kalerkantho

রবিবার । ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৭ রবিউস সানি                    

দুই লাখ টাকা পেয়ে আবেগে কাঁদলেন কাঙ্গালিনী সুফিয়া

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ১৮:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুই লাখ টাকা পেয়ে আবেগে কাঁদলেন কাঙ্গালিনী সুফিয়া

সংগীত শিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়াকে দুই লাখ টাকার সহযোগিতা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।  গত ২৪ অক্টোবর দেশের শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সানের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।

আজ রবিবার কাঙ্গালিনী সুফিয়ার হাতে দুই লাখ টাকা হস্তান্তর করছে মেয়র আতিকুল ইসলাম। শিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়া ডিএনসিসিতে গেলে তার হাতে এই টাকা তুলে দেওয়া হয়।

জানা যায়, দেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিনোদন বিষয়ক প্রতিবেদক পান্থ আফজাল কুষ্টিয়ার লালন মেলায় যান। সেখানেই দেখা হয় কাঙ্গালিনী সুফিয়ার সাথে। সেখানে প্রাথমিক কথাবার্তা বলার পর ওই প্রতিবেদক বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান তাঁকে।

এরপর মেয়ে পুষ্পকে নিয়ে ২৪ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রতিদিনের কার্যালয়ে আসেন সাক্ষাৎকার দিতে। সাক্ষাৎকার শেষে ডেইলি সানের কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে নিয়ে যান প্রতিবেদক পান্থ আফজাল। সেখানে মেয়র আতিকুল ছিলেন। তার সাথেও দেখা করিয়ে প্রতিবেদক কাঙ্গালিনী সুফিয়ার সম সাময়িক অবস্থার কথা জানান।  

মেয়র কথা বলে জানতে পারেন, শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ কাঙ্গালিনী সুফিয়া। গলায় ব্যথা, কিডনি ও হার্টও ভালো নেই। এমন শারীরিক অবস্থায় গান গাইতেও নিষেধ করেছেন চিকিৎসকরা। তবুও অদম্য তিনি।

মেয়র আতিকুল সেদিনই শিল্পীকে দুই লাখ টাকা সহায়তার কথা জানান। এরপর বলেন, 'আমি কাঙ্গালিনী সুফিয়ার অনেক বড় একজন ভক্ত। ছোটবেলা থেকেই তার গানের আমি ভক্ত। আজ অসুস্থতার খবর শুনে মনে হলো এই গুণী শিল্পীর জন্য আমার এগিয়ে আসা উচিৎ।'  

কাঙ্গালিনী সুফিয়া প্রায় ৩০টি জাতীয় ও ১০টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন। গান রচনা করেছেন প্রায় ৫০০টি। তার জনপ্রিয় গানের তালিকায় আছে- ‘পরাণের বান্ধব রে, বুড়ি হইলাম তোর কারনে’, ‘কোন বা পথে নিতাই গঞ্জে যাই’ ইত্যাদি।

কাঙ্গালিনী সুফিয়া মাত্র ১৪ বছর বয়সে গ্রাম্য একটি অনুষ্ঠানে গান গেয়ে শিল্পী হিসেবে পরিচিতি পান। এরপর বাংলাদেশ টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী হিসেবে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়। ওই সময়ই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ডিজি মুস্তফা মনোয়ার তাকে উপাধি দেন ‘কাঙ্গালিনী’। সেই থেকে তিনি কাঙ্গালিনী সুফিয়া নামে পরিচিতি পান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা