kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

এবার বাংলাদেশে খোঁজ মিলল লতা কণ্ঠীর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৩:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লকাতার রানাঘাটের গান গাওয়া রানু মণ্ডলকে নিয়ে বেশ হইচই হয়েছে। রেলস্টেশন থেকে তিনি এখন বলিউডের গায়ক। রানু মণ্ডল ওপার বাংলা মাতালেও তার ঢেউ রয়েছে এপারেও।
 
বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায় এক কিশোরীকে পাওয়া গেল, যিনি অসাধারণ গান গাইছেন একেবারে সাবলীলভাবে, কোনো বাদ্যযন্ত্র ছাড়াই। যা নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। ফেসবুকে খালি গলায় সুতপার গাওয়া গান মোবাইল ফোনে ধারণ করে ওই ভিডিওগুলো ছাড়া হয়।

 সাতক্ষীরার আশাশুনির কোদণ্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী সুতপা। তার বাড়িও কোদণ্ডা গ্রামে। বাবার নাম মৃন্যাল মণ্ডল ও মায়ের নাম সুমনা মণ্ডল। বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে টিফিনের সময় শিক্ষকদের নির্দেশেই গানটি গায় সুতপা। আর সে গান রেকর্ড করে রঞ্জন সরকার নামে ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ফেসবুকে আপলোড করেন।

ভিডিওতে সুতপা, উপমহাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী লতা মুঙ্গেশকারের কালজয়ী ‘যারে যারে উড়ে যারে পাখি ফুরালো প্রাণের মেলা শেষ হয়ে এলো বেলা আর কেন মিছে তোরে বেঁধে রাখি’ গানটি হৃদয় দিয়ে গাইছে সে। এতটুকুও ভুল নেই সুরে। যেখানে যেভাবে সুর ঢেলে দিতে হবে ঠিক সেভাবেই গাইছে ওই স্কুলছাত্রী।

ভিডিওটি পোস্টের পর ওই শিক্ষার্থীর প্রশংসায় মেতেছে নেট দুনিয়া। হু হু করে ভাইরাল হচ্ছে তার গানটি। গানে মুগ্ধ হয়ে অনেকেই তাকে বাংলাদেশের সঙ্গীতভূবনের এক নতুন আবিষ্কার বলে মন্তব্য করেছেন। সুতপার বাবা মীরলাল মৃন্যাল মণ্ডল কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের ঘোনা দারুসসুন্নাত সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসার সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক।

মেয়ের এই প্রতিভার বিষয়ে তিনি বলেন, আমার মেয়ের গলায় সুর ঢেলে দিয়েছেন সৃষ্টিকর্তা। ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি বেশ আগ্রহী সুতপা। তখন সবেমাত্র স্কুলে ভর্তি হয়েছে সে। একদিন মাদ্রাসা থেকে বাসায় ফিরে দেখি মোবাইল ফোনে গান শুনে ঠিক সেভাবেই গাইছে সে।

গানে যে তার বেশ দখল রয়েছে তা বুঝতে আর বাকি থাকেনি আমার। গানের গলা ভালো দেখে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় তাকে হারমোনিয়াম কিনে দিই। সেটা দিয়েই গানে হাতেখড়ি হয় সুতপার। পরে স্থানীয় শিক্ষক মান্নান স্যারের কাছে গিয়ে সঙ্গীত শাস্ত্রের স্বরলীপি রাগ শেখে সুতপা।

সুতপার আরো গান 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা