kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

শবনম ফারিয়ার বকুলপুর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ নভেম্বর, ২০১৯ ১৪:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শবনম ফারিয়ার বকুলপুর

অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার ধারাবাহিক নাটক বকুলপুর। বকুলপুর নাটকটি রচনা করেছেন আহমদে শাহাবুদ্দীন ও পরিচালনা করেছেন কায়সার আহমেদ। ফারিয়া ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন আ খ ম হাসান, তাহমিনা মৌ,শ্যামল মওলা,আনিসুর রহমান মিলন,আরফান আহমেদ,টুটুল চৌধুরী,ফারজানা ছবি,নাদিয়া আহমেদ,শামীমা তুষ্টি,আহসানুল হক মিনু,সঞ্জয় রাজ আরো অনেকে। নাটকের কাহিনি গড়ে উঠেছে বকুলপুর গ্রামের ঘটনা নিয়ে। এই গ্রামে তালুকদার ও মণ্ডল গোষ্ঠির মধ্যে শীতল যুদ্ধ আছে। 

নাটকের গল্প শুরু হয় মণ্ডেল গোষ্টির ছেলে মন্টুর গ্রামে যাত্রা আনা নিয়ে। এতে বাধা দিতে চান ঝরু তালুকদার। তিনি তালুকদারদের ঐক্যবদ্ধ করে গ্রামে যাত্রা আনা ঠেকাতে চান। কিন্তু গ্রামের তালুকদারদের এক করতে পারেন না। গ্রামের জব্বার তালুকদার এ ক্ষেত্রে রহস্যজনক নীরব ভূমিকা পালন করেন। অন্যদিকে ঘুড্ডি তালুকদার নিজেকে শিল্পের পূজারি দাবি করে পাশ কাটিয়ে যায়। ফলে ঝরু তালুকদার একা যাত্রা আনা ঠেকাতে পারেন না। 

গ্রামে যাত্রা আসে। কর্নেটের সুরে মুখর হয়ে ওঠে বকুলপুরের প্রতিটি রাত। যাত্রার নৃত্যশিল্পী প্রিন্সেস দীবার নাচে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে যাত্রার দর্শকরা। ঘুড্ডি তালুকদারের ছোট ভাই টেডি তালুকদার প্রেমে পড়ে যায় প্রিন্সেস দীবার। কিন্তু যাত্রার শেষ দিন হঠাৎ করে উধাও হয়ে যায় প্রিন্সেস দীবা। সে কি পালিয়েছে? নাকি তাকে অপহরণের শিকার হয়েছে? শুরু হয় দীবার খোঁজ।

বকুলপুর বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন দীপ্ত টিভিতে প্রচারিত হবে শনি থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা