যালেসে হিন্দু ও খ্রিন—দুই ধর্মীয় রীতিতেই বিয়ে করেন এই তারকা জুটি। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে সারোগেসির মাধ্যমে তাঁদের কন্যাসন্তান মালতী মেরি চোপড়া জোনাসের জন্ম হয়। বর্তমানে পরিবার ও কর্মজীবন—দুই ক্ষেত্রেই ব্যস্ত সময় পার করছেন তাঁরা।

বন্যার্তদের সহায়তায় মঞ্চে উঠছেন রুনা লায়লা

বিনোদন প্রতিবেদক
বন্যার্তদের সহায়তায় মঞ্চে উঠছেন রুনা লায়লা
সংগৃহীত ছবি

দেশের বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবার সংগীতের মাধ্যমে মানবিক উদ্যোগে হাজির হচ্ছেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা। বন্যার্তদের জন্য তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে আয়োজিত একটি বিশেষ একক সংগীতানুষ্ঠানে গান পরিবেশন করবেন তিনি। একই অনুষ্ঠানে তাঁর দীর্ঘ শিল্পজীবন ও দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননাও প্রদান করা হবে।

‘শিল্পী আমি তোমাদেরই গান শোনাবো’—এই চেতনা ধারণ করে কয়েক দশক ধরে সংগীতের মাধ্যমে শ্রোতাদের মুগ্ধ করে আসছেন রুনা লায়লা। তাঁর কণ্ঠে প্রেম, মানবিকতা, দেশাত্মবোধ ও সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ নতুন মাত্রা পেয়েছে। সেই শিল্পযাত্রার স্বীকৃতি দিতেই আগামী ২৪ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে এই বিশেষ অনুষ্ঠান।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য সহায়তা তহবিল গঠন। অনুষ্ঠানের টিকিট বিক্রির পুরো অর্থই বন্যার্তদের সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জনসংযোগ কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন জানান, বন্যার্তদের জন্য আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের প্রতিটি টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা। আগ্রহীরা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষণ ভবনের নিচতলায় অবস্থিত হিসাব শাখা থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিভাগের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

বিশেষ এই একক সংগীতানুষ্ঠানে রুনা লায়লা তাঁর জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান পরিবেশন করবেন। 

আয়োজকদের প্রত্যাশা, সংগীতপ্রেমীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বন্যার্তদের জন্য উল্লেখযোগ্য সহায়তা তহবিল গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

‘একদিন তোমাদের বিচ্ছেদ হবে!’, কেন সোনাক্ষীকে এমন কথা বলেছিলেন সালমান?

বিনোদন ডেস্ক
‘একদিন তোমাদের বিচ্ছেদ হবে!’, কেন সোনাক্ষীকে এমন কথা বলেছিলেন সালমান?
সংগৃহীত ছবি

বলিউড অভিনেতা সালমান খানকে ঘিরে নানা গল্প-গুজবের শেষ নেই। তবে ঘনিষ্ঠজনদের সম্পর্ক বুঝে ফেলার ক্ষেত্রে তাঁর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার কথা নতুন করে সামনে আনলেন অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা ও তাঁর স্বামী জাহির ইকবাল। 

তাঁদের দাবি, প্রেমের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসার অনেক আগেই সব বুঝে গিয়েছিলেন সালমান।

সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঞ্চালনায় ‘ডাবল ডেট’ অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে নিজেদের প্রেমের শুরুর দিনের নানা অজানা স্মৃতি ভাগ করে নেন সোনাক্ষী ও জাহির। 

সেখানেই জানান, সালমান খানের একটি পার্টিতে তাঁদের প্রথম পরিচয়। বন্ধুত্বের সূত্র ধরেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। তবে সেই সম্পর্ক গোপন রাখতে চাইলেও সালমানের নজর এড়াতে পারেননি তাঁরা।

জাহির জানান, তাঁরা নিজেরা কিছু বলার আগেই তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি বুঝে ফেলেছিলেন সালমান। দুজনের আচরণ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া দেখেই তিনি বিষয়টি আঁচ করেছিলেন।

সোনাক্ষীও সেই সময়ের একটি মজার ঘটনার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সালমান যখন তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করতেন, তখন দুজনেই বিষয়টি অস্বীকার করতেন। বারবার বলতেন, ‘না না, এমন কিছুই নেই।’

কিন্তু তাঁদের সেই লুকোচুরি বেশিদিন টেকেনি। একসময় মজা করে সালমান বলেছিলেন, ‘একদিন তোমাদের ব্রেকআপ হবে, তখন দুজনেই কাঁদবে। আমি তোমাদের দুজনকেই ভালোবাসি, তাই তখন কারও পক্ষ নিতে পারব না।’

এই মন্তব্য শুনে দুজনই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন বলে জানান সোনাক্ষী। পরে এক ট্রেকিং ভ্রমণে সালমান সরাসরি জাহিরকে ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘সব দেখা যাচ্ছে, সব বুঝতে পারছি।’ এরপর আর সম্পর্ক গোপন রাখার সুযোগ ছিল না তাঁদের।

প্রায় সাত বছর প্রেমের সম্পর্ক আড়ালে রাখার পর ২০২৪ সালের জুনে মুম্বাইয়ে আইনি বিয়ের মাধ্যমে নতুন অধ্যায় শুরু করেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। এর আগে তাঁরা ‘ডাবল এক্সএল’ সিনেমায়ও একসঙ্গে কাজ করেছিলেন।

তবে সালমানের সেই মজার ভবিষ্যদ্বাণী শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়নি। বিচ্ছেদের বদলে তাঁদের সম্পর্ক পরিণতি পেয়েছে বিয়েতে। বর্তমানে সুখী দাম্পত্য জীবনই কাটাচ্ছেন এই বলিউড তারকা দম্পতি।

মালয়েশিয়ায় মৌসুমী | কালের কণ্ঠ